পাষন্ড পুত্রই পিতার হত্যাকারি; আদমদীঘিতে অগ্নিদগ্ধে নিহত ঘটনার চাঞ্চল্যকর তথ্য উদঘাটন

Untitled-2-15-600x381.jpg

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি ঃ
বগুড়ার আদমদীঘিতে অগ্নিদগ্ধে নিহত ঘটনার চাঞ্চল্যকর তথ্য মিলেছে। তালাক দেয়া স্ত্রীকে ফিরে পেতেই নিজ পিতা আব্দুল হামিদকে পুড়িয়ে হত্যা ও মাতা হাফছাকে অগ্নিদগ্ধে আহত করার ঘটনা ঘটিয়েছে তাদেরই ঔরশজাত পাষন্ড পুত্র ওয়াহেদুল। গত রোববার ওয়াহেদুল তার পিতাকে হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে। এদিকে অগ্নিদগ্ধে আহত মাতা হাফছা এখন হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। এ ঘটনায় নিহতের অপর ছেলে শাহাজান আলী বাদি হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। ওসি এসএম ওয়াহেদুজ্জামান জানান, নিহত আব্দুল হামিদের ছেলে ওয়াহেদুল তার তালাক দেয়া স্ত্রী মর্জিনাকে পুনরায় ফিরে নেয়ার জন্য তার বাবা ও মাকে চাপ দিত। এতে বাবা মা রাজি ছিলনা। এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে ছেলে ওয়াহেদুল ঘটনার রাতে বাবা মাকে কৌশলে চেতনানাশক ঔষধ খাইয়ে অচেতন করার পর শয়ন ঘরে কেরোসিন তেল ঢেলে আগুনে পুড়িয়ে পিতা আব্দুল হামিদ (৫৫)কে হত্যা ও মা হাফছাকে দগ্ধ করে বলে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দেয়।
উল্লেখ্য ঃ
গত ৯ নভেম্বর দিবাগত রাতে আদমদীঘির কুশাবাড়ি গ্রামে শয়ন ঘরে কেরোসিন তেল ঢেলে আগুন দিয়ে আব্দুল হামিদ (৫৫) কে পুড়িয়ে হত্যা ও তার স্ত্রী হাফছা বেগম (৪২) অগ্নিদদ্ধ হয়ে আহত হয়। আলোচিত এই ঘটনার পরদিন সকালে পুত্র ওয়াহেদুলকে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করার পর তাকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে সে তার পিতৃহত্যার এই চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস করে।

Top