নদীভাঙন প্রতিরোধে ব্যবস্থা নিন–ওসমান গনি শুভ

IMG_20181013_052005.jpg

———————-
সাম্প্রতিক শরীয়তপুরসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় শুরু হয়েছে তীব্র নদীভাঙন। নদীভাঙন তীব্র হয়ে ওঠায় প্রাচীন স্থাপত্য যেমন- মসজিদ, মন্দির, গির্জা, মাদ্রাসা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাট-বাজার, বাড়ি-ঘর, রাস্তাঘাট থেকে শুরু করে ফসলি জমি নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। দেশের উত্তরাঞ্চল এবং ভাটির সময় মধ্যাঞ্চল নদীভাঙনের কবলে পড়ে হচ্চে সর্বশান্ত। পিতার বাস্তুভিটা রেখে ভাসমান জীবন যাপন করছে অনেকেই।

শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার বর্তমানে বিপুল পরিমাণ নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। স্থাপত্যসহ সবই রাক্ষসী পদ্মার পাকস্থলীর ভিতর ঢলে পড়ছে। এছাড়া উত্তর জনপদের তিস্তা, ধরলা, ব্রহ্মপুত্র,নদী পাড়ের কুড়িগ্রাম,নীলফামারী, গাইবান্ধা থেকে শুরু করে বগুড়ার সিরাজগঞ্জ, জামালপুর, আরিচা, টাঙ্গাইল এবং পদ্মায় রাজবাড়ী, গোয়ালন্দ, মাওয়া, সুরেশ্বর মুন্সীগঞ্জসহ বিস্তীর্ণ এলাকায় ভয়াবহ নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। সরকার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণ, নদী ড্রেজিংসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে, যা আসলে প্রয়োজনের তুলনায় যথেষ্ট নয়। তাছাড়া বাঁধ নির্মাণ-সংস্কার নিয়ে এক শ্রেণীর কর্মকর্তা ও ঠিকাদারদের বিরুদ্ধে রয়েছে দুর্নীতির অভিযোগ। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নদীভাঙন রোধে দ্রুত এবং কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করে মানুষের স্বাভাবিক ও সুষ্ঠু-সুন্দর জীবন পরিচালনায় সাহায্য করবেন-এই কামনায় করি।

মো.ওসমান গনি শুভ
শিক্ষার্থী,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

Top