টেকনাফে পৃথক অভিযানে ইয়াবাসহ ৩পাচারকারী আটকঃভ্রাম্যমাণ আদালতে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

IMG_20181011_070221.jpg

ফরহাদ আমিন:::
কক্সবাজারের টেকনাফে বিজিবি’র পৃথক অভিযানে২৪হাজার২শ’২২পিস ইয়াবাসহ ৩পাচারকারীকে আটক করেছে বলে জানা গেছে। আটককৃত ব্যক্তিদের ভ্রাম্যমাণ মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা প্রদান করা হয়েছে।জানা যায়, বুধবার বিকালে টেকনাফ ২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ নাজিরপাড়া বিওপির নায়েব সুবেদার মোঃ আব্দুল মান্নান নেতৃত্বে বিশেষ টহলদল নিয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাবরাং মন্ডল পাড়ায় গমন করলে সুপারি বাগানের ভেতর একজন লোক দেখতে পায়।টহলদলের উপস্থিতি টের পেয়ে ইয়াবা পাচারকারী দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে। টহলদল তার পিছু ধাওয়া করে পলিথিন দ্বারা মোড়ানো ইয়াবা ভর্তি একটি প্যাকেটসহ এক ব্যক্তিকে আটক করতে সক্ষম হয়।পরে প্যাকেটটি খুলে গণনা করে ৩৯লাখ ৬৯ হাজার ৯ শত টাকা মূল্যমানের ১৩ হাজার ২শ ৩৩ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যায়।আটককৃত হচ্ছেন, সাবরাং ইউনিয়নের মন্ডল পাড়ার নুরুল ইসলামের ছেলে মোঃ হেলাল উদ্দিন (৩০)।পরে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে ইয়াবা ট্যাবলেট নিজ দখলে রাখার দায়ে ধৃত ব্যক্তিকে ৪৮ পিস ইয়াবাসহ ভ্রাম্যমান আদালতে হাজির করা হয়। উক্ত আদালত ধৃত ব্যক্তিকে ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন। অবশিষ্ট ১৩ হাজার ১শ ৮৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ব্যাটালিয়ন সদরে জমা রাখা হয়েছে। যা পরবর্তীতে উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও মিডিয়া কর্মীদের উপস্থিতিতে ধ্বংস করার জন্য ব্যাটালিয়ন সদরে জমা রাখা হয়েছে।
এছাড়া একই দিনে বিকালে দমদমিয়া বিওপির সুবেদার মোঃ আব্দুর রাজ্জাক বিশ্বাসের নেতৃত্বে একটি টহল দল যানবাহন তল্লাশী কাজে নিয়োজিত ছিল।টেকনাফ হতে কক্সবাজারগামী স্পেশাল সার্ভিস একটি মিনিবাস দমদমিয়া বিজিবি চেকপোষ্টে পৌঁছলে টহলদল সিগন্যাল দিয়ে থামায়। বাসটি তল্লাশিকালীন দুইজন যাত্রীর আচরন সন্দেহ হওয়ায় তাদেরকে ব্যাগসহ বাস থেকে নামিয়ে তল্লাশি করে তাদের ব্যাগে রক্ষিত শুটকি মাছের নিচে অভিনব পদ্ধতিতে লুকায়িত অবস্থায় ইয়াবা ভর্তি প্যাকেট পাওয়া যায়।পরে খুলে গণনা করে৩২ লাখ ৯৬ হাজার ৭শ টাকা মূল্যমানের ১০ হাজার ৯শ ৮৯ পিস ইয়াবাসহ মুন্সীগঞ্জ জেলার লৌহজং থানার কাজির পাড়ার গোয়াল মান্দার মোঃ আলমাছের পুত্র মোঃ শাকিল (৩৫) এবং মৃত আবুল হোসেনের ছেলে মোঃ সোহেল (৩২) কে আটক করতে সক্ষম হয়। ইয়াবা ট্যাবলেট রাখার দায়ে ধৃত আসামিদেরকে ৯০ পিস ইয়াবাসহ ভ্রাম্যমান আদালতে হাজির করা হলে উভয়কে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে।অবশিষ্ট ১০ হাজার ৮শ ৯৯ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট পরবর্তীতে উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও মিডিয়া কর্মীদের উপস্থিতিতে ধ্বংস করার জন্য ব্যাটালিয়ন সদরে জমা রাখা হয়েছে।সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের কারাগারে প্রেরণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় সোর্পদ করা হয়েছে।

Top