দুর্ভোগ কাটছে না শিলাইগড়ার ৬০০শ পরিবারের

38085579_220720218783158_6613798191827517440_n.jpg

এম এইচ ইমরান চৌ:

উন্নয়নে সর্বত্র পাল্টে গেলেও পাল্টেনি বারখাইন ইউনিয়নের উত্তর শিলাইগড়ার ৬০০শ পরিবারের যাতায়াতের মূল সড়কটি। ৬০০শ পরিবারের যাতায়াত অবস্তা তাদেরকে প্রতিনিয়ত চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। উত্তর শিলাইগড়া অবহেলিত গ্রামের এটি যাতায়াতের একমাত্্র মূল সড়ক।সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে অযত্নে অবহেলায় এভাবে কঙ্কাল নেয় পড়ে রয়েছে।কি ইউপি সদস্য, কি চেয়ারম্যান, কারো কোন কর্ণপাত নেই।সড়কটি দেখে আদৌ এটা কি সড়ক তা বিশ্বাস হয়না বলে যানান স্হানীয় এক সরকারি কর্মকর্তা সফিউল করিম। তিনি আরো বলেন, এখন কারো মূল্যবান ভোট দিয়ে, কোন মূল্যবান, কর্মট,দেশ ও সমাজ প্রেমিক জয়ী করতে হয় না।তাই আজ আমরা দেশ প্রেমিকহীন, সমাজ প্রেমিকহহীন,আজ আমরা বিতারিত, নির্যাতিত, নিপিরিত ও বিচ্ছুদ দেশ প্রেমতাময় থেকে।বর্ষাকাল শুরু হলেত আর কথায় নেই।প্রতিনিয়ত ছোট খাটো দূর্ঘটনা ঘটেই থাকে।অনেক সময় সড়ক বলে পুকুড়ে পড়ে যাওয়ার এমন নজিরও রয়েছে লোখ মুখে।তাছাড়া এ সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন শতশত স্কুল,কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা তাদের স্ব স্ব শিক্ষাঙ্গনে যাওয়া আসা করে।বিভিন্ন যানবাহ চলাচলের বাধাগ্রস্হ ও অনুপযোগী এ সড়কটি। সড়কটির অধিকাংশ খুব নাজুক অপ্রিয়কর। ইট, বালি,কংক্রিটত উদাও।নেই কোন মূল সড়ক চিহ্ন। সড়ক দখল,সড়কের উপর অবৈধ বাসস্হান নির্মাণ, ক্ষেত ফলন,পশু পালন ইত্যাদি অপ্রিয়কর কার্যক্রম যেন নিত্যদিনের চিত্র হয়ে তাড়িয়েছে। নেই কোন চেয়ারম্যান মেম্বারদের নজরতালিকা। এছাড়াও গ্রামে উপজেলা রিসোর্স চেন্টার এবং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অব্স্হান হওয়াতে প্রতিদিন শতশত স্কুল শিক্ষক ও প্রশিক্ষনরত শিক্ষক শিক্ষিকাদের অজস্র দূর্ভোগের মধ্যেও যাতায়াত দেখা যায়।উপজেলা রিসোর্স চেন্টারের প্রশিক্ষণরত এক শিক্ষিকা জাহানারা বেগম তার অনুভূতি প্রকাশে বলেন, কি আর বলার সত্যি লজ্জা হয় আমরা শিক্ষিকা,বর্ষা ও জোয়ার ভাটার হাটুজল পানিতে সড়ক চিহ্নহীন পথ পারি দিয়ে আসতে হয় এ নাজুক ও অকার্যকর গ্রামে। নেই কেন রিক্সা বা যানবাহন চরাচলের যথাউপযোগী সড়ক বা বিকল্প মাধ্যম।সড়কটির মধ্য অংশ উদাও।পারাপার হচ্ছে জোয়ার ভাটার পানি,যেনো সড়কের বুকের ওপর দিয়ে নৌ পথ যাত্রী পারাপার মাধ্যম।এলাকার সচেতন মহল শিলাইগড়ার হর্তাকর্তাদের কাছে গেলে তারা শুধু আশারবাণী শুনায়। সড়ক নিয়ে কথা হয় ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রহিমের সাথে। তিনি তার অসংলগ্ন কথাবার্তার আড়ালে আব্দুল জলিল সড়কটির টেন্ডার কার্যক্রম প্রক্রিয় চলছে বলে তার অনুভূতি প্রকাশ করেন।
সর্বোপরি প্রশাসনের নিকট ৬০০শ পরিবারের দাবি দ্রুত এ সড়কটি মেরামত করে জনগনের যাতায়াত ও যানবাহন চলাচলের উপযোগী করে তুলা।

Top