সেভ দ্য রোডের সমাবেশে বক্তারা; শিক্ষার্থীদের ৯ সেভ দ্য রোডের ৭ দফা বাস্তবায়ন চাই

SAVE-THE-ROAD-A.jpg

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
সেভ দ্য রোডের সমাবেশে বক্তারা বলেছেন, দেশকে নিরাপদ, ৪ পথকে নিরাপদ করতে শিক্ষার্থীদের ৯ সেভ দ্য রোডের ৭ দফা বাস্তবায়ন চাই। তা না হলে সারাদেশে সাধারণ মানুষও রাজপথে নামতে বাধ্য হবে। কেননা, প্রতি বছর আমরা পথ দূর্ঘটনায় কমপক্ষে ৫ হাজার স্বজন-প্রিয়জন-একমাত্র অবলম্বন হারাচ্ছি। এই শোকাহত পথ আমরা চাই না, পথ হোক নিরাপদ। শিক্ষার্থীদের ঘাতক চালক-হেলপারের শাস্তি দ্রুত কার্যকর করার দাবীতে অনুষ্ঠিত সমাবেশ ও প্রতিবেদন পাঠায়োজনে বক্তারা উপরোক্ত কথা বলেন। ৩ আগস্ট সকাল ১০ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সেভ দ্যা রোড-এর চেয়ারম্যান জেড এম কামরুল আনামের সভাপতিত্বে প্রতিবেদন পাঠ করেন সেভ দ্যা রোড-এর মহাসচিব প্রিন্সিপাল শান্তা ফারজানা। সেভ দ্য রোড-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত কর্মসূচীতে অনলাইন প্রেস ইউনিটির ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদুল কবীর খান কিরন, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক আহমেদ আবু জাফর, সেভ দ্য রোড-এর ভাইস চেয়ারম্যান মনোয়ার হোসেন তৌফিক, সাংবাদিক আকাশ আহমেদ, ফেনী শাখার সহ-সভাপতি জসীম মাহমুদ, চাঁদপুর শাখার সভাপতি ইব্রাহিম খলিল প্রধান, ময়মনসিংহ সেভ দ্য রোড-এর সভাপতি মাসুদ রানা, আবু বকর রতন, ঢাকা মহানগর উত্তর সেভ দ্য রোড-এর সহ-সভাপতি কথাশিল্পী আফরোজা মুন্নী, মুন্সিগঞ্জ শাখার সহ-সভাপতি আউয়াল বেপারী, ভোলা শাখার সমন্বয়ক এম এ আকরাম, নারায়ণগঞ্জ শাখার মোমিনুল ইসলাম, মাহী প্রমুখ।

৪ পথ নিরাপদ করতে সেভ দ্য রোড-এর ৭ দফা ১. মিরেরসরাই ট্রাজেডিতে নিহতদের স্মরণে ১১ জুলাইকে ‘নিরাপদ পথ দিবস’ ঘোষণা করতে হবে। ২. ফুটপাত দখলমুক্ত করে যাত্রীদের চলাচলের সুবিধা দিতে হবে। ৩. সড়ক পথে ধর্ষণ-হয়রানি রোধে ফিটনেস বিহীন বাহন নিষিদ্ধ এবং কমপক্ষে অষ্টম শ্রেণি উত্তীর্ণ ও জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যতিত চালক-সহযোগি নিয়োগ ও হেলপারদ্বারা পরিবহন চালানো বন্ধে সংশ্লিষ্ট সকলকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। ৪. স্থল-নৌ-রেল ও আকাশ পথ দূর্ঘটনায় নিহতদের কমপক্ষে ১০ লাখ ও আহতদের ৩ লাখ টাকা ক্ষতি পূরণ সরকারীভাবে দিতে হবে। ৫. ‘ট্রান্সপোর্ট ওয়ার্কার্স রুল’ বাস্তবায়নের পাশাপাশি সত্যিকারের সম্মৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে ‘ট্রান্সপোর্ট পুলিশ ব্যাটালিয়ন’ বাস্তবায়ন করতে হবে। ৬. পথ দূর্ঘটনার তদন্ত ও সাজা ত্বরান্বিত করণের মধ্য দিয়ে সতর্কতা তৈরি করতে হবে এবং ট্রান্সপোর্ট পুলিশ ব্যাটালিয়ন গঠনের পূর্ব পর্যন্ত হাইওয়ে পুলিশ, নৌ পুলিশ সহ সংশ্লিষ্টদের আন্তরিকতা-সহমর্মিতা-সচেতনতার পাশাপাশি সকল পথের চালক-শ্রমিক ও যাত্রীদের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে। সকল পরিবহন চালকের লাইসেন্স করতে হবে। ৭. ইউলুপ বৃদ্ধি, পথ-সেতু সহ সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয়ে দূর্নীতি প্রতিরোধে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। যাতে ভাঙা পথ, ভাঙা সেতু আর ভাঙা কালভার্টের কারনে নতুন কোন প্রাণ দিতে না হয়।

Top