সুনামগঞ্জ -৫(ছাতক-দোয়ারাবাজার) আসনে বিএনপি’র মনোনয়ন কিনলেন মিজান চৌধুরী

46094162_291110448166426_3404729852392112128_n.jpg

এম এ মোতালিব ভুইয়া, সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি :
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ -৫ (ছাতক-দোয়ারাবাজার) আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম কিনেছেন বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, ছাতক উপজেলা পরিষদের সাবেক সফল চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান চৌধুরী মিজান।
সোমবার বেলা দুইটার দিকে নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সিলেট বিভাগীয় বুথ থেকে তিনি এ মনোনয়নপত্র কেনেন। এসময় তার সাথে দলের নেতাকর্মীও উপস্থিত ছিলেন।
একাদশ সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ – ৫ (ছাতক-দোয়ায়াবাজার) আসনে বিএনপি’র মনোনয়ন পেতে ব্যাপক কাজ করে যাচ্ছেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, ছাতক উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান চৌধুরী মিজান। সুনামগঞ্জ – ৫ (ছাতক-দোয়ারাবাজার) আসনে এবার পরিবর্তনের হাওয়া বইছে। জনমুখী নানা ইতিবাচক কর্মকান্ড আর সুখে-দুঃখে সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে থাকা স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম সাহসী ছাত্রনেতা মিজানুর রহমান চৌধুরী মিজান এগিয়ে আছেন। আগামী জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি’র ধানেরশীষ প্রতীকের মনোনয়ন প্রত্যাশী মিজান চৌধুরী তাদের মধ্যে অন্যতম। দলীয় সূত্রমতে, বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ও সিনিয়র ভাইস-চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আস্থাভাজন মিজান চৌধুরীকে নিয়ে সুনামগঞ্জ – ৫ আসনের দলীয় নেতাকর্মীরা স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে। বিভিন্ন ইতিবাচক কর্ম আর বিচক্ষণ নেতৃত্বগুণে ইতিমধ্যে ছাতক ও দোয়ারাবাজার বাসীর আস্থা ও ভালাবাসা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন মিজান চৌধুরী । ছাতক ও দোয়াবাবাজার বাসী বেগম খালেদা জিয়ার স্নেহধন্য মিজান চৌধুরীকে সুনামগঞ্জ -৫ আসনের এমপি হিসেবে পেতে চায়। একাদশ সংসদ নির্বাচনে
সুনামগঞ্জ -৫(ছাতক-দোয়ারাবাজার) আসনে বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশী বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, ছাতক উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান , ৯০’র স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম নেতা মিজানুর রহমান চৌধুরী মিজান তার নিজ নির্বাচনী এলাকায় নানান কর্মকান্ডে আত্মনিয়োগ করছেন। দলীয় কর্মসূচির পাশাপাশি সামাজিক কর্মকান্ডের তাদেরকে সক্রিয়ভাবে যোগ দিতে দেখা গেছে। নিজ নির্বাচনী এলাকার সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন বলেও জানা গেছে। অন্যদিকে ওই নির্বাচনী এলাকার জনগণও তাদেরকে সাদরে গ্রহণ করছে বলেও জানিয়েছে একটি সূত্রে। এ ব্যাপারে ছাতক উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ফারুক আহমেদ ও দোয়ারাবাজার উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি শাহজাহান মাষ্টার বলেন,মিজান চৌধুরী সুনামগঞ্জ -৫ আসনের জনসাধারণকে যেভাবে বুকে জড়িয়ে নিয়েছেন, তাদের সুখেদুঃখে সবসময় পাশে থাকে, তা সত্যি অভূতপূর্ব। সে হাসিমুখে সবার মন জয় করে নিয়েছে। তাই আমরা আগামীতে সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ -৫ আসনের এমপি হিসেবে পেতে চাই।

