অবশেষে হারের বৃত্ত ভাঙ্গল অষ্ট্রেলিয়া।

received_2151273621867311.jpeg

মোঃ ছৈয়দুল বাশার ফাহিম।
শেষ ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকার দরকার ছিল ২০ রান। হাতে মাত্র ১ উইকেট। গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের প্রথম বলেই চার হাঁকিয়ে সম্ভাবনা বাঁচিয়ে রেখেছিলেন ইমরান তাহির। তবে পরের ৪ বলে ৪ রানের বেশি নিতে পারেনি সফরকারিরা। শেষ বলে তাহির আবারও বাউন্ডারি হাঁকালেও জয়টা তখন নিশ্চিত হয়ে গেছে অস্ট্রেলিয়ার।ওয়ানডেতে টানা সাত ম্যাচ হারের পর অবশেষে জয়ের মুখ দেখল অস্ট্রেলিয়া। এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-১ সমতায় ফিরেছে অ্যারন ফিঞ্চের দল।কাগিসো রাবাদা (৪/৫৪) আর ডোয়াইন প্রিটোরিয়াসের (৩/৩২) দারুণ বোলিংয়ে টস অস্ট্রেলিয়াকে ২৩১ রানেই গুটিয়ে দিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। স্বাগতিক দলের কেউ হাফসেঞ্চুরিও করতে পারেননি। অ্যালেক্স কারে ৪৭, ক্রিস লিন ৪৪ আর ওপেনার অ্যারন ফিঞ্চ করেন ৪১ রান।তখন মনে হচ্ছিল, ওয়ানডে ফরমেটে আরেকটি হারের মুখে দাঁড়িয়ে অজিরা। তবে বল হাতে দারুণভাবেই লড়াইয়ে ফিরেছে তারা। ৬৮ রানে ৪ উইকেট হারানো প্রোটিয়াদের জয়ের স্বপ্ন দেখাচ্ছিলেন ফাফ ডু প্লেসিস আর ডেভিড মিলার। পঞ্চম উইকেটে ৭৪ রানের জুটি গড়েন তারা।৪৭ রান করা ডু প্লেসিসকে বোল্ড করে অস্ট্রেলিয়াকে লড়াইয়ে ফেরান প্যাট কামিন্স। ৫১ রান করে আরেক সেট ব্যাটসম্যান ডেভিড মিলার যখন স্টয়নিসের বলে এলবিডব্লিউ হন, ১৮৭ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে তখন ম্যাচের আশা বলতে গেলে শেষ দক্ষিণ আফ্রিকার। শেষদিকে লুঙ্গি এনগিদির ২০ বলে ১৯ আর ইমরান তাহিরের ১১ বলে ১১ রানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হলেও জয়টা আর ছোঁয়া হয়নি প্রোটিয়াদের,অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে ৩টি উইকেট নেন মার্কাস স্টয়নিস। ২টি করে উইকেট শিকার মিচেল স্টার্ক আর জস হ্যাজলউডের।

Top