রবিবার ২৫শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
আমাদের সম্পর্কে
যোগাযোগ

অধ্যক্ষের নামে মিথ্যা সংবাদ, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ প্রকাশঃ

জুলাই ২০, ২০২১
প্রিন্ট
নিউজ ভিশন

হাসান মাহমুদ :

মাতৃভাষা ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষের নামে ২০০১ সালে বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাঙচুরের মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে কলেজের বর্তমান এবং প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা।

বাগেরহাট জেলার শরণখোলা উপজেলার মাতৃভাষা ডিগ্রী কলেজের অফিস সহকারী রেজাউল ইসলাম নান্নু। যার দুর্নীতি ও অপকর্মে অতিষ্ঠ কলেজের শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীরা। বিভিন্ন কৌশলে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অবৈধভাবে হাতিয়ে নেন টাকা। এমনকি উপবৃত্তি ও বৃত্তির টাকা আত্মসাৎ করেন। এ ঘটনায় বেশ কয়েকবার শিক্ষার্থীরা তাকে মারধর করতেও চেয়েছিল কিন্তু শিক্ষকদের বাঁধা প্রদানে বেঁচে যায় নান্নু। আর এ কাজে দিক নির্দেশনা এবং সহযোগিতা করতেন সাবেক অধ্যক্ষ অলিউর রহমান। যিনি কলেজের বিভিন্ন ফান্ডের টাকা আত্মসাৎ করে কোটিপতি বনে গেছেন। সম্প্রতি তার এই কৃতকর্মের জন্য তাকে চাকরি থেকে সাময়িকভাবে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

কলেজটিতে বর্তমানে অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করছেন সমাজকর্ম বিভাগের শিক্ষক কামরুল ইসলাম। তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর নান্নু বুঝতে পেরেছন তারও শেষ রক্ষা হবে না, তাই অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে শুরু করেছে নানা ষড়যন্ত্র। ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নে বেছে নিয়েছেন বঙ্গবন্ধুকে।

গত ১৯ শে জুলাই ২০২১ নান্নুর বরাত দিয়ে গত ২০ বছর আগে ২০০১ সালে নাকি বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাঙচুর করা হয়েছিল এমন একটি নাটক সাজিয়েছে সাংবাদিকদের মাধ্যমে। নিউজে বলা হয়েছে বর্তমান অধ্যক্ষ ২০০১ সালে বিএনপি সরকার বিজয়ী হওয়ার পর তিনি অধ্যক্ষের কক্ষে গিয়ে পিয়নের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ছবি নামাতে বলেন এবং তা মেঝেতে ফেলে দেন। পাশাপাশি জামাত-শিবিরের ট্যাগ লাগানো হয়েছে তার সাথে। বর্তমান সময়ে যে কথা বললে পাবলিক বেশি খায় এবং যে ব্যবসাটি জমজমাট সেটিই ইনিয়ে বিনিয়ে লিখেছে সাংবাদিকদের একটি সিন্ডিকেট। একটি বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, অফিস সহকারী নান্নু নিজে রক্ষা পাওয়ার জন্য এবং দুর্নীতিবাজ সাবেক অধ্যক্ষ অলিউর রহমান স্বপদে ফিরে আসার জন্য নান্নুর মাধ্যমে মোটা অংকের অর্থ সাংবাদিকদের দিয়ে এই কাজ করিয়েছে সাবেক অধ্যক্ষ।

বর্তমান অধ্যক্ষ কামরুল ইসলামকে নিয়ে মিথ্যা সাংবাদ প্রকাশ করায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছে ঐ কলেজের বর্তমান এবং প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা। সাংবাদিকদের ঐ সিন্ডিকেট নিজেদের টাইমলাইনে নিউজ শেয়ার দেয়ার সাথে সাথে কমেন্টের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের ক্ষোভ জানান। শিক্ষার্থীদের কমেন্টগুলো হুবহু নিচে তুলে ধরা হল।

রাবেয়া আক্তার ইমা লিখেছেন, আমাদের কলেজের সব শিক্ষকরাই যথেষ্ট ভালো মানুষ। আর কামরুল স্যার একজন নিরীহ প্রকৃতির মানুষ। তার বিরুদ্ধে এমন রিপোর্ট একদমই বেমানান।