জানাযায়,মিজান চৌধুরী ছাত্র জীবনে ছাত্রছাত্রীর অধিকার আদায়ের সংগ্রামে তাদের স্নেহ মমতা আর দূরন্ত ভালোবাসায় শিক্ত হয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে অংশ গ্রহন করে বিজয়ী হলেন সিলেট সরকারী কলেজ ছাত্র সংসদের জিএস পদে। নেতৃত্বের গুণাবলী আর সফলতার প্রতিধ্বনি নিয়ে পরবর্তীতে আবার নির্বাচিত হলেন ছাত্র সংসদের ভিপি পদে।শ্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের রাজপথে সফলতায় সর্বজনের প্রিয় মূখ ছিলেন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হয়ে সিলেট জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক দায়িত্ব পালনে দলের প্রতি উজাড় করা ভালোবাসা সাহস এবং ত্যাগের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতাদের দৃষ্টি কাড়েন। শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বিতার সাথে লড়াই করে ১৯৯৬ সালে সিলেট জেলা ছাত্রদলের সভাপতি নির্বাচিত হলেন। মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ে দলের জন্য ভূমিকা রেখেছেন অভিরাম, প্রশংসিত হয়েছেন সর্ব মহলে। কৃতিত্বের পুরস্কার হিসেবে জাতীয় রাজনীতিতে অভিষেক, দায়িত্ব পেয়ে যান জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি দুই মেয়াদে কেন্দ্রীয় দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৮ সালে সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি হলের নাম করন নিয়ে পুরো সিলেট জুড়ে নামকরন বিরোধী আন্দোলন শুরু হয়,উত্তপ্ত হয়ে উঠে সিলেটের রাজপথ, আন্দোলনকে দাবানলে রূপান্তর করতে তার নেতৃত্বে গড়ে উঠে সর্বদলীয় ছাত্রঐক্য যার আহবায়ক তিনি নিজে। তার রাজনৈতিক রণকৌশলে সরকার বেকায়দায় পড়ে যায় এক সময় আন্দোলনের দাবানল মোকাবেলা করতে আওয়ামী সরকার সিলেটে পুলিশ বিডিআর মাঠে নামায় আন্দোলনকারীদের উপর গুলিবর্ষনের নির্দেশ করা হয়,এমন নির্দেশের পরও তিনি নেতৃত্বের সামনে থেকে সরে দাড়াননি। অনেক মামলার ফেরারী হয়ে নামকরন বিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন, সিলেটে ছাত্রজনতা সুধীমহল সফল হয়েছিল,সরকার পিছুহঠতে বাধ্য হয়। তার সৃষ্টিশীল নেতৃত্বগড়ার নৈপুন্যে সিলেট বিভাগজুড়ে অজস্র অগনিত নেতাকর্মী নেতৃত্বে প্রতিষ্টা পায়,অনেক উপাধি উপমায় আর বিশেষনে তার নাম দাম সুনাম ছড়িয়ে পড়ে সর্ব মহলে।

