মহেশপুর থানার এসআই সহ চার পুলিশ ক্লোজড

index_88326.jpg

মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জল, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
ঝিনাইদহের মহেশপুর থানার এস.আই নাজমুল হকসহ চার পুলিশকে ক্লোজড করা হয়েছে। প্রশাসনিক কারণে তাদের ক্লোজ করার কথা পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হলেও বড় ধরণের সোনা আত্মসাতের ঘটনা জড়িত বলে গুজব ছড়িয়ে পড়েছে। ক্লোজ হওয়া অন্য পুলিশ সদস্যরা হলেন, কনস্টেবল মনিরুজ্জামান, এইচ এম এরশাদ ও ওলিয়ার রহমান।
অভিযোগ পাওয়া গেছে, গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে মহেশপুরের পুরন্দপুর নামক স্থানে সোনারতরী পরিবহনে অভিযান চালিয়ে পুলিশ পরিচয়ে কতিপয় ব্যক্তি ৬৫ পিস সোনার বার উদ্ধার করে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর নড়েচড়ে বসে জেলা পুলিশ। ঘটনা সামনে রেখে মহেশপুর থানায় একটি ডাকাতি মামলা (মামলা নং ১০) দায়ের করে নিবিড় অনুসন্ধানে নামে পুলিশ। ডাকাতির এই মামলাটি তদন্ত করছে মহেশপুর থানার এসআই আনিসুর রহমান। এদিকে অনুসন্ধান চালিয়ে ঘটনার দিন সোনারতরি বাসে অভিযান চালানো হাইওয়ে ডিউটিরত পুলিশ সদস্যদের সনাক্ত করা হয়। এরপর জেলা পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে তদন্তে নামে। অসমর্থিত সুত্র মতে কোটচাঁদপুরের এক চোরাচালান সিন্ডিকেটের গডফাদারকে জিজ্ঞাসাবাদের পর ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পেয়েই সোমবার সকালে মহেশপুর থানার এসআই নাজমুল হকসহ চার পুলিশকে ক্লোজ করা হয়। তবে সোনার বার উদ্ধার ও আত্মসাতের বিষয়টি পুলিশের পক্ষ থেকে পুরো গোপন রাখা হচ্ছে। বলা হচ্ছে সোনা উদ্ধারের মতো কোন ঘটনাই ঘটেনি। ক্লোজ হওয়া পুলিশের এসআই নাজমুল হক বলেন, আমি ঘটনার দিন রাতে হাইওয়ে ডিউটিতে ছিলাম। সোমবার সকালে শুনি আমিসহ চার পুলিশ ক্লোজ হয়েছি। তিনি বলেন কি ঘটনা ঘটেছে আমি কিছুই জানি না। কি কারণে আমিসহ চার পুলিশকে ক্লোজ করা হয়েছে তাও জানি না। বিষয়টি নিয়ে মহেশপুর থানার ওসি আহম্মেদ কবির জানান, প্রশাসনিক কারণে তাদের সোমবার সকালে ক্লোজ করা হয়েছে। তাদের কি কারণে ক্লোজ করা হয়েছে তা আমি জানি না। তবে তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ তদন্ত করছে। এ ব্যাপারে ঝিনাইদহের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার আজবাহার আলী শেখ মিডিয়াকে জানান, সোনা উদ্ধার নয়, প্রশাসনিক কারণে এস.আই নাজমুল হকসহ চার পুলিশকে ক্লোজ করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

Top