সিলেট হয়ে মণিপুরের দিকে যাচ্ছে ‘মোরা’

IMG_20170530_141552.jpg

নিউজ ডেস্ক :
ঘূর্ণিঝড় মোরা সিলেট হয়ে ভারতের মণিপুরে গিয়ে শেষ হবে। তবে সিলেটে ঝড় বা বাতাস না হলেও হালকা বা ভারী বৃষ্টি হতে পারে। জানালেন আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক সামসুদ্দিন আহমেদ।
মঙ্গলবার বেলা ১১টায় আবহাওয়া অধিদপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।
সামসুদ্দিন আহমেদ জানান, এটির শক্তি ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে। তবে যেকোন স্থানে যে কোনো সময় ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
এদিকে প্রচুর বৃষ্টিপাতে ঘূর্ণিঝড়টি দুর্বল হয়ে নিম্নচাপে রূপ নিয়েছে। তবে এখনো কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকে ১০ নম্বর এবং মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৮ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, পটুয়াখালী সহ উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টি ও প্রবল বাতাসে অনেক গাছপালা উপড়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অনেক ঘরবাড়ি। ঘূর্ণিঝড় কবলিত এলাকাগুলোতে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। ঝড়াক্রান্ত এলাকার লোকজনকে আশ্রয়কেন্দ্রে নেয়া হয়েছে।
চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং কক্সবাজার বিমান বন্দরে বিমান চলাচল বন্ধ রয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দরের সব কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
ঝড়ে কক্সবাজার উপকূলীয় এলাকার দুই লক্ষাধিক মানুষকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। গঠন করা হয়েছে ৮৮টি মেডিক্যাল টিম। আশ্রয়কেন্দ্রে আসা লোকজনের নিরাপত্তার পাশাপাশি নেওয়া হয়েছে খাদ্য সরবরাহেরও ব্যবস্থা।
সোমবার সন্ধ্যা থেকে চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর ও কক্সবাজার উপকূলীয় এলাকায় ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অফিস। এছাড়াও উপকূলীয় জেলা নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর এবং এগুলোর অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোও ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।
উপকূলীয় জেলা বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, পিরোজপুর, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং এগুলোর অদূরবর্তী দ্বীপ ও চর থাকবে ৮ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায়।
তথ্যসুত্র : আরটিভি অনলাইন

Top