শারদীয় উৎসবে কক্সবাজার সমুদ্রের প্রতিমা গুলো ঢেউয়ের সাথে খড়ের অভিযানে স্বপ্নজাল স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন

44593753_493356741162788_5830914422150791168_n.jpg

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :

কক্সবাজার শহরের ধুলাবালি ও বস্তিবন্ধী অসহায় মানুষের ঘামের গন্ধে মিশে থাকে এই সেচ্ছাসেবী সংগঠনটি।কানপেতে থাকে দিনরাত, কখন কোথা থেকে যেনো অসহায়ত্বের চিৎকার শুনতে পাচ্ছে সংগঠনটির কর্মীরা।দিনের প্রখর রৌদ্র কিংবা রাতের ঘাড় কালো অন্ধকার তাদের সাহসকে যেনো এক মুহুর্তের জন্যে ও দমিয়ে রাখতে পারেনা।উঁচু পর্বতের শৃঙ্খল কিংবা সাগরের উত্তাল ঢেউ তাদের গতিরোধ করতে পারেনা।নিজেদের হাজারো প্রয়োজন কে দমিয়ে রেখে তারা দেখতে চাই বস্তি কিংবা ফুটপাতে অবহেলায় পড়ে থাকা বাচ্চা গুলোর মুখে একটু স্বস্তির হাসি।ককসবাজার শহরের অলিগলিতে ঘুরে যেসব শিশুরা ছোটকাল থেকেই অপকর্মে জড়িয়ে যাচ্ছে, তাদের পাশে দাড়িয়ে মাথায় হাত বুলিয়ে পাহাড়সম সাহস এনে দেয়া যেনো সংগঠনটির কর্মীদের একরকম নেশায় পরিনত হয়েছে।একটি অরাজনৈতিক সেচ্ছাসেবী সংগঠন হিসেবে অল্প দিনের ব্যাবধানে এই সংগঠনটির কাজ ছড়িয়ে গেছে শহরের বিভিন্ন অলিগলিতে।”দেশটাকে পরিস্কার করি” স্লোগানে তারা কর্মীদের নিয়ে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযানের জন্য প্রতিমাসে নেমে আসে রাস্তায়।ধর্মবর্ণনির্বিশেষে এই সংগঠনের সকল ধর্মের কর্মীরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশের জন্য কাজ করতে বদ্ধপরিখর।দশ মায়ের গর্ভের ভিন্নমতের ধর্মালম্বী তরুণ তরুনী গুলো এই সেচ্ছাসেবী সংগঠনটিতে এসে সাম্প্রদায়িকতাকে মাটির সাথে মিশে দিয়েছে।দেশের জন্য তাদের ভালবাসা যেনো অফুরন্ত হয়ে কাজ করে নিরন্তর।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিনে অসহায় পথশিশুদের সাথে কেক কাটতে ভুলেনি এই স্বপ্নজাল নামের সংগঠনটি।গেলবার হিন্দু ধর্মালম্বীদের শারদীয় উৎসবে কক্সবাজার সমুদ্রের গহীনে ভাসিয়ে দেয়া প্রতিমা গুলো ঢেউয়ের সাথে দুলে বালুচরে ভেসে আসলে দেশবিদেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে আসা পর্যটকদের সমুদ্র পাড়ে হাটতে কষ্ট হচ্ছে দেখে তারা সিদ্ধান্ত নিলো এই প্রতিমাংশ গুলো নিরাপদে সরিয়ে দেয়া ভালো।এতে করে হিন্দু ধর্মের বিস্বর্জিত প্রতিমাগুলোর মান ও অক্ষুণ্ণ থাকবে,আর প্রত্যেক ধর্মালম্বী পর্যটকেরা ও নিরাপদে হাটতে সুযোগ পাবে।তাই গতকাল সকাল ৬ঃ৩০টা থেকে বেলা ১২ঃ৪৫টা পর্যন্ত তাদের কর্মসূচি ছিলো সাগর পাড়কে পরিচ্ছন্ন করা।তাদের মহৎকাজকে প্রায় পর্যটক, সচেতন নাগরিকও প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্বাগত জানিয়েছে ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন,ককসবাজার টুরিস্ট পুলিশের এ এস আই মিজানুর রহমান ও তাঁর সহকর্মীগণ এবং স্বপ্নজালের কর্মীরা।স্বপ্নজালের এই মহৎকাজের সময় প্রশাসনের দেয়া ভালবাসায় সিক্ত হয়ে স্বপ্নজালের সভাপতি মোঃসাকির আলম প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা ব্যক্ত করেন।

Top