খানমামায় পরকীয়া করে লক্ষাধিক টাকা আত্মসাৎ,নারীকে মারধোর করে রাস্তায় ফেলে দেওয়ার অভিযোগ

received_1892532387707922.jpeg

আব্দুল মোমেন(খানসামা)দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার টংগুয়া গ্রামের বানিয়া পাড়ার মোখলেছুর রহমানের ছেলে মোঃ শরিফুল ইসলাম(৩০) এর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে রশিদা বেগম (৩২)নামে এক নারীর সাথে দীর্ঘদিন পরকীয়ার সম্পর্ক করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার এবং রশিদা বেগম স্ত্রীর দাবীতে শরিফুল ইসলামের বাড়িতে অবস্থান নিলে মারধোর করে বাড়ি থেকে রাস্তায় বের করে দেয় বলে জানা যায়।

এলাকাবাসীর কাছে পাওয়া তথ্যমতে,একই গ্রামের টংগুয়া বাজার সংলগ্ন আব্দুল কুদ্দুস এর স্ত্রী রশিদা বেগম। পরকীয়ার জেরে রশিদা বেগম বিয়ের দাবীতে শরিফুল ইসলামের বাড়িতে গেলে শরিফুল ও তার বাবা মোখলেছুর রহমান রশিদা বেগমকে মারধোর করে বাড়ি থেকে রাস্তায় ফেলে দেয়।

এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যকর অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে জানান এলাকাবাসী। সূত্রে জানা যায়,রশিদা বেগমের সাথে দীর্ঘদিন পরকীয়ার সম্পর্ক করে শরিফুল ইসলাম লাখ লাখ টাকা ঐ নারীর কাছে হাতিয়ে নেয়।

টংগুয়া গ্রামের একাধিক বক্তি জানান,রশিদা বেগমের তিন সন্তান থাকার পরেও শরিফুল ইসলাম তার সাথে অবৈধ সম্পর্ক স্থাপন করে আসছিলেন। বর্তমানে স্বামী সন্তানদের রেখে রশিদা বেগম শরিফুল ইসলামের বাড়িতে গিয়ে স্ত্রীর দাবীতে অবস্থান নিলে তারা মারধোর করে রাস্তায় ফেলে দেন।

ঘটনা সস্পর্কে শরিফুল ইসলামের আপন ভাই মোঃ আসাদুল ইসলাম বলেন, কুড়ি বছর পূর্বে আমাদের জমি নিয়ে একটা বিরোধের জের ধরেই এই ঘটনা ঘটিয়েছে রশিদার পরিবার। তারা আমাদের গ্রাম ছাড়া করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে! তিনি আরো বলেন,রশিদা বেগম মানসিক সমস্যায় ভুগছেন, তিনি পাগল হয়ে আমাদের বাড়িতে এসেছেন। রশিদা বেগমের মাথা ঠিক নেই! তবে এই ঘটনায় ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি মামলা চলছে বলেও জানান আসাদুল ইসলাম। মারধোর করার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন,রশিদা বেগমকে মারধোর করা হয়নি।

মারধোরের বিষয়ে জোর দিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন,আমি বাজারে আছি,তবে মারধোর করছে কিনা সঠিক জানিনা কিন্তু শুনেছি রশিদা বেগমকে কোনো মারধোর করেনি। আসাদুলের ভাষ্যমতে, বাজারের লোকজনের কাছে তিনি শুনেছেন রশিদা বেগম মানসিকভাবে অসুস্থ। তবে ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়নি।
এই ঘটনায় কয়েকটি মালমা বিচারাধীন আছে বলেও জানান তিনি।

শরিফুল ইসলাম ধানের ব্যবসা করেন এবং রশিদা বেগম শরিফুল ইসলামের অধীনে কাজ করত বলে জানা যায়।

Top