ইসরাত জাহান ইভা লিখেছেন, খারাপ মানুষের ভালো কিছু সহ্য হয় না, ভালো তে তাদের এ্যালার্জি। যেহেতু কামরুল স্যার এখন দায়িত্বে সেহেতু আনেকে তাদের অপকর্মগুলো করতে পারছে না, ধরা পরতেছে,অসৎ উপায়ে টাকা আয় করতে পারছে না, তাই কামরুল স্যারের উপর তাদের এত রাগ। স্যার যথেষ্ট একজন ভালো মানুষ, আর আমরা এটা জানি যে ভালো মানুষের বিরুদ্ধেই এমন কুৎসা রটানো হয়।

আর আমি যদি ধরেও নেই যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং শেখ হাসিনার ছবি নামানো হয়েছিলো, তো এখানে অন্যায় টা কোথায়?? আমরা তো এটাই দেখে আসছি যে, যখন যে সরকার দায়িত্বে থাকে তাদের ছবিই সকল প্রতিষ্ঠানে টানানো থাকে। তবে এইখানে আরো কথা থাকে, কামরুল স্যার তখন অধ্যক্ষ ছিলেন না, তিনি কেন এই কাজ করবেন আপনারা কেউ বলতে পারেন? আর তিনি যদি এমন কাজ করেনও তাহলে তৎকালীন অধ্যক্ষ এই ব্যাপারে কোন পদক্ষেপ নেয় নি কেন? এই ২০ বছর পরে কেন এমন ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে?

যাদের সাধারণ সেন্সটুকু আছে, আশা করি তারা এই সব বানোয়াট, মনগড়া কথা বিশ্বাস করবে না। আমরা শিক্ষার্থীরাও চাই কামরুল স্যারই অধ্যক্ষ হিসেবে থাকুক। কারন কামরুল স্যার দায়িত্বে আসার পরে কলেজের অনেক উন্নতি হয়েছে। গত ২০১৭-১৮ সনের বোর্ড থেকে প্রাপ্ত বৃত্তির টাকা আমরা এখনো পাইনি, যেটা ওলিউর রহমান স্যার কি করেছেন তা আমাদের জানা নেই,কিন্তু কামরুল স্যার দায়িত্ব পাওয়ার পরে আমাদের সকল পেপারস আবার জমা নিয়েছেন। কলেজের এবং শিক্ষার্থীদের উন্নতির জন্য কামরুল স্যারের মতোই একজন অধ্যক্ষ দরকার।

নাইম হোসেন লিখেছেন, আমাদের মাতৃভাষা কলেজে দুর্নীতি ও প্রতারণা; আগে অলিউর স্যার মনে আনন্দ নিয়ে করেছে, আর এখন নান্নু বর্তমান। নান্নু ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে খারাপ ব্যবহার করে, ভুল তথ্য বোর্ডে পাঠিয়ে তা সংশোধনের নামে ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে টাকা আদায়। শিক্ষার্থীদের বিষয়(subject) পরিবর্তনের নামে টাকা আদায়, টিসি (TC) নিতে গেলে মোটা/অতিরিক্ত অঙ্কের টাকা নেওয়া। অ্যাডমিট কার্ড বোর্ড থেকে আসেনি বলে তা এনে দেওয়ার কথা বলে সকালে টাকা নিয়ে বিকেলে অ্যাডমিট কার্ড দেওয়া (শিক্ষার্থীরা মারাত্মকভাবে প্রতারণার শিকার)। অধ্যক্ষের অনুমতি ছাড়াই ছাত্র-ছাত্রীদের ফরম ফিলাপ করা। শিক্ষকদের নাম উপনামে ডাকা, তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা, তুচ্ছ জ্ঞান মনে করা ইত্যাদি কর্মকাণ্ড করছে। এছাড়া আরো দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত। তার জন্য শিক্ষক ও অন্যান্য কর্মচারীরা কলেজের কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালনা করতে পারছে না। এই কর্মচারী এভাবে দুর্নীতি, প্রতারণা ও খারাপ আচরণ-কর্মকান্ড করতে থাকলে মাতৃভাষা কলেজের ভবিষ্যৎ নিম্নমুখী। যা আমরা একদমই সহজভাবে নিব না। নান্নুর বিচার অনিবার্য, তাই বিচার চাই।

মোঃ তুরান মৃধা লিখেছেন, তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে। আমাদের শ্রদ্ধেয় স্যারের সম্মানহানি করা হচ্ছে মিথ্যা সংবাদের মাধ্যমে। গুজব ছড়িয়ে সমাজে ঝামেলা বাড়াচ্ছে কিছু স্বার্থ অন্বেষী মানুষ। কামরুল স্যার এমন কাজ কখনো করতে পারেনা।

