চট্টগ্রাম–১৩ আসনে অাওয়ামীলীগের আস্থা জাবেদের উপর, দ্বিধাবিভক্তি বিএনপিতে

47497812_362862234276196_8798785021809786880_n.jpg

ডি এইচ মনসুর ্র;
চট্টগ্রাম আনোয়ারা ১১ টি ও কর্ণফূলী ৫টি সহ মোট ১৬টি ইউনিয়ন নিয়ে চট্টগ্রাম ১৩ আসনে আনোয়ারা ৬৭টি কেন্দ্রে ১ লক্ষ ৯৮ হাজার ৬৪২ জন ভোটার এবং কর্ণফূলী ৩৯ টি কেন্দ্রে ১ লক্ষ ১০ হাজার ৭৫৭ জন ভোটারের মধ্যে সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে কে হতে যাচ্ছে অাগমীর সাংসদ । এই নিয়ে চলছে সাধারণ মানুষের মাঝে নির্বাচনী হিসাব নিকাশ। এই আসন থেকে ১০ জন প্রার্থী মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলেও তার মধ্যে ৭ জনের মনোনয়ন পত্র বৈধ এবং ৩ জনের মনোনয়ন পত্র বাতিল হয়ছে। বৈধ প্রার্থীরা হলেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, বিএনপির সাবেক সংসদ সরওয়ার জামাল নিজাম ও বিএনপি নেতা মোস্তাফিজুর রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ ইরফানুল হক চৌধুরী, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মাওলানা রশিদুল হক, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মহাসচিব এম,এ, মতিন, ইসলামীক ফ্রন্ট বাংলাদেশ, ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী রিজভী । যাদের প্রার্থীতা বাতিল হল ,তারা হল স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ জামাল আহমদ, গণ ফোরামের উজ্জ্বল ভৌমিক ও বিএনএফের নারায়ন রক্ষিত।
সাত জনের প্রার্থীতা বহাল থাকলে ও তার মূলত প্রতিদন্ধিতা হবে হ্ নৌকা ও ধানের শীষ প্রতীকের মধ্যে।
ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ আওয়ামী লীগের একক প্রার্থী হওয়ায় নেতা কর্মীদের মধ্যে খুশি অার আমেজ ফির এসেছে।
চলছে ওয়ার্ড কমিটি গঠন ও উঠান বৈঠক সহ নির্বাচনী প্রচার প্রচারনা।
অন্যদিকে ধানের শীষ নিয়ে বিএপির কৌশলগত কারনে ২ জনকে মনোনয়ন দেওয়া হয়। নির্বাচন কমিশনের মনোনয়ন যাচাই বাচাইয়ে দুইজনই ঠিকে যাই।
ফলে বিএনপির নেতা কর্মীদের মাঝে এ নিয়ে দ্বিধাদ্বন্ধ চলছে। মনোনয়ন যিনি পাবেন অল্প দিনে মধ্য মাঠ গুছাতে পারবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে অনেক মধ্য।
আনোয়ারা উপজেলার নেতা কর্মীদের সাথে কথা বলে জানা যায় ধানের শীষ নিয়ে যিনি চূড়ান্ত মনোনয়ন পাবেন তাকে নিয়ে অামরা ধানের শীষে বিজয় নিশ্চিত করব।
তারা অারও বলেন দল যাকে চূড়ান্ত মনোনায়ন দিবেন অামরা তার পক্ষে কাজ করব।

Top