ঈদগাঁও বাঁশঘাটা ব্রীজ নির্মাণ কাজে ধীরগতিঃ পথচারীদের দূর্ভোগ চরমে।

received_695289694142193.jpeg

মোঃ মিছবাহ উদ্দিন, ঈদগাঁও#
সদরের ঈদগাঁও বাশঘাটা ব্রীজ নির্মাণে ধীরগতি ও নদী পারাপারে অস্থায়ী নৌ-ঘাটে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। ঈদগাঁও বাজার টু ইসলামাবাদ সংযোগ সেতুটি প্রায় দুই বছর ধরে নির্মানাধীন পড়ে থাকা ও নৌকায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করার কারণে ৫০ হাজার মানুষের চলাচলে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত। গুণতে হচ্ছে অতিরিক্ত টাকা। রুগী ও মহিলাদের এক কিলোমিটার ঘুরে যেতে হচ্ছে ঈদগাঁও বাজারে। স্থানীয় সাইদুল করিম নামের শিক্ষার্থী জানান আজ থেকে ৩ বছর আগে ব্রীজটি ধেবে যায়। এতদিন বিভিন্নভাবে নদী পারাপার করলেও স্থানীয়রা এই বর্ষার মৌসুমে সকলের সহযোগিতায় কাঠের তক্তা দিয়ে সাঁকো নির্মাণ করে। কিন্তু নির্মাণের কিছুদিন পর টানা বৃষ্টির কারণে উজান থেকে নেমে আসা ঢলের পাণিতে সাঁকোটি ভাসিয়ে নিয়ে যায়। ফলে দুয়ার খুলেছে কিছু অসাধু চক্রের।
ঘাটের মাঝি আবু তাহের বলেন পথচারীদের নদী পারাপারে বসানো হয়েছে নৌকা। যেটি ইউনিয়ন পরিষদ থেকে টেন্ডার হয়েছে ৫ লক্ষ ১২ হাজার টাকা দিয়ে। যাওয়া আসা জনপ্রতি ৫ টাকা নির্ধারণ করা হলেও ছাত্র/ছাত্রী সহ অনেকজন থেকে আমরা টাকা নিচ্ছি না। এদিকে অনেকের অভিযোগ ১০ টাকা করে আদায় করছে তারা। আমান উল্লাহ নামের একজন পথচারী জানান, যাওয়ার সময় ৫ টাকা নিয়েছিল তা বলার পরেও আসার সময়ও ৫ টাকা করে নিচ্ছে। তাছাড়াও এই ব্রীজটি বাজেট হওয়ার প্রায় দু’বছরেও নির্মাণ কাজ শেষ না হওয়ায় চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে স্থনীয়দের মাঝে।
তাই ব্রীজের নির্মাণ কাজ দ্রুত শেষ করার পাশাপাশি নৌকাভাড়া নির্ধারণের জোর দাবী জানিয়েছেন সচেতন মহল।
ইসলামাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুর ছিদ্দিক বলেন, যাতে ঠিকাদার দ্রুত সময়ের মধ্যে কাজটি সম্পন্ন করে নিজে দাঁড়িয়ে থেকে কাজ করাচ্ছি। তবে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের ব্যাপারে কোন অভিযোগ আসেনি আমার
কাছে।
সাব-কন্ট্রাক্টর রবিউল বলেন বৃষ্টির কারণে যাবতীয় মালামাল থাকার পরেও কাজ করা যাচ্ছে না তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ব্রীজের সম্পুর্ণ নির্মাণ কাজ শেষ করা হবে।
এ ব্যপারে কক্সবাজার এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী হেলাল উদ্দিন বলেন এ বিষয়টি আমি দেখবো যাতে তাড়াতাড়ি কাজ শেষ করে।
ব্রীজটির ইনচার্জ প্রকৌশলী সাইফুল ইসলাম বলেন বৃষ্টির কারণে কাজ করতে একটু সমস্যা হচ্ছে। আগামী ২/৩ মাসের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ করার জন্য বলে দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাবিবুল হাসান বলেন ব্রীজ নির্মাণে কেন ধীরগতি হচ্ছে তা সংশ্লিষ্টদের নিকট চিঠি পাঠানো হবে। আর অস্থায়ী নৌ-ঘাট টেন্ডারের ব্যাপারে আমি অবগত নই। তবে লিখিত অভিযোগ দিলে তা যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Top