নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাদরাসার জমিতে স্কুল ভবন নির্মাণ, উপজেলা চেয়ারম্যান-ইউএনওসহ ৮জনের বিরুদ্ধে সমন

download-9.jpg

সাঈদী আকবর ফয়সাল,চকরিয়া:
পেকুয়ার মগনামায় আদালতের নিষেধাজ্ঞার আদেশ অমান্য করে মাদরাসার মালিকানাধীন জমিতে জোর পূর্বক স্কুল নির্মাণ কাজ অব্যাহত রাখায় পেকুয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাসহ ৮জনের বিরুদ্ধে সমন দিয়েছেন সিনিয়র সহকারী জজ আদালত, চকরিয়া,কক্সবাজার।
পেকুয়া উপজেলার মগনামায় ইউনিয়নের ফজর আলী হেফজখানা ও মাদরাসার নামীয় ও ভোগ দখলীয় জমিতে আদালতের নির্দেশনা ও স্থিতাবস্থায় বজায় রাখার আদেশ অমান্য করে জোর পূর্বক পাকা দালান নির্মাণের অভিযোগে মাদরাসা কমিটির পক্ষে মগনামা ইউনিয়নের বাইন্ন্যাঘোনা গ্রামের মৃত আলহাজ মজু মিয়ার পুত্র মৌলানা আবদুল জব্বার বাদী হয়ে গত ২৮ অক্টোবর’১৮ইং সিনিয়র সহকারী জজ আদালত, চকরিয়া,কক্সবাজারে বায়োলেশন মিস মামলা (নং ২৭/২০১৮, মূল অপর ৪১২/১৬) দায়ের করেন। এতে বিবাদী করা হয়েছে অভিযুক্ত মৃত আনু মিয়ার পুত্র ছালাহ উদ্দিন, মৃত মাওলানা আবদু ছাত্তারের পুত্র জাফর উল্লাহ ওসমানী, মৃত একরাম মিয়ার পুত্র আবদুল মজিদ, মৃত আবদু ছাত্তারের পুত্র নুর মোহাম্মদ প্রকাশ মাদু, পেকুয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে।
অভিযোগে জানাগেছে, অভিযুক্ত বিবাদীরা দীর্ঘদিন ধরে মগনামায় ইউনিয়নের ফজর আলী হেফজখানা ও মাদরাসার নামীয় ও ভোগ দখলীয় জমিতে সরকারী খরচে স্কুল ভবন নির্মাণ (পাকা দালান নির্মাণ) করছে। এনিয়ে ভূক্তভোগী প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সিনিয়র সহকারী জজ আদালত, চকরিয়া, কক্সবাজারে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে মামলা (নং অপর ৪১২/১৬) দায়ের করেন। মামলা আমলে নিয়ে মগনামা মৌজার বিএস খতিয়ান নং ১১৩৯, ৯৩১ এর বিএস দাগ নং ৪১১১, ৪১১২, ৪১১৩ এর ১৫শতক জমিতে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার আদেশ দেন বিজ্ঞ আদালত। কিন্তু তা উপেক্ষা করে উল্লেখিত প্রশাসনের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের ব্যবহার করে অভিযুক্তরা প্রকাশ্য দিবালোকে জোর পূর্বক পাকা দালান নির্মাণ করে চলছেন এবং তাদের আদালতের কাছে দেয়া লিখিত বক্তব্যে তা স্বীকারও করেন। সর্বশেষ আদালতের নির্দেশনা উপেক্ষা করে নির্মাণকাজ অব্যাহত রাখায় উক্ত বায়োলেশন মিস মামলা (নং ২৭/২০১৮) দায়ের করেন। এর প্রেক্ষিতে আদালত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলার পরবর্তী তারিখে সরাসরি উপস্থিত হতে সমন দিয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্তরা বিজ্ঞ আদালতের কাছে সুবিচার প্রাথনা করেছেন।##

Top