কক্সবাজার শহরের কক্সন মাল্টিমিডিয়া স্কুলের শিক্ষক ও পরিচালকের বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

received_554457078308362.jpeg

আশরাফ আল আসিফ,কক্সবাজার।

কক্সবাজার পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠার কক্সন মাল্টিমিডিয়া স্কুলের বিরুদ্ধে মোক্তার আহমদের ছেলে মোজাহিদ(২৪) কর্তৃক ১৯ অক্টোবর পূণরায় মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে স্কুল কর্তৃপক্ষ।

সংবাদ সম্মেলনটি গতকাল ২০ শে অক্টোবর স্কুল কার্যালয়ে বিকাল ৩ টায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে, লিখিত বক্তব্য পেশ করেন: স্কুল পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও বিশিষ্ট সাংবাদিক মোস্তফা সরওয়ার।উক্ত বক্তব্যে তিনি বলেন; ” শহরের ১নং ওয়ার্ডের কুতুবদিয়াপাড়ার মোক্তার আহমদের বখাটে ছেলে মোজাহিদ (২৪) মারামারির অভিযোগ এনে গত ১৯ শে অক্টোবর সদর থানায় কক্সন মাল্টিমিডিয়া স্কুলের শিক্ষক ও পরিচালকসহ প্রায় ৪ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন। উক্ত মামলায় যাদেরকে আসামি করা হয়েছে তারা হলেন; স্কুলের ইনচার্জ রাহাত ইকবাল, শিক্ষক হেলাল উদ্দিন, মুহিউদ্দিন বাবু ও পরিচালনা কমিটির পরিচালক মুনির উদ্দিন।” তিনি এ মামলাকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও সম্পুর্ণ উদ্দেশ্য প্রনোদিত বলে দাবি করেন।

তিনি বলেন; “মামলার এজাহারে বলা হয়েছে গত ৬ অক্টোবরে ডায়াবেটিস পয়েন্টে টমটমের গতি রোধ করে থাকে মারধর করা হয়েছে।” আর ঘটনার ৬ দিন পর[ ১১ অক্টোবর ] তিনি চিকিৎসা নেন বেসরকারি হাসপাতাল সিআইসি থেকে।এর দু-দিন পর [ ১৩ অক্টোবর ] তিনি চিকিৎসা নেন সদর হাসপাতালে।আর মামলা দায়ের করেন ১৯ অক্টোবর প্রায় ১৪ দিন পর।”

তিনি বলেন: এই মামলা যে সম্পুর্ণ মিথ্যা তার প্রথম এবং সুস্পষ্ট দলিল হলো এই মামলার এজাহার। তাই, তিনি এই মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবী জানান।

তিনি আরো বলেন: মূলত মোজাহিদ যে আঘাতকে পুঁজি করে এ মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন, তা তিনি নিজ মালিকানাধিন বোটে কাজের সময় পেয়েছিলেন। যা, এলাকার অনেকেই জানেন। গত ১০ অক্টোবর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে মোজাহিদসহ কয়েকজন মুহিউদ্দিন বাবুর উপর প্রকাশ্য হামলা চালায়। ওই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মোজাহিদেরর বিরুদ্ধে ঐ দিনই কক্সবাজার আদালতে দ্রুত বিচার আইনে মামলা করা হয়।যার নং ১১৬৭/২০১৮ ইং। উক্ত, মামলাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করবার জন্যে মূলত এই মামলা বলে জানান তিনি।

উল্লেখ্য, এর আগে মোজাহিদের ফুফাত বোন ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রিকে পড়া না পারার কারনে বেত্রাঘাত করেছিলেন উক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ইংরেজি শিক্ষক হেলাল উদ্দিন। এরপর থেকে তাকে বিভিন্নভাবে পর্যদুস্তির পায়তাঁরায় নামে তারা এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে এরেস্ট ও করা হয়।

১৯ অক্টোবর মামলা রেকর্ডের বিষয়ে সদর থানার ওসি ফরিদ উদ্দিন খন্দকার বলেন; ভিকটিমের ভাষ্যমতে মামলা রেকর্ড করা হয়েছে, এ বিষয়ে পুলিশ তদন্ত করছে।

উক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তার এরকম বার বার হামলা ও মামলা দায়ের এবং থানা কর্তৃক মিথ্যা মামলা গ্রহণ করায় বিষ্মিত হয়েছে সচেতন মহল।

Top