বকশিশ দেন–হাসান মাহমুদ ইলিয়াস

GFD.jpg

>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>

বিগত কয়েক মাসের পত্রপত্রিকায় আমরা দেখেছি, কেউ টাকা মেপে নেন,কেউ কয়লা পাথর খেয়ে ফেলেন ।আবার কোনো কোনো ডাক্তারের কাছে গেলে বার বার আসতে বলেন যত ভিজিট তত টাকা ইনকাম করার ব্যপারটা জড়িত থাকায় ।এ হল এক ধরণের প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তাদের চরিত্র ।
কিন্তু যারা ২য় বা ৩য় শেণির চাকরী করেন তারা কি খুব সৎ জীবন যাপন করেন? আজ(১০/১০/১৮) মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড ,ঢাকা তে রুমমেটের আত্মীয়র এইচএসসি পরীক্ষার একটি সাময়িক সার্টিফিকেট আনতে গেলাম ।কাগজ পত্র সব কিছু আগে থেকেই প্রস্তুত করা ছিল ।কাগজপত্রগুলো নিয়ে গেলাম ৪ নং বিল্ডিংএ, নির্দিষ্ট জায়গায় কাগজ পত্র জমা দিলাম ।কাগজপত্র পাওয়ার সাথে সাথে দায়িত্বরত কর্মকর্তার প্রথম কথা বকশিশ দেন ।আমি বুঝতে পারলাম না কিন্তু কেন?যার সার্টিফিকেট তাকে ছাড়া না দেয়ার যদি কোনো বিধান থাকে ,তবে আমাকে ফিরিয়ে দিবে বিষয়টা আলাদা কথা,এরকম কোনো বিষয় নয় ।তার প্রথম বাক্য বকশিশ দেন, আমি সার্টিফিকেট দিচ্ছি ।তারপর দু সেকেন্ড এর ভিতর সার্টিফিকেট টি বের করে দিল। তেমন কোনো খোঁজাখুজি ও করতে হলনা তাঁর।আমি বলেছি ,‘আমার কাছে কোনো টাকা নেই।’তারপরও বলেছিল, ‘যা পারেন দেন ।’ কিন্তু বারংবার চেষ্টা করেও যখন দেখলেন কোনো ফল হচ্ছে না ।ফলে এমনিতেই(বকশিশ ছাড়া) দিয়ে দিলেন।আমি টাকা কেন দিব তাকে ? সরকার তো তাকে বেতন দিচ্ছেন।
আমি যদিও তার নাম এবং আইডি কার্ড নং দেখে এসছিলাম ,কিন্তু প্রকাশ করছি না এজন্য যে ,কারন এটি প্রতিটি সেক্টরে চলছে।যতক্ষণে উপরের স্তর থেকে এটিকে প্রতিরোধ করা না যাবে ততক্ষণ এটিকে রোধ করা সম্ভব নয় ।আর ঘুষ ছাড়া তিঁনি যে চাকরী পাননি এর ও একটি বড় প্রমাণ এটি।আর এভাবে চলতে থাকলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ নামক আমার দেশটির যে কি অবস্থা হবে তা খুব সহজেই অনুমেয়।

লেখক ঃ
মুহাম্মদ হাসান মাহমুদ ইলিয়াস
সাংবাদিক,
শিক্ষার্থী,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

Top