“শিশুর মানসিক চাপ কমাতে স্কুল ও শিক্ষকের ভূমিকা”–ড.শবনম জাহান

IMG_20181114_224620.jpg

—————————————-
শিশুরা সাধারণত দিনের অর্ধেক সময় কাটায় তার স্কুল এবং শিক্ষকের কাছে।এক্ষেত্রে তার দৈনন্দিন জীবনে মা-বাবার পরপরই শিক্ষকের ভূমিকা অপরিসীম।

তেমনি শিশুমনের বিকাশে মা-বাবার পরে শিক্ষকের অবদান অনস্বীকার্য।মনোরোগ চিকিৎসকেরা বলেছেন,”খুদে পড়ুয়াদের উপরে যখনই কোনো শিক্ষক বা শিক্ষিকার রাগের বহি:প্রকাশ ঘটে,অধিকাংশ ক্ষেত্রে তাদের মধ্যে তখন কাজ করে মানসিক ও পারিবারিক সমস্যা।

কিছু বেসরকারি ইংরেজী মাধ্যম স্কুলে কাউন্সেলিংয়ের ব্যবস্থা যদিও রয়েছে কিন্তু সরকারি স্কুলে তার বিন্দুমাত্র সুযোগ নেই।এখনও অনেক ক্ষেএে দেখা যায় যে,শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা ছাড়া আর কোনো বিষয় যাচাই-বাছাই করা হয়না।

তাদের মনে যাতে সেই সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী ছাপ না ফেলে তার জন্য পদক্ষেপ নিতে হবে স্কুল কর্তৃপক্ষের। কাউন্সেলিং সেন্টার থাকা প্রয়োজন সব স্কুলেই।

খুব সকালে যে বইয়ের পাহাড় নিয়ে বাচ্চারা স্কুলে যায় তার সমপরিমান বাড়ীর কাজ নিয়ে তারা বাসায় ফিরে। তাহলে একটা শিশুর খেলাধূলা বা অন্যান্য কাজে অন্তর্ভুক্তি হবার সুযোগ কোথায়? স্কুলের পড়া স্কুলে শেষ করে এবং খেলার মাধ্যমে শিক্ষা আর সৃজনশীলতা প্রস্ফুটিত করা হতে পারে এর অন্যতম একটি সমাধান।

এ মর্মে পরীক্ষা ভীতি কমানো হতে পারে আরেকটি ধাপ। সর্বোপরি সম্মান আর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এ দুই রাস্তার মাঝে সমতা এনে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে।মনে রাখতে হবে, শিশুর মনের বিকাশে স্কুল এবং শিক্ষকের ভূমিকা অনস্বীকার্য এবং অতুলনীয়।

লেখিকা:
ড.শবনম জাহান
সহযোগী অধ্যাপক,
ব্যবস্খাপনা বিভাগ,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
প্রভোস্ট,বাংলাদেশ কুয়েত-মৈএী হল,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

Top