জেল-জুলুমের ভয় দেখিয়ে জিয়ার সৈনিকদের দাবিয়ে রাখা যাবে না — মিজান চৌধুরী

45657095_363917160847061_7201302954316398592_n.jpg

এম এ মোতালিব ভুইয়া ঃ
বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, ছাতক উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান চৌধুরী বলেছেন, ১৯৭২ সালে বিরোধী মতকে হত্যার পরও একদলীয় শাসনের শেষ রক্ষা হয়নি। ঠিক তখনই জনগণের সামনে আবার আসেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান। ৭ নভেম্বর সিপাহি বিপ্লবের মাধ্যমে।
বিএনপি নেতা বলেন, ‘আজ দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র তো দূরের কথা, একদলীয় গণতন্ত্রও নেই। আছে শুধু এক ব্যক্তির গণতন্ত্র।’
জিয়াউর রহমানের শাসনামলে ধারণা ছিল জিয়া না থাকলে বিএনপি থাকবে না। সে চিন্তা থেকে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। এখন চিন্তা খালেদা জিয়া না থাকলে বিএনপি থাকবে না, তাই তাকে আজ কারাগারে আটকে রাখা হয়েছে। তাই তাকে মুক্ত করতে হবে।খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে রাজপথে আন্দোলনের কোনো বিক্ল্প নেই।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বিএনপি নেতা বলেন, ‘আপসহীন নেত্রী খালেদা জিয়ার কর্মী হবে আপসহীন। কারণ খালেদা জিয়া কারো কাছে মাথা নত করেননি। তার কর্মীরাও করতে পারে না। আমরা হাসিনার চোখ রাঙানি দেখে আত্মহত্যা করতে পারি না। তাই এখন আমাদের কাছে কোনো সময় নাই। সময় একটাই সেটি হলো কঠোর আন্দোলনের।’

দেশের সিংহভাগ মানুষের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে জেলে আটকে রেখে খালি মাঠে গোল দেয়ার স্বপ্ন দেখছে সরকার। বেগম জিয়া ও তারেক রহমানের জনসমর্থনে ভয় পেয়ে ফয়মায়েসি রায়ের মাধ্যমে সরকার তাদের নির্বাচন থেকে দুরে রাখতে চায়। তিনি হুশিয়ারী উচ্চারন করে বলেন, দেশের তিনশ আসনের প্রতিটিতেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে এক-একজন খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান। জেল-জুলমের ভয় দেখিয়ে জিয়ার সৈনিকদের দাবিয়ে রাখা যাবে না। বৃহস্পতিবার দোয়ারাবাজার উপজেলার মান্নারগাও ইউনিয়নের শ্যামলবাজার,কাটাখালী বাজার ও আমবাড়ী বাজারে বেগম জিয়ার মুক্তিসহ ৭দফা দাবীতে লিফলেট বিতরণ ও মিছিল শেষে পৃথক সভায় তিনি এসব কথা বলেন। মান্নারগাও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল আলিমের সভাপতিত্বে ও ছাত্রদল নেতা আব্দুল মতিনের পরিচালনায় আমবাড়ী বাজারে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, দোয়ারাবাজার উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শাহজাহান মাষ্টার, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল মানিক মাষ্টার, যুগ্ম আহবায়ক হেলাল মিয়া, সদস্য আফিকুল ইসলাম, সামছুল ইসলাম, এইচএম কামাল, উপজেলা যুবদলের সভাপতি জাকির হোসেন, বিএনপি নেতা আমান উল্ল্যাহ, তাইয়বুর রহমান, উপজেলা যুবদলের সাধারন সম্পাদক জামাল উদ্দিন, বিএনপি নেতা আব্দুর রউফ, সিরাজুল ইসলাম, নুর আলী ইমরান, অলিউর রহমান, শাহ নেওয়াজ চৌধুরী, জাহাঙ্গির আলম, জমির আলী,, নুর আলম, আব্দুর রাজ্জাক, আইয়ূব আলী মেম্বার, উপজেলা যুবদলের সহ সভাপতি ইকবাল হোসেন আকুল, যুগ্ম সম্পাদক জমির আলী, উপজেলা স্বোচ্ছাসেবকদলের সভাপতি এরশাদুর রহমান এরশাদ মেম্বার, সহ সভাপতি মোশারফ মজুমদার, সাধারন সম্পাদক মনির উদ্দিন। বক্তব্য রাখেন, যুবদল নেতা আব্দুর রশিদ, জাহাঙ্গির আলম, মকবুল হোসেন, আব্দুল আজিজ, আব্দুল হান্নান, মনোয়ার হোসেন, আবু তৈয়ব সুহেল, ছাত্রদল নেতা হামদু মিয়া, সানুর ওয়াদুদ সাগর,ইয়াকুব আল মারুফ, রেজাউল করিম, তারেক হোসেন রাজ, ফয়সাল আহমেদ প্রমুখ।

Top