আবু বক্কর ছিদ্দিক,মহেশখালী:
কক্সবাজারের মহেশখালী-সোনাদিয়া দ্বীপের জীববৈচিত্র্য ধ্বংস করে উন্নয়ন করা মানে,পুরো দ্বীপবাসীকে ধ্বংস করে দেওয়ার মতো হবে। বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি বিজড়িত সোনাদিয়া দ্বীপ রক্ষায় সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান । মাতারবাড়ী কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র হলে দ্বীপের কয়েক লক্ষ মানুষ বেকার হওয়ার পাশাপাশি উদ্বাস্তু হবে হাজার হাজার পরিবার। এভাবে যদি সকলে চুপ হয়ে থাকে তাহলে প্রকৃতি তার চরম প্রতিশোধ নিবে। দয়াকরে একবার আপনার মাটির গন্ধ নিয়ে দেখুন কি বেকুলতায় আছে ।
“রক্ষা করুন পরিবেশ , বেঁচে থাকুক জীববৈচিত্র্য” মহান বিজয় দিবস ২০১৯ উদযাপিত হোক পরিবেশ সুরক্ষার অঙ্গীকার এই স্লু-গানকে সামনে রেখে , ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে কক্সবাজার জেলার একঝাঁক সংবাদকর্মী সোনাদিয়ায় গিয়ে এ অবস্থান কর্মসুচীর মধ্যদিয়ে উপরোক্ত কথা গুলো বলেন ।
তারা বলেন , ছোট একটা পাহাড়ী দ্বীপে এত গুলো পরিবেশ ধ্বংস কারী প্রকল্প নির্মাণ করা মানে পুরো মহেশখালীবাসিকে নিশ্চিন্ন করা । মহেশখালীতে প্রকল্পের কারনে ভরাট হয়ে যাওয়া কোহেলিয়া নদী খননের দাবী জানিয়ে তারা আরো বলেন , এই নদীর উপর নির্ভরশীল হাজারো অধিক জেলে নদীতে মাছ শিকার করতে না পারায় বর্তমানে তাদের পরিবারে চলছে নিরব কান্না । তাই মহেশখালীতে অধিক প্রকল্প নির্মাণ হলে এই দ্বীপে স্থায়িত্বকারী বহুজাতিক সামুদ্রিক জীব-বৈচিত্র্য বিলুপ্ত হবে । পাশাপাশি দ্বীপের চতুর্পাশে প্রাকৃতিক ভাবে জেগে উঠা চর গুলোতে সৃষ্ট প্যারাবন গুলোও ধ্বংস হয়ে পরিবেশ ও প্রতিবেশের মারাত্মক প্রভাব পড়বে ।