ব্যক্তিগতভাবে বাসার ছাদেও থার্টিফার্স্ট উদযাপন করা যাবে না– ডিএমপি কমিশনার

received_1199606713507014.jpeg

শহিদুল ইসলাম সুমন
ষ্টাফ রিপোর্টার :
শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি জানান তিনি।

আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, থার্টিফার্স্ট উদযাপনে উন্মুক্ত স্থানে সব ধরনের অনুষ্ঠান নিষিদ্ধ করা হয়েছে। অনুমতিসাপেক্ষে চার দেয়ালের মধ্যে উদযাপন করা যাবে। তবে ব্যক্তিগতভাবে বাসার ছাদেও উদযাপন করা যাবে না।

তিনি বলেন, থার্টিফার্স্ট উদযাপন নিরাপদ করতে রাজধানীজুড়ে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা থাকবে। পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকেও পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন থাকবে।
এছাড়া নগরীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিরাপত্তার দায়িত্বে ডিএমপির সোয়াট ও যে কোনো ধরনের ঘটনা মোকাবিলায় বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট স্ট্যান্ডবাই থাকবে বলেও জানান ডিএমপি কমিশনার।
থার্টিফার্স্টে মাদক ব্যবহারের প্রবণতা দেখা যায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণে আমাদের গোয়েন্দারা তৎপর থাকবে। ৩১ তারিখ সন্ধ্যা থেকে পরদিন ভোর পর্যন্ত নগরীর সব বার বন্ধ থাকবে। রাত ৮টা থেকে হোটেল ও রেস্তোরাঁগুলোতে আগ্নেয়াস্ত্র বহন ও প্রদর্শন নিষিদ্ধ।
গুলশান, বনানী, বারিধারা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় রাত ৮টার পর বহিরাগতদের প্রবেশ নিষিদ্ধ। গুলশান-বনানী এলাকায় আমতলি ও কাকলি ক্রসিং দিয়ে প্রবেশ করা যাবে, তবে বের হওয়া যাবে সব পয়েন্ট দিয়ে। এসব এলাকার নাগরিকদের ৮টার পর প্রবেশের ক্ষেত্রে তল্লাশির পর পরিচয় নিশ্চিত হয়ে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার স্টিকারযুক্ত গাড়ি শাহবাগ ও নীলক্ষেত এলাকা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, ছাত্রদের ক্ষেত্রে আইডিকার্ড দেখে পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর প্রবেশ করতে দেওয়া হবে। ওই এলাকায় বহিরাগতদের অবস্থান না করার অনুরোধ করা হচ্ছে।
হাতিরঝিল, রবীন্দ্রসরোবার এলাকায় রাত ৮টার পর অবস্থান করা যাবে না উল্লেখ করে ডিএমপি কমিশনার বলেন, অনেকেই ফাঁকা রাস্তায় উচ্চ শব্দে গাড়ি চালিয়ে জনগণের মনে ভীতির সৃষ্টি করেন। কিন্তু এসব বিষয়ে পুলিশের কঠোর নজরদারি থাকবে। মাদকাসক্ত হয়ে উঠতি বয়সী যুবকরা রাস্তায় উচ্ছৃঙ্খলতা করে থাকেন, এসব বিষয়েও পুলিশ আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে।

যে কোনো ধরনের অভিযোগ, সন্দেহজনক কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর সন্ধান পেলে পুলিশকে অবহিত করার অনুরোধ করেছেন তিনি।
এক প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার বলেন, থার্টিফার্স্ট উদযাপনে সুনির্দিষ্ট কোনো হুমকি নেই। আমরা যে কোনো বিষয়ে অগ্রিম তথ্য সংগ্রহ করে তৎপর রয়েছি। বহির্বিশ্বে বিভিন্ন নাশকতার প্রেক্ষাপট বিবেচনায় আমরা প্রিভেন্টিভ ব্যবস্থা নিয়েছি।

Top