মিজান চৌধুরী তার পারিবারিক মর্যাদা অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা সামাজিক গ্রহনযোগ্যতা আর রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা নিয়ে ২০০৯ সালে ২২শে জানুয়ারী ছাতক উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে অংশ নিলেন। ১/১১ষড়যন্ত্রে বিএনপি যখন নিষ্পেষিত ঠিক তখন সরকার দলের শক্তিশালী প্রার্থী আর তাদের অপকৌশল মোকাবেলা করে প্রায় ৫৫০০০ভোটে তিনি নির্বাচিত হলেন ছাতক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে। দায়িত্ব পালনে অসাধারন সফলতা তার ব্যক্তিত্ব নেতৃত্ব উন্নয়ন উৎপাদনমূখী চিন্তাশীল বিচরন ছাতক দোয়ারার প্রতিটি জনপদে প্রশংসার আলোচনা গ্রাম থেকে গ্রামন্তরে কখনও হাটবাজার কিংবা মেঠোপথে।
রাজনীতির পরিমন্ডলে ইতিপূর্বে দায়িত্ব পালন করেছেন স্বেচ্ছাসেবকদল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতির,দায়িত্ব পালন করছেন বিএনপি কেন্দ্রীয় জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে,খালেদা জিয়া মুক্তি পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।
কেন্দ্রীয় বিএনপি’র সদস্য, ছাতক উপজেলা পরিষদের সাবেক সফল চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান চৌধুরী মিজান একাদশ নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি এখন এলাকায় বেশ সরব। মিজান চৌধুরীর নেতৃত্বে ছাতক ও দোয়ারাবাজার উপজেলা বিএনপি সুসংগঠিত ও উজ্জিবিত। প্রতিটি ইউনিয়ন, ওয়ার্ডে কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচি নিয়মিত পালিত হচ্ছে। প্রতিটি কর্মসূচিতে তিনি নিজে অংশ নিচ্ছেন। এলাকার নেতাকর্মী ও জনগণের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা আগের চেয়ে অনেক বেশি। মিজান চৌধুরী ছাড়া এ আসনে বিএনপি থেকে জয়লাভ করার মতো তেমন কোনো প্রার্থী এখনো প্রস্তুত হয়নি, তাই সুনামগঞ্জ -৫(ছাতক-দোয়ারাবাজার) আসনের সর্বস্তরের জনগণ মনে করেন মিজান চৌধুরীর কোনো বিকল্পও নেই।
ছাতক ও দোয়ারাবাজার নিয়ে গঠিত সুনামগঞ্জ-৫ আসন শিল্পাঞ্চল হিসেবে পরিচিত। ভোটার সংখ্যা ৪লাখ ১৪ হাজার। এই আসনে সর্বশেষ বিএনপির টিকেটে নির্বাচন করেছেন বর্তমান জেলা বিএনপির সভাপতি কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন। তাকে আসন্ন নির্বাচনে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন সিলেট জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মিজানুর রহমান চৌধুরী। তিনি ছাতক উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য। ত্যাগী এই ছাত্রদল নেতা এবার মনোনয়ন ভাগিয়ে আনতে মরিয়া।
এ ব্যাপারে বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, ছাতক উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান চৌধুরী মিজান বলেছেন,
দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও জননেতা তারেক রহমানের বিরুদ্ধে নিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে আন্দোলনের অংশ হিসাবে নির্বাচনে অংশগ্রহন করলাম।
নয়াপল্টন বিএনপি কেন্দ্রীয় অফিস থেকে
সুনামগঞ্জ -৫ ( ছাতক- দোয়ারা বাজার) আসনের জন্য ধানের শীষ প্রতিকের মনোনয়ন পত্র কিনলাম।
আমার প্রিয় জন্মস্থানের দলমত নির্বিশেষে সকল জনগনের কাছে দোয়া চাই।
ইনশাআল্লাহ, ধানের শীষের বিজয় সুনিশ্চিত ।।।
বিএনপি আবারও ক্ষমতায় এসে এদেশের জনগণের কাঙ্খিত গণতন্ত্র ফিরিয়ে দেবে। এজন্য দলের প্রতিটি নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধভাবে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার দাবির আন্দোলনে শরিক হতে হবে। সেজন্য বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে ও তাঁর নির্দেশে আগামী দিনে গণতন্ত্র পূণরুদ্ধারের জন্য কোন আন্দোলনে অংশগ্রহণের জন্য সকলকে প্রস্তুত থাকতে হবে। আর দীর্ঘদিন যাবৎ এলাকার মানুষের পাশে থেকে তাদের আশা-আকাঙ্খার কথা জেনেছি। স্বাধ্যমত তাদের সেবা করেছি। তবে দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয় তাহলে বিজয়ের ব্যাপারে আশাবাদি শতভাগ।
বিএনপি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়ন পেলে তিনি সুনামগঞ্জ -৫ আসনের দুই উপজেলার সমস্যাগুলো চিহ্নিতকরে সেগুলোর সমাধানের পথ খুঁজতে টিম গঠন এবং সে অনুযায়ী নির্বাচনী ইশতেহার তৈরি করবেন বলে জানিয়েছেন। এক্ষেত্রে তিনি সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেছেন।

Top