আহমেদ সজিবের কবিতা–প্রতীক

47352082_1988736891246880_8264599752859975680_n.png

দিনের আলোয় ফেরেশতা ফেরে এ লঙ্কাপুরীর দেশে।
রাতের তমসায় শয়তান হুমড়ি খায় উন্নয়নের বেশে।
এক চাঁদে দুই সূর্যের হাতছানি;
শুরুতে ধোঁকা,সমাপনীতে বেইমানি।

মূর্তিমান এমন মূর্খ কাজ করে মোরা মুহ্যমান জ্যোতিষী,
চাড়াল মন ভাগাড়ে রাবণেকুলের পড়শি।
এমন জরিমানায় ঠাসা অগ্রগতির চক্রগতি।
মায়ের জঞ্জাল সৃজনে ধুয়েছি মধুমতি।

বৃক্ষের পত্রপল্লবে নিষ্পাপ শিশুর হাস্যোজ্জ্বল স্নান।
নিষ্ঠুর বিবেচনা,পাশবিকতায় বৃক্ষমূল উৎপাটিত, চাঞ্চল্য ম্লান।
পঙ্গু নাগরিকত্বে কলুষিত করেছি ভঙ্গ ইতিহাস।
মড়ার খাটে যৌবন রেখে হয়েছি পতিতাবৃত্তির ফাঁস।

মোরা দেশের কথা বলি।
দশকে রেখে শূণ্যের কোটায় পাপের খোঁটায় চলি।
পুষ্পমেঘে করভের তাণ্ডবে বিপন্ন পরিহাসের জ্ঞাতি,
হরিণ শাবক ঈষাণের ঝড়ে ছুড়ে মোরা সুপুরুষ পতি।

নীতির বাণে জর্জরিত দুর্নীতির প্রজ্ঞায় বলীয়ান তেজ।
গলাকেটে লাজের প্রহসনের সম্ভ্রম হারায় ক্ষুব্ধ আমেজ।
রক্ত মোদের কালো,চোখ ক্রোধাগুনে লাল,
শরতের অভিশাপ অভিযুক্ত অন্তরের দ্বিজেন্দ্রলাল।

মোরা অশ্রু ঝর্ণার উৎসের প্রতীক।
মহীয়ান হয়েছি চতুষ্পদ হয়ে লেজে ঢেলে বাতিক।
দেশকে এগোতে মোদের নিতেই হবে।
প্রশ্ন শেষে, “ভালো হওয়ার অধিকার পাব কবে?”

————–
আহমেদ সজিব
শিক্ষার্থী ( ১ম বর্ষ)
শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

Top