খাইরুল ইসলাম তুহিন’র কবিতা–‘নটের দুঃখ’

received_2052136311499971.png

———
কতটুকু কষ্ট পেলে মানুষ হৃদপিণ্ড উপড়ে ফেলতে পারে,
কতটা অসহায় হলে বারবার শৈরাচারী রাজার নিকট নির্দয় আশ্রয় প্রার্থনা করে?
রক্তিম অধরে বিষাদ নীলিমার রেখা,
প্রেয়সীর চির পরিচিত অবয়বে আজ হিংস্র দানব।

কতটুকু পাষাণ হলে মানুষ আপন কে করে দূরীভূত, পর কে আপন,
ভাগাড়ে ঠেলে দিয়ে নাক চেপে ফিরে আসে!
মৃত্যুর কোলে দোল খেয়ে খেয়ে করি নতুন জীবন আস্বাদন। বেদনা সমুদ্রে অবগাহন করে বলি এই তো জীবন, এই তো জীবন।

বুকের দহনে নিত্য মৃত্যু স্বাদ, কষ্টের কষ্টি পাথর খাঁটি করে মন,
বেদনার স্পর্শে পূর্ণতা পায়, অপূর্ণ জীবন।
কলিজা পুড়া কটু গন্ধে বুক পেট ভরপুর,
বেদনা গাত্র আলিঙ্গন করে বলি এই তো জীবন, এই তো জীবন।

প্রেয়সীর পুণ্য বদনে পাংশু মেঘের ভীড়
করুণার অক্ষিপটে ধূসর খড়া,
নগ্ন অগ্নি মূর্তি করুণাহীন অবয়বে শৃগালের পাষাণ নৃত্য,
মৃত্যু কে ভাবে খেলা, জন্মের মতোন।
বেদনার আঘাতে বুকে ফুটে বিষন্ন কমল,
করুণার পক্ষাঘাতে হাঁপিয়ে উঠে বলি এই তো জীবন,এই তো জীবন!
————
খাইরুল ইসলাম তুহিন
শিক্ষার্থী ,দর্শন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

Top