দীর্ঘ দিন পর খুলে দেয়া হল স্বপ্নের ২য় তিস্তা সড়ক সেতু

LALMONIRHAT-01.09.18-NEWS-1-P-C-2-600x337.jpg

মোঃ মোশারফ হোসেন, লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ
লালমনিরহাট ও রংপুর দুই জেলার কাকিনা-মহিপুর তিস্তা নদীর ওপর নবনির্মিত ‘গঙ্গাচড়া শেখ হাসিনা সেতু’ খুলে দেয়া হয়েছে ।
১৬ সেপ্টেম্বর রোববার বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সেতুটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
এর পরপরই ১২৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতুটি খুলে দেওয়া হয় দুই জেলার যোগাযোগের জন্য । দির্ঘ্য ৬বছর পর স্বপ্নের এই সেতু শেখ হাসিনা নামে নাম করণ করে সেতুটি উদ্বোধন করেন প্রধান মন্ত্রী । এ সেতু নির্মাণের ফলে এ এলাকায় ব্যাপক পরিবর্তন ঘটবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
লালমনিরহাট জেলার ৪ উপজেলার পাটগ্রাম, হাতীবান্ধা, কালীগঞ্জ ও আদিতমারী উপজেলার সুবিধাভোগীরা জানান, তিস্তা নদীর এক পাশে রংপুর, আরেক পাশে লালমনিরহাট । বুড়িমারী স্থলবন্দরসহ চারটি উপজেলার লোকজন রংপুরসহ সারাদেশে যাতায়াত করতে প্রায় ৫০/৬০ কিলোমিটার ঘুরতে হতো ।
এর আগে ২০১২ সালের ২০ সেপ্টেম্বর সেতুর ভিত্তি প্রস্থর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
উদ্বোধনের উপেক্ষা শেষে সেতুর দুই পাশে ‘গঙ্গাচড়া শেখ হাসিনা সেতু’ উল্লেখ করে লাগানো হয়েছে ফলক। বিভিন্ন রঙ্গে সজ্জিত এই সেতুর ওপর উড়ছে রঙিন পতাকা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছে সেতুর দুই পাশের জনসাধারন ।
২য় তিস্তা সড়ক সেতুর উদ্বোধন নিয়ে সাবেক প্রতিমন্ত্রী
মোতাহার হোসেন এমপি বলেন, ‘সেতুটি নির্মাণ হওয়ায় লালমনিরহাট জেলার জনগণের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন আজ পূরণ হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিরন্তর উদ্যোগ ছাড়া এ সেতু নির্মাণ করা সম্ভব হতো না।
এ দিকে নবনির্মিত ‘গঙ্গাচড়া শেখ হাসিনা সেতু’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মসিউর রহমান রাঙ্গাঁ, সমাজ কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহম্মেদ, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পকির্ত স্থায়ী কমিটির সভাপতি মোতাহার হোসেন এমপি, সংসদ সদস্য সফুরা বেগম রুমি, লালমনিরহাট জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান, লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক শফিউল আরিফ ও রংপুর জেলা প্রশাসক এনামুল হাবিব প্রমুখ ।

Top