মোঃ জহির মোল্লা লিখেছেন, আমরা জাতে বাঙালি কেউ ভাল করবে সেটা আমাদের সহ্য হবেনা। আমার জীবনের সেরা শিক্ষক মাতৃভাষা কলেজের শিক্ষকেরা। তার মধ্যে কামরুল স্যার অন্যতম।

নয়ন সুতার সাম্য লিখেছেন, কামরুল স্যার আমার অত্যন্ত প্রিয়। একদিন স্যার একান্তভাবে কিছু উপদেশ দেন যার কল্যানে একটা ভালো রেজাল্ট করেছি।প্রাক্তন ছাত্র হিসেবে এটুকু বলতে পারি মাতৃভাষা কলেজের স্যারদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় যখন উন্নতি করছে ঠিক সেই মুহুর্তে এই ধরনের চক্রান্ত কলেজের দুর্নাম ছড়ানো ও ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার অপপ্রচেষ্টা মাত্র।

রাকিব হোসেন লিখেছেন, মাতৃভাষা কলেজের একজন প্রাক্তন ছাত্র হিসেবে আমি বলতে পারি কামরুল স্যার দ্বারা এমন কাজ কখনোই হতে পারে না। আমি কলেজে থাকাকালীন কামরুল স্যাঁরকে যতটুকু দেখেছি ততটুকু শিখেছি! কতটা সহজ সুন্দর এবং সাবলীল ভাষায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কে আমাদের সবার মাঝে তুলে ধরতেন। স্বার্থ আদায়ের জন্য মানুষ নানা ভাবে না কৌশলের পথ অবলম্বন করতে পারে, কামরুল স্যার অত্যন্ত ভালো মনের একজন মানুষ। মাতৃভাষা কলেজের প্রধান অফিস সহকারী রেজাউল ইসলাম নান্নু তাকেই ত আমার সন্দেহ হয়, কারণ কলেজের বিভিন্ন দুর্নীতির সাথে এই মানুষটার পদচারণা থাকতো, উপবৃত্তি টাকা অনেকে পেতো আবার অনেকের টাকা উধাও হয়ে যেত, যার সাথেই এনিও জড়িত থাকতো। ইচ্ছে করে নাম ভুল করে টাকা আদায়। সাবজেক্ট পরিবর্তন করে টাকা আদায় এসব তো নান্নু নামের তাঁরাই করতো। কলেজের সৌর বিদুৎ যারা চুরি করে তাঁদের মুখে এই স্টেটমেন্ট বড্ড বেমানান লাগে। ২০০১ সাল যদি এমন কোন কাজ হয়েই থাকে তাহলে ২০২১ সালে কেন প্রকাশিত হচ্ছে? তাহলে কি এটা ষড়যন্ত্র না? অবশ্য ই ষড়যন্ত্র। সত্যকে সত্য আর মিথ্যাকে মিথ্যা বলতে শিখতে হবে। কামরুল স্যার আমাদের কাছে পূর্বের ন্যায় ভালো মানুষ ছিলেন এবং এখনো আছেন। তাঁর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ অবশ্যই মিথ্যা বানোয়াট এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এর তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানাচ্ছি। মাতৃভাষা কলেজের আমাদের কামরুল স্যাঁরকে নিয়ে এই নোংরা রাজনীতি অনুগ্রহ করে বন্ধ করুণ।

সাব্বির হোসেন লিখেছেন, গভীর ষড়যন্ত্রের শিকার হচ্ছেন প্রিয় কামরুল স্যার! মাতৃভাষা কলেজের কর্মঠ শিক্ষকদের মধ্যে তিনি একজন। সবসময় কলেজ এবং শিক্ষার্থী বান্ধব ছিলেন মানুষটা অথচ তার বিরুদ্ধে এত এত বানোয়াট তথ্য রটানো হলো!

