কক্সবাজারে ৬ বস্তা জাল খতিয়ান ও ৩’শ১৩ টি ভূয়া ওয়ারিশ সনদ উদ্ধার।। আটক-৩।

received_1559781684077321-1.jpeg

আবদুর রাজ্জাক,কক্সবাজার:
কক্সবাজারে রেলের জমি অধিগ্রহণের টাকা আত্নসাতের উদ্দেশ্যে জালিয়াতচক্র কতৃর্ক বিভিন্ন ইউপি চেয়ারম্যান সনদ, ওয়ারিশ সনদসহ সংশ্লিষ্ট সব ধরণের ডকুমেন্ট
জালিয়াতির মাধ্যমে তৈরীকৃত ৬ বস্তা
ভূঁয়া খতিয়ান উদ্ধার করা হয়েছে। এসময় ৩” শত ১৩টি ভূঁয়া ওয়ারিশ সনদ ও জব্দ করা হয়। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে সদর উপজেলা ঝিলংজা ইউনিয়নের পিএমখালী এলাকার মকবুল আহমদের ছেলে তৌহিদুল ইসলাম (৩৮), মৃত আবুল কাশেমের ছেলে নুরুল আবছার (২৮) ও ঝিলংজা চান্দেরপাড়ার আবু ছৈয়দের ছেলে ছৈয়দুল হক (৪৫) কে আটক করে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা করা হয়েছে বলে জানা গেছে। মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারী) দুপুরে কক্সবাজার সদরের ঝিলংজা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব খতিয়ান উদ্ধার করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. নোমান হোসেন। অভিযানে সার্বিক সহায়তা করেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শহিদুল আলম বাহাদুর ও ঝিলংজা ইউপি চেয়ারম্যান টিপু সোলতান।
কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. নোমান হোসেন জানান, রেলের জমি অধিগ্রহণের টাকা আত্নসাতের উদ্দেশ্যে একটি জালিয়াতচক্র ইউপি চেয়ারম্যানের সনদ, ওয়ারিশ সনদসহ সংশ্লিষ্ট সব ধরণের ডকুমেন্ট জালিয়াতির মাধ্যমে ভূঁয়া খতিয়ান সৃজন করে। বিষয়টি বিভিন্ন সোর্সের মাধ্যমে জানার পর অভিযান চালানো হয়।
জানা যায়,সরকার রেল প্রকল্পের জন্য সদরে ১ হাজার একর জমি অধিগ্রহণ করেছে। অধিগ্রহণভূক্ত জমির টাকা আত্নসাৎ করতে এই সিন্ডিকেট গড়ে উঠে। তাদের টার্গেট ছিল অন্তত ৩০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়া। সেজন্য রাতারাতি খতিয়ান সৃজন করতে খতিয়ান প্রতি ব্যয় করেছে ২ থেকে ৩ লাখ টাকা।
স্থানীয়রা জানায়, এসব জালিয়াতির সঙ্গে ভূমি অফিস, এলও অফিস, ডিসি অফিসসহ বেশ কয়েকটি সরকারী দপ্তরের লোকজনের সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে বলে জানান।

Top