নগর গোয়েন্দা পুলিশের অভিযান; বিপুল পরিমান ভেজাল ঔষুধ উদ্ধার ও গ্রেফতার-০৩

24740701_1185808291553523_1290233252_n.jpg

মোঃশহিদুল ইসলাম সুমন
ষ্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম।
বন্দর নগরী চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ থানাধীন মোহাম্মদপুর পশ্চিম ষোলশহর সুন্নীয়া মাদ্রাসা রোডস্থ সাইকা ফার্মেসীতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমান ভেজাল ঔষুধ উদ্ধার সহ ০৩ আসামীকে গ্রেফতার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।

গ্রেফতারকৃত আসামীঃ ১) মোঃ শহিদ উল্লাহ@ সুমন (৩৭), পিতা-ছালে আহাম্মদ, মাতা-জোবাইদা বেগম, সাং-চাপরাশীর হাট, থানা-কবিরহাট, জেলা-নোয়াখালী, বর্তমানে-পাহাড়তলী বার কোয়ার্টার, লেকভিউ রৌশন মঞ্জিল, থানা-পাহাড়তলী, জেলা-চট্টগ্রাম, ২) মোঃ শরীফুল ইসলাম মাসুদ (৩০), পিতা-মৃত ফয়েজ উল্লাহ মাস্টার, মাতা-মৃত আয়শা বেগম, সাং-বাউরিয়া, মৌলভী ইব্রাহিম সওদাগরের বাড়ি, থানা-স›দ্বীপ, জেলা-চট্টগ্রাম, বর্তমানে-সাইকা ফার্মেসী, সুন্নিয়া মাদ্রারাসা রোড, মোহাম্মদপুর, পশ্চিম ষোলশহর, থানা-পাঁচলাইশ, জেলা-চট্টগ্রাম, ৩) রাসেল বড়–য়া (২২), পিতা-সুন্দ্রে বড়–য়া, মাতা-বিকুলী বড়–য়া, সাং-রেজুলকুল, ০৮নং ওয়ার্ড, রাজাপালং, থানা-উখিয়া, জেলা-কক্সবাজার, পলাতক আসামী ৪) মোঃ জাকির, পিতা-অজ্ঞাত।

০৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ইং তারিখ রাত ০৮.৪৫ ঘটিকায় মহানগর গোয়েন্দা বিভাগের পুলিশ পরিদর্শক জনাব মোঃ হাবিবুর রহমান এর নেতৃত্বে এসআই/আজাহারুল ইসলাম, এসআই/রূপন কুমার দে সঙ্গীয় ফোর্স সহ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পাঁচলাইশ থানাধীন মোহাম্মদপুর পশ্চিম ষোলশহর সুন্নীয়া মাদ্রাসা রোডস্থ সাইকা ফার্মেসীতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমান ভেজাল ঔষুধ উদ্ধার সহ ০৩ আসামীকে গ্রেফতার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ১নং আসামী জানান যে, সে দীর্ঘ দিন যাবৎ এক্মি, এমএসটি ফার্মা, ডেল্টা ফার্মা, ল্যাব অ্যাইড ফার্মা ও সর্বশেষ ভার্গো ফার্মাসিউটিক্যালস লিঃ এ এরিয়া ম্যানেজার হিসাবে চাকুরি করছিল। তার সহিত ২০১০ সালে দি এক্মি ল্যাবরেটরিজ এর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ এরিয়া ম্যানেজার মোঃ জাকির এর সাথে পরিচয় হয়। পরবর্তীতে মোঃ জাকির চাকরি ছেড়ে দিয়ে বিভিন্ন নামী-দামি ঔষধ কোম্পানীর ঔষধ নকল করা শুরু করে। ১নং আসামী মোঃ শহিদ উল্লাহ পলাতক আসামী মোঃ জাকির এর নিকট হতে দীর্ঘ দিন যাবৎ ভেজাল ঔষধ আনয়ন করিয়া চট্টগ্রাম শহর এলাকায় ২নং আসামীর ফার্মেসীতে মজুদ করিয়া ৩নং আসামীর প্রত্যক্ষ সহায়তায় সরবরাহ ও বিপনন করিয়া আসিতেছিল বলিয়া স্বীকার করে।

গ্রেফতারকৃত ও পলাতক আসামীদের বিরুদ্ধে পাঁচলাইশ থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।

Top