তন্নি ইসলাম লিখেছেন, কিছু কুচক্রী মহল এটি রটিয়েছে তাদের স্বার্থ হাতছাড়া হয়েছে বলে। আমাদের কামরুল স্যারের মতো মানুষ এমন কাজ কখনোই করতে পারেনা। যারা এসব রটিয়েছে তাদের তীব্র নিন্দা আর ধিক্কার জানাই।

মোঃ গোলাম রব্বানী লিখেছেন, এই সংবাদ উদ্দেশ্য প্রণোদিত, ভুয়া,ভিত্তিহীন। এহেন গর্হিত অপদস্তমূলক সংবাদের প্রতি নিন্দা ও গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করছি এবং তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

সাইফুল ইসলাম লিখেছেন, গভীর ষড়যন্ত্র।কারা করছে তাও আমরা জানি।এসব ফালতু জিনিস বাদ দেন।।এতকাল কোথায় ছিলো এরা?? এখন এগুলো প্রকাশ করছে কেন?এতদিন কি করছে?? কোথায় ছিলো যখন অলিউর রহমান দায়িত্বে ছিল??যখন কলেজটা একাই শেষ করে দিয়েছিলো।এখন কলেজটা এগিয়ে যাচ্ছে তো তাই এদের সহ্য হচ্ছে না।।

তাসলিমা আক্তার লিখেছেন, এটা স্যারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র। কামরুল স্যার এটা করতে পারেন না।কিছু স্বার্থান্বেষী মানুষ স্যারের বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ রটিয়েছে।এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।

আহমেদ রাজন লিখেছেন, এটা স্যারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র। কামরুল স্যার এরকম কাজ করতে পারে না।

মুহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন লিখেছেন, যখন নান্নু বুঝতে পেরেছে তার আর রক্ষা নেই তখন সে এই নাটক রচনা করেছে। সে অন্যতম দুর্নীতিবাজ যিনি তার কুকর্মের কারণে কলেজ থেকে সাসপেনশনে আছেন সেই সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অলিউর রহমানের সহযোগী। এই নান্নু বোর্ড থেকে পাশ করিয়ে দেয়ার নাম করে বিভিন্ন বছরে অবৈধভাবে হাতিয়ে নিয়েছে লাখ লাখ টাকা অথচ কাউকে পাশ করিয়ে দিতে পারেনি। এ কারণে শিক্ষার্থীরা বেশ কয়েকবার কলেজে মারতে গেছিল এই নান্নুকে। তার হাত থেকে রক্ষা পায়নি বান্ধাকাটার এক শিক্ষার্থী যার মা আয়ার কাজ করে তার সন্তানকে পড়াতেন , এই নান্নু তার কাছ থেকেও হাতিয়ে নেয় টাকা। শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি এবং বৃত্তির টাকাও খেয়ে ফেলে এই নান্নু এবং সাবেক অধ্যক্ষ। এছাড়া ইচ্ছা করে শিক্ষার্থীদের কাগজপত্রে ভুল করে সেটা সংশোধনের জন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নেয় টাকা। এছাড়া শিক্ষার্থীদের এডমিট আটকে রেখে আসেনি বলে টাকা দিলে বোর্ড থেকে এনে দেবে এভাবে টাকা আদায় করে শনিবার এডমিট দেয় এই নান্নু ও সাবেক অধ্যক্ষ অলিউর অথচ শনিবার বোর্ড বন্ধ থাকে। নতুন অধ্যক্ষ হিসেবে কামরুল স্যার দায়িত্ব নেয়ার পর যখন এসব বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে যখন বুঝতে পেরেছে এবার আর পিঠ বাঁচবে না তখন সাংবাদিকদের দিয়ে এই নাটক রচনা করিয়েছে সে। আমি এই মিথ্যাচারের তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
logo

নিউজ ভিশন বাংলাদেশের একটি পাঠক প্রিয় অনলাইন সংবাদপত্র। আমরা নিরপেক্ষ, পেশাদারিত্ব তথ্যনির্ভর, নৈতিক সাংবাদিকতায় বিশ্বাসী।

সম্পাদক ও প্রকাশক : মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম

ঢাকা অফিস: ইকুরিয়া বাজার,হাসনাবাদ,দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ,ঢাকা-১৩১০।

চট্টগ্রাম অফিস: একে টাওয়ার,শাহ আমানত সংযোগ সেতু রোড,বাকলিয়া,চট্টগ্রাম |

সিলেট অফিস: বরকতিয়া মার্কেট,আম্বরখানা,সিলেট | রংপুর অফিস : সাকিন ভিলা, শাপলা চত্ত্বর, রংপুর |

+8801789372328, +8801829934487 newsvision71@gmail.com, https://newsvisionbd.com
Copyright@ 2021 নিউজ ভিশন |
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ‌্য মন্ত্রণালয়ে আবেদিত ।