সুনামগঞ্জে ইবাদত-বন্দেগিতে পালিত হচ্ছে পবিত্র শবে বরাত

rwerwe-.jpg

এম এ মোতালিব ভুঁইয়া, সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি :: ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সুনামগঞ্জে পালিত হচ্ছে সৌভাগ্য রজনী পবিত্র ‘শবে বরাত’। আরবিতে একে বলা হয় ‘লাইলাতুল বরাত’। এ রাতে মহান আল্লাহতায়ালা বিশ্বমানবতার জন্য তার রহমতের দরজা খুলে দেন।

মহান আল্লাহর রহমত পাওয়ার আশায় নফল নামাজ, কোরআন তেলাওয়াত, জিকির, ওয়াজ ও মিলাদ মাহফিলসহ ইবাদত-বন্দেগীর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বের ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ পালন করছেন পবিত্র এ রাতটি।

পবিত্র দিনটি উপলক্ষে সুনামগঞ্জের মসজিদ, মাদ্রাসা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে আলোচনা, মিলাদ-মাহফিল ও নফল ইবাদতের আয়োজন করা হয়েছে। ঘরে ঘরে চলছে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত ও নফল নামাজ আদায়।

ভোর পর্যন্ত ইবাদত বন্দেগিতে বিনিদ্র রজনী পার করবেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। রাতব্যাপী ইবাদত ছাড়াও মহিমান্বিত এই রজনীতে মরহুম পিতা-মাতা, আত্মীয়-স্বজনসহ প্রিয়জনদের কবর জিয়ারত করেছন অনেকে।

হিজরি বর্ষপঞ্জির শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিনগত রাতটি হলে পবিত্র শবে বরাত। দুনিয়াজুড়ে মুসলমানদের কাছে দিনটি অত্যন্ত পবিত্র। মহিমান্বিত এ রাতে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা বিগত জীবনের সব ভুল-ভ্রান্তি, পাপ-তাপের জন্য গভীর অনুশোচনা করে মহান আল্লাহ তাআলার দরবারে কায়মনো বাক্যে ক্ষমাপ্রার্থনা করেন। রোজা রাখা ও নফল নামাজ, জিকির-আজকার, পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে বিনম্র প্রার্থনা করেন ভবিষ্যৎ জীবনে পাপ-পঙ্কিলতা পরিহার করে পরিশুদ্ধ জীবনযাপনের জন্য।

এ রাতের গুরুত্ব সম্পর্কে পবিত্র হাদিস শরীফে বলা হয়েছে, পরবর্তী বছরের হায়াত, মউত, রিজিক, দৌলত, আমল প্রভৃতি যাবতীয় আদেশ নির্দেশ এ রাতেই ফায়সালা করা হয়

Top