স্বরূপকাঠিতে বাল্য প্রেমে ঘর ছাড়া জে এস সি পরীক্ষার্থী

received_252789972058091.png

হাসিবুল হাসান, স্বরূপকাঠি প্রতিনিধি।
প্রেম স্বর্গীয়, প্রেম পবিত্র অথচ ইচড়ে পাকা দৈহারীর এ কে ইনষ্টিটিউটের অষ্টম শ্রেনীর ছাত্রী প্রেমের নামে ঘর ছাড়ে। গত বুধবার নয়টার দিকে রাতের অন্ধকারে ভরতকাঠী আইয়ুবের মেয়ে লিজা (১৩) ঘর হতে পালিয়ে প্রেমিকের বাড়ী রাজাবাড়ী এলাকায় চলে যায়। বলদিয়া ইউনিয়নের সাবেক তরকারী বিক্রেতা মৃত চান মিয়ার ছেলে সাইফুলের বাসায় হাজির হয় রাতের বেলা বিয়ের দাবীতে। এ ব্যাপারে রাজাবাড়ির বর্তমান মেম্বার মো. জাহিরুল গণমাধ্যম কর্মীদের জানান, আমার ওয়ার্ডে ভরতকাঠী থেকে অষ্টম শ্রেনীর একটি মেয়ে আসে মৃত চান্দুর ছেলে সাইফুলের বাসায়। রাতে নারী বিষয়ক ঘটনার কথা সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে। অপ্রাপ্ত কুমারী ছেলে মেয়েরা খারাপ কিছু করার আগেই এলাকার সচেতন মহল লিজাকে চৌকিদারের পরামর্শে মেয়ের এক আত্মীয়ের বাসায় থাকার নির্দেশ প্রদান করেন। তবে প্রেমিক সাইফুল ঘটনার পর থেকেই গাঢাকা দিয়েছে।
এ ব্যাপারে রাজাবাড়ির মেম্বারসহ সাবেক চেয়ারম্যান মো. মহিউদ্দিন আহম্মেদও বিষয়টি নিয়ে অবগত আছে। তবে এলাকার মেম্বার তাৎক্ষনিক ভাবে স্থানীয় প্রশাসনকে অবগত করেন। পাশাপাশি মেয়ের বাবা আইয়ুব ফকিরসহ মেয়ের ভাইদেরও অবগত করেন রাতের বেলায়। অথচ বৃহস্পতিবার বিকাল তিনটা পর্যন্ত মেয়ের পরিবার ভরতকাঠী থেকে আসেনি। এদিকে এলাকার মিডিয়াকর্মীরা বলদিয়ার রাজাবাড়ী এলাকায় যান ইচড়ে পাকা লিজাকে দেখতে। সাংবাদিকরা লিজাকে প্রশ্ন করলে লিজা মিডিয়াকে বলেন, গত তিন বছর ধরে আমার জানখ্যাত সাইফুলের সাথে প্রেম প্রেম খেলা খেলে আসছি। লিজা আরও জানান, আমি এ বছর জেএসসি পরীক্ষা দিয়েছি। মিডিয়ার আর এক প্রশ্নের জবাবে বাল্যবিবাহের বিষয়ে প্রশ্ন করেন। জবাবে লিজা বলেন, বাল্য বিবাহ ভাল নয়। তবে আমার বয়স হয়েছে। আমি তিন বছর যাবৎ প্রেম করে যাচ্ছি সাইফুলের সাথে। আমরা স্বামী স্ত্রীর মতন তিন বছরে বহুবার মিলিত হয়েছি। অবশ্য সাইফুল কৌশলে মিডিয়ার প্রশ্ন এড়িয়ে যান।
এদিকে সর্বশেষ তথ্যমতে এলাকার লোকজনসহ মেম্বার ও প্রশাসন পড়েছে বেকায়দায়। ডিজিটাল যুগের আধুনিক ইচড়ে পাকা প্রেমিক প্রেমিকার বয়স হয়নি। অথচ বিগত সময় থেকেই প্রেমের নামে শারীরিক সম্পর্ক করে চলতি সময়ে উত্তাল সাগরে হাবুডুবু খাচ্ছে। এ ব্যাপারে এলাকার সুশিল সমাজ মিডিয়াকে জানান, এদেরকে আইনের হাতে তুলে দিয়ে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি চায়। আর শাস্তি না হলে লিজা ও সাইফুলের মত বেয়াদব খ্যাত জুটিরা আইনকে বৃদ্বা আঙ্গুল দেখাবে আগামীতে। পাশাপাশি গুঞ্জন উঠেছে এলাকার হয়তো একটি পক্ষ ধামাচাপাও দিতে পারে।

আসুন সবার আগে বাল্য বিবাহকে না। বাল্য প্রেমকে না বলি।

Top