দোয়ারাবাজারে নতুন কৌশলে হচ্ছে বাল্য বিবাহ;প্রশাসন নিরব !

images-11.jpg

সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃ
সুনামগঞ্জের দোয়ারায় প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকায় নতুন কৌশলে হচ্ছে বাল্য বিবাহ। প্রশাসনের ধরা ছোয়ার বাইরে।নতুন কৌশল গুলো এরকম, মেয়ের বয়স ১২/১৩ হলে ছেলে মেয়েকে বিয়ের অনুষ্টানের আগে কোর্টে গিয়ে নোটারী পাবলিক করে নিয়ে আসে,এলাকায় প্রচার করে তাদের কোর্ট ম্যারেজ হয়েছে,তারপর কাজী দ্বারা বিয়ে হচ্ছে। এসকল বিয়ে প্রতিরোধে প্রশাসনের নেই কোন প্রতিকার ও প্রতিরোধ। প্রতিদিন বেড়ে চলছে বাল্য বিবাহ।

বৃহস্পতিবার দোয়ারাবাজার উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের মহব্বত বাজার এলাকার মিরপুর গ্রামের মোঃ হাছন আলীর পুত্র সুহেল ও একই গ্রামের মৃত রইছ আলীর সপ্তম শ্রেনিতে পড়ুয়া ১৩ বছর বয়সি মেয়ে রহিমাকে একজন উকিলের দ্বারা নোটারী পাবলিক এর মাধ্যমে বিয়ে করে। সরেজমিনে এলাকাবাসী ও মেয়ে পক্ষ জানায়,বিয়ে নামের নাটক হচ্ছে। রহিমা সমুজ আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেনির ছাত্রী স্কুলে যাওয়া আসার সময় রহিমাকে উত্যক্ত করত,গত কিছুদিন আগে রহিমার বাড়িতে রাতের বেলা পুরুষ লোক না থাকায় সুহেল ধর্ষনের উদ্দেশ্যে কৌশলে ঘরে ডুকে তাকে জোরপূর্বক পাশবিক নির্যাতন চালায়। তার আর্তচিৎকারে পাশে তার ভাগ্না বউ জাগলে সুহেল পালিয়ে চলে যায়। এব্যপারে এলাকায় একাদিক সালিশ বৈঠক হয়েছে বলে জানা যায়। এলাকাবাসীর চাপের মুখে ভিকটিম মামলা করতে পারেনি। শুধু রহিমা নয়, সমুজ আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেনির রোজিনা নামের আরেক ছাত্রী গত সপ্তাহে একই কায়দায় বিয়ে হয়েছে।

ছেলের বাবা হাছন আলী বলেন, আমার ছেলেকে নিয়া আমি সুনামগঞ্জ কোর্টে নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে একই গ্রামের মৃত রইচ আলীর মেয়ে রহিমার সাথে বিয়া দিয়াছি।
এব্যপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মহুয়া মমতাজ বলেন নোটারী পাবলিক বিয়ে সংক্রান্ত কোন বৈধতা দিতে পারে না,এগুলো বেআইনী। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানোগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Top