রামুতে ইভটিজিং এর শিকার স্কুল ছাত্রীর ঘটনায় ছাত্রনেতা তানিমের হৃদয়স্পর্শী স্টাটাস:

27783848_277271349469700_860248126_n.png

জে,জে বিশেষ প্রতিবেদক:

গত ৮ই জানুয়ারী বৃহস্পতিবার কক্সবাজারের রামুতে ঘটে যায় নির্মম ঘটনা। একদল পাষন্ড দীর্ঘদিন যাবৎ নিঝুম নামে ১০ম শ্রেণীর মেধাবী ছাত্রীকে ইভটিজিং করে আসিতেছে।

এমনকি ইভটিজিং এর প্রতিবাদ করায় ছাত্রীর পরিবারকে বকাটে কতৃক সন্ত্রাসী হামলা করা হয়।

এতে ছাত্রীর বাবা ও ভাইকে নির্মম ভাবে কুপিয়ে রক্তাক্ত করে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা নজরে পড়েছে জেলা ছাত্রলীগের সম্পাদক মোরশেদ হোসাইন তানিমের।

পরে এমন ঘটনায় ব্যতিত মনে আহত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে ছাত্রলীগ। এবং নিজের ফেসবুক পেইজে তীব্র নিন্দা জানিয়ে প্রশাসন সহ সচেতনমহলের দৃষ্টি কেড়েছেন তিনি।

যা পাঠকের প্রয়োজনে তুলে হুবহু তুলে ধরা হলো।

“অাজ দুপুরে অপরিচিত এক নাম্বার বেজে উঠলো ফোনে রিসিভ করতেই কান্নার অাওয়াজ শুনলাম ভাইয়া অামি নিঝুম বলছি-

ছবিতে গোল মার্ক দেওয়া মেয়েটির নাম নাজমুন নাহার নিঝুম। কক্সবাজার সদরে মোঃ ইলিয়াছ মিয়া চৌং উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর মেধাবী ছাত্রী।বলতে পারেন একজন মুজিব ভক্ত।

অামি ফোনে তার কথা শুনে অার এই ছবি গুলো দেখে চোখের পানি ধরে রাখতে পারলাম না।খুবি খারাপ লাগলো ভাবলাম ঘটনাটা সবার সামনে তুলা ধরা প্রয়োজন।

গত বছর কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগ অায়োজিত ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ প্রতিযোগী হলো নিঝুম।

খবর নিয়ে জানা গেছে কক্সবাজার রামু দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের সাদর পাড়ার বখাটে আবছারের হাতে নিয়মিত ইভটিজিংয়ের শিকার হয় নিঝুম।ভয়ে কখনো প্রতিবাদ করার সাহস হয় নি।তবে বেশ কিছু দিন অাগে তার এসব নোংরামি সহ্য করতে না পেরে নিঝুম তার পরিবারকে বিস্তারিত ঘটনা জানায়।তার বাবা ও ভাইয়েরা এর প্রতিবাদ করায় বখাটে আবছারের নেতৃত্বে গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় একদল বহিরাগত সন্ত্রাসী নিয়ে অাজ নিঝুমের স্ব পরিবারের ওপর হামলা চালায়।এতে তার বাবা, চার ভাই ও ভাবীকে কুপিয়ে জখম করেছে সন্ত্রাসীরা।এমনকি মসজিদে নামাযে অবস্থায় কুপিয়ে জখম করেছে নিঝুমের বাবা ও এক ভাইকে। সন্ত্রাসীরা প্রভাবশালী হওয়ায় নিঝুমের পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।বর্তমানে নিঝুম এর ভয়ে বিদ্যালয়ে আসা -যাওয়া বন্ধ হয়েছে বলে জানায়।এবং সন্ত্রাসী অাবছারের ৫ বছর অাগে ঠিক অারকেটি মেয়েকে ধর্ষন করেছিল যা রামু থানায় মামলাও রয়েছে।স্থানীয় চেয়ারম্যান ভুট্টোর ক্যাডার হিসেবে সে পরিচিত সকলের কাছে।তাই ভয়ে কেউ কিছু বলার সাহস পায় না।

যে কণ্ঠে বঙ্গবন্ধুর অমর ভাষণ…
অাজ কি তবে সে কণ্ঠ নিস্তব্ধ হবে একজন বখাটের জন্য???

খবর নিয়ে অারো জানা গেছে গতকাল এলাকাবাসীর সহযোগিতায় ঘটনায় জড়িত একজন আসামীকে ধরতে সক্ষম হয়েছিল কিন্তু স্হানীয় মিঠাছড়ির ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ইউনুস ভুট্টো তাকে ছাড়িয়ে নিয়েছে এবং বর্তমানে এলাকা থেকে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করেছে।যেহেতু নির্যাতিত পরিবার দূর্বল তাই তাদের পক্ষে চেয়ারম্যান থেকে শুরু করে প্রশাসনিক কর্মকর্তা সবাই নিরব।

একটি পরিবারের সকল সদস্যকে এভাবে নির্যাতন করার পর পুলিশ অার স্থানীয় চেয়ারম্যান নিরব???

এই মুহুর্তে শুধু ছাত্রলীগ একমাত্র তাদের ভরসা অার তাই কক্সবাজার সদর উপজেলার তামজিদ, মুন্না অার কক্সবাজার কলেজের সাখাওয়াত সৈকতরা ছুটে গিয়েছে অসহায় সেই পরিবারে পাশে অামি তাদের প্রত্যেককে ধন্যবাদ জানাচ্ছি এবং প্রশাসন যদি অাগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে অাসামীদের গ্রেফতার না করে তবে কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগ বসে থাকবে না বরং তাদেরকে খোজে বের করে শাস্তি দিতে বাধ্য থাকবে।

অামি উক্ত ন্যক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি পাশাপাশি ঘটনায় জড়িত সকল সন্ত্রাসীদের দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেফতার পূর্বক দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি”।

Top