মাটিরাঙ্গায় বেলছড়ি রেবতী কার্বারীপাড়া শিব মন্দিরের বেহাল দশা

shib-mondir-4.jpg

মাটিরাঙ্গা প্রতিনিধি :

খাগড়াছড়ি মাটিরাঙ্গা উপজেলার আওতাধীন বেলছড়ি ইউনিয়েনের ৬নং ওয়ার্ড রেবতী কার্বারীপাড়া শিব মন্দিরের জরাজীর্ণ দশা যেনো দেখার কেউ নেই। পাহাড়ী এই জনপদে এলাকার মানুষের আর্থিক অস্বচ্ছলতা আর দায়িত্বশীল অভিভাবকের শুণ্যতায় ১৯৮৭ সালে মন্দির প্রতিষ্ঠার পর থেকে আজ পর্যন্ত তেমন কোন উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। সরেজমিনে জানা যায়, রেবতি কার্বারীর অর্ধাঙ্গিনী গনিমালা ত্রিপুরা তার স্বামী বেরতীর সহযোগিতায় একবারেই ব্যক্তিগত উদ্যেগে ১৯৮৭ সালে প্রথম দিকে প্রতিষ্ঠা করেন এই শিব মন্দিরটি। তখন পারিবারিক ভাবে ধর্মীও অচার অনুষ্ঠান পালনের জন্য মন্দিরটি নির্মান করা হলেও সময়ের সাথে সাথে মন্দিরটি এখন একটি সামাজিক ধর্মীও প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে । বর্তমানে রেবতী কার্বারীর দানকৃত জায়গায় প্রায় ৩০ বছরের পুরাতন টিনের ছাউনি সম্বলিত মাটির তৈরি ছোট্ট একটি ঘরের মধ্যে অনেক কষ্টে চলছে শিব মন্দিরের ধর্মীও আচার অনুষ্ঠান। নেই পুন্যার্থিদের জন্যে নিরাপদ কোন বিশ্রামাগার,নেই মন্দিরে প্রবেশ করে ৫ জন পুন্যার্থীর দাড়িয়ে থাকার জায়গা। কোন রকমে দাড়িয়ে থাকা জরাজীর্ণ একটা কুঁড়ে ঘরে শিব মুর্তিটিকে রাখা হয়েছে। অনেক কষ্টে রোদে জ্বলে বৃষ্টিতে ভিজে ধর্মীও অনুষ্ঠানাদি পালন করেন এলাকাবাসী। মন্দিরের উদ্যোক্তা গনিমালা ত্রিপুরা ও রেবতী কার্বারী জানান, আমাদের এক সময়ের পারিবারিক মন্দির এখন সামাজিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হওয়ায় আমরা খুশি। নিজের গ্রামের মানুষ ছাড়া আশেপাশের প্রায় ৬ শতাধিক মানুষ পুজা করতে আসে এখানে। অর্থাভাবে মন্দিরটির নানা রকম চাহিদা পুরণ ও সমাজের সকল মানুষ একসাথে অবস্থান করার মতো অবকাঠামো তৈরি করতে না পেরে তারা আপেেসাস করেন এবং সচেতন মহলের সহযোগিতা কামনা করেন। স্থানীয় এলাকাবাসী অরুন বিকাশ রোয়াজা ও বিজয় মোহন ত্রিপুরা জানান,মন্দিরটির জন্য একটি স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণ করা খুবই প্রয়োজন। দরিদ্র এই জনপদের ধর্মীও প্রতিষ্ঠানটি রক্ষায় তারা সরকারী সহযোগীতা কামনা করেন।

Top