জগন্নাথপুরে আন্ত: ইউনিয়ন প্রাথমিক বিদ্যালয় ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা সম্পন্ন

received_1830210930336069.jpeg

জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে মীরপুর ইউনিয়নের শ্রীরামসি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে গতকাল শনিবার ইউনিয়ন পর্যায়ে আন্তঃ প্রাথমিক বিদ্যালয় ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন শ্রীরামসি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মো.রফিজ আলী পরিচালনা করেন অত্র বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আলী কাউছার প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলার সহকারি শিক্ষা অফিসার আব্দুর রহমান। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন শ্রীরামসি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক আব্দুল মালিক প্রমুখ।
সভায় উপস্থিত ছিলেন সাবেক মেম্বার ইমান আলী, লন্ডন প্রবাসী শাহ আলম, মুক্তিযোদ্ধা ইলিয়াস আলী,হাছন ফাতেমাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ধীরেন্দ্র চন্দ্র তালুকদার,হলিয়ারাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিষ্ণুপদ হোড়, আটপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সুনীল চন্দ্র নাথ,পূর্ব আলীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিনা রায়,কচুরকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইসমাঈল হোসেন, বাউর কাপন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রনেন্দ্র দাস,অরুনোদয় বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক ছালিক মিয়া চৌধুরী,আব্দুল সোবহান উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এমরান আলী, শ্রীরামসি হাই স্কুল এন্ড কলেজের সহকারি শিক্ষক জাফর আলম,মোখলেছুর রহমান, মশাজান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সায়মা বেগম, শ্রীরামসি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শেফালী বেগম,রুপনা বেগম,আমিনুল ইসলাম, খুদেজা বেগম,স্থানীয় বাসিন্দা এখলাছুর রহমান,সুনু মিয়া,বাদশা মিয়া,আব্বাছ আলী,জিলু মিয়া সহ অংশ গ্রহন কারী বিদ্যালয়ের শিক্ষক বৃন্দ ও গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। দুই দিন ব্যাপী আন্তঃ প্রাথমিক বিদ্যালয় ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় ইউনিয়নের ১৬টি বিদ্যালয় অংশ নেয়।
সভায় বক্তাগন বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধূলা ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অব্যাহত রাখতে হবে। ক্রীড়া ও দেশীয় সংস্কৃতিকে শিশুরা যদি লালন করতে পারে তাহলে আজকের এই শিশুরা আগামী দিনের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে। আর এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করতে পারেন শিক্ষকরা।তাই পড়ালেখার পাশাপাশি শিশুদের খেলাধূলা ও সাংস্কৃতিক চর্চ্চার সুযোগ দিতে হবে।

Top