হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পাথর আমদানি কমেছে

images-6.jpg

সোহেল রান হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি।
দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পাথর আমদানি অর্ধেকের নিচে নেমে এসেছে ভারতের মালদা পুলিশ কর্তৃপক্ষ সম্প্রতি ট্রাকে করে রফতানি পণ্য পরিবহনের সীমা বেঁধে দেয়ায় ও অতিরিক্ত পণ্য পরিবহন বন্ধ ঘোষণা করার কারনে। আর সরবরাহ কমে যাওয়ায় দেশের বাজারে তিনদিনের ব্যবধানে পাথরের দাম টনপ্রতি বেড়েছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা। এদিকে পাথর আমদানি কমে যাওয়ায় দেশে চলমান বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে বাধাগ্রস্ত হবে বলে ব্যবসায়ীরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

হিলি স্থলবন্দর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, দেশের বাজারে ভালো চাহিদা থাকার কারণে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আগে প্রতিদিন ৪৫ থেকে ৫০ ট্রাক ছোট বড় বিভিন্ন ধরনের পাথর আমদানি হতো। বর্তমানে ট্রাকে অতিরিক্ত পণ্য পরিবহন বন্ধ করে দেয়ায় বন্দর দিয়ে পাথর আমদানি কমে এসেছে। বর্তমানে বন্দর দিয়ে ৫ থেকে ১০ ট্রাক পাথর আমদানি হচ্ছে। এসব ট্রাকে পাথর আসছেও কম। ১২ নভেম্বর ৪০টি ট্রাকে ১ হাজার ৭৬৮ টন পাথর আমদানি হয়। ১৫ নভেম্বর তিনটি ট্রাকে আসে ১১৩ টন পাথর। ১৬ নভেম্বর ১০টি ট্রাকে ২৪৩ টন পাথর আমদানি হয়। চলতি মাসের ১৬ তারিখ পর্যন্ত বন্দর দিয়ে ৪৪৯টি ট্রাকে মোট ১৭ হাজার ৮৩৬ টন পাথর আমদানি হয়েছে। অক্টোবরে ৫২৩টি ট্রাকে আমদানিকৃত পাথরের পরিমাণ ছিল ২৪ হাজার ৬৮৭ টন।

হিলি স্থলবন্দর আমদানি-রফতানিকারক গ্রুপের সভাপতি মো. হারুন উর রশীদ হারুন জানান, মালদা পুলিশ কর্তৃপক্ষ ছয় চাকার ট্রাকে নয় টন, ১০ চাকার ট্রাকে ১৫ টন, ১২ চাকার ট্রাকে ২১ টন ও ১৪ চাকার ট্রাকে ২৫ টন পণ্য পরিবহনের নির্দেশনা দিয়েছে। এ কারণে ভারত থেকে পাথর আমদানি কমে এসেছে। বর্তমানে অল্পকিছু ট্রাকে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা পাথর রফতানি করছেন, কিন্তু এতে আমদানিকারকদের বাড়তি খরচ হচ্ছে। কারণ ট্রাকের চাকা অনুযায়ী যে পরিমাণ পাথর পরিবহনের নির্দেশনা রয়েছে, তাতে পণ্য পরিবহনে খরচ বেড়ে গেছে। আগে একটি ট্রাকে প্রকারভেদে ৩৫ থেকে ৪০ টন পাথর এলেও নতুন নির্দেশনার কারণে বর্তমানে একই ট্রাকে ২৫ টন পাথর আসছে। বিষয়টির সমাধান না হলে বন্দর দিয়ে পাথর আমদানি আরো কমে যাবে বলে আশঙ্কা করেন তিনি।

Top