জামালগঞ্জে ফসল রক্ষা বাঁধে মন্থরগতি, কাজ শুরু করেনি অনেক পিআইসি।

20180213_155021.jpg

আকতারুজ্জামান তালুকদার, জামালগঞ্জ প্রতিনিধি::
জামালগঞ্জ উপজেলার হালির হাওর রক্ষা বাঁধের কাজ চলছে মন্থর গতিতে।চলতি ফেব্রুয়ারীর ২৮ তারিখের মধ্যে কাজ শেষ করার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত কোন কোন পিআইসি কাজই শুরু করেনি।গুরুত্ব পূর্ণ ক্লোজার সহ ঝুকিপূর্ণ বাঁধ গুলো রয়েছে অরক্ষিত।বাঁধের গোড়া থেকে মাটি উত্তোলন,দুরমুজ না করাসহ পাউবো নীতিমালা উপেক্ষা করে বাঁধ নির্মান করছেন পিআইসিরা এ অভিযোগ স্হানীয় কৃষকদের। আবার অনেক পিআইসি বরাদ্ধের টাকা না পাওয়াতে কাজ করতে পারছেন না।
মঙ্গলবার (১৩ফেব্রুয়ারি) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,পিআইসি নং৮৬ ঘনিয়ার খাড়া ক্লোজারে শুকনা মাটি ফেলতে এসময় নির্বাহি অফিসার নির্দেশ দিয়েছন। পিআইসি নং ১৬ তে বরাদ্ধের টাকা না পাওয়ায় বাঁধের কাজ শুরু করতে পারেনি পিআইসি সভাপতি খলিলুর। পিআইসি নং ৯৭তে বরাদ্ধের টাকা না পাওয়ায় এখনো কাজ শুরু করতে করেননি সভাপতি আক্তার অালী।পিআইসি ১৫তে কাজ চলছে।তবে প্রকল্প সভাপতিকে বাঁধের কাজে পাওয়া যায়নি।পরিবর্তে তার ভাই উপানন্দ পুরো কাজ দেখভাল করছেন।বাঁধের পাশে সাইনবোর্ড থাকলেও বরাদ্ধের টাকার উল্লেখ নেই।
পিআইসি নং১৪তে মুল বাঁধে মাটি ফেলা হয়নি।এই বাঁধের কিছু মাটি সাইডে স্তুপ দেওয়া রয়েছে।
পিআইসি নং ৮৩তে কাজ সবে মাত্র বন সরানোর কাজ শুরু করেছে।
পিআইসি ৮২তে সভাপতি তোফায়েল আহমদ মাসুম কাজ শুরু করেনি।
পিআইসি নং ৮১ হরিপুর গ্রামের পাশে ১৩ফেব্রুয়ারি কাজ শুরু হয়েছে।
পিআইসি নং ৫৮এর পৃথক সুন্দরপুর অংশে বাঁধের গোড়া থেকে মাটি উত্তোলন করে কাজ করছে পিআইসি সভাপতি রফিকুল ইসলাম।এ বাঁধে গোড়া থেকে মাটি কাটায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন কৃষকেরা।
পিআইসি নং ৯২তে বরাদ্ধের টাকা না পাওয়ায় কাজ শুরু হয়নি।তবে দুএকদিনের মধ্যে কাজ শুরুর কথা বলেছেন এ কমিটির সংশ্লিষ্টরা।হালির হাওরের ডেঞ্জার জোন কালিবাড়ী ক্লোজার সহ অন্যান্য পিআইসিতেও সঠিকভাবে কাজ হচ্ছেনা বলে অভিযোগ উঠেছে।এছাড়াও একই ব্যাক্তি নিজের প্রভাব খাটিয়ে নিজস্ব লোকদের নামে একাধিক পিআইসি নেওয়ার গুরতর অভিযোগ রয়েছে।
এসব অনিয়মের ব্যাপারে পাউবো দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা নিহার রঞ্জন দাশ জানান,নীতিমালা ছাড়া কাজ করলে বিল দেওয়া হবে না।এক ব্যাক্তি একাধিক পিআইসিতে পরোক্ষ ভাবে সম্পৃক্ত রয়েছেন এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিনি বলেন,বিষয়টি আমরাও ঠের পাচ্ছি। তবে কাগজে পত্রে কাউকে পাওয়া যাচ্ছে না।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা শামীম আল ইমরান বলেন,কিছু পিআইসির একাউন্টে এখনো টাকা আসেনি।যারা অনিয়ম করবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্হা নেওয়া হবে।

Top