তুরস্কের কাপাডোকিয়া ঘুরে এসে — আশ্‌ফা খানম (হেলেন)

IMAG5412.jpg

———–
(চার)
আজ ইস্তাম্বুল থেকে স্বপ্নের কাপাডোকিয়ায় যাত্রার পালা । ইস্তাম্বুল সাবিহা আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে কাপাডোকিয়ার কায়সেরী বিমান বন্দরে মাত্র দেড় ঘন্টার মধ্যে (দুপুর ১২.৩০মিনিটে) আমরা পৌঁছলাম । কাপাডোকিয়া সেন্ট্রাল আনাতোলিয়ার একটি ঐতিহাসিক অঞ্চল যা নেভশেহির, কায়সেরী, কিরসেহির, আকসাবে এবং নিজভে শহর নিয়ে গঠিত । আমাদের গাইড ইনজি জানালেন আমরা নেভশেহির শহরে যাচ্ছি । আমরা কাপাডোকিয়ার অর্থ জানতে চাইলে সে জানালো এর অর্থ ‘Beautiful Horse’ বা ‘সুন্দর ঘোড়া’ । এখানে ‘সুন্দর ঘোড়া’ আছে এবং এদের দৌড় প্রতিযোগিতা হয় বিধায় এ নামকরণ । আজকে নেভশেহির পৌঁছে আমরা কি কি দেখবো এবং এদের ইতিহাস গাইড আমাদেরকে ব্রিফ করতে লাগলো । কাপাডোকিয়া ফেইরী চিমনী (Fairy Chimney), ইমাজিনেশন (Imagination Valley) পর্বত এবং আন্ডারগ্রাউন্ড সিটি’র জন্য প্রসিদ্ধ । ইউনেস্কো এগুলোকে বিশ্ব ঐতিহ্য বা ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ-এর অন্তর্ভুক্ত করে ।আমরা রাস্তার দু-পাশের চমৎকার দৃশ্য উপভোগ করতে লাগলাম । গাড়ী প্রায় ১১০-১২০ মাইল বেগে চলছে। রাস্তার দুই পাশে বার্লি, আঙুর, আলুবোখরা প্রভৃতি বাগান ও ক্ষেতের দৃশ্য পরিলক্ষিত হয় এবং ঘণ্টা খানিক যাত্রার পর দু’পাশে পাহাড়ের সমারোহ দৃষ্টিগোচর হয় । এডভোকেট রফিক ভাই গাড়ি থামিয়ে বার্লি ক্ষেতের পাশে ছবি তুলে নেন । ইনজি জানায় আমরা কাপাডোকিয়ায় নেভশেহির ঢুকে গেছি । যাত্রাকালীন সময়ে আমাদের অনেকে গান শুনতে চাইলে সে তুর্কী দেশাত্মবোধক গান বাজায় । কিছুক্ষণ পর আমরা বিদেশের মাটিতে বাংলায় দেশাত্মবোধক গান শুনে চমকে উঠি । মনে হচ্ছিল হ্রদয়ের গান বাজছে । আমরা বাংলাদেশী জেনে ইনজি আমাদের জন্য বাংলা গান সংগ্রহ করে । তার আন্তরিকতায় আমরা সত্যিই মুগ্ধ হই । সে সব সময় আমাদেরকে সন্তুষ্ট রাখার চেষ্টা করতো । আমাদের কারো কোন অসুবিধা হলে সে তা সমাধানে তৎপর ছিল । আজ আমাদের টিমের সদস্য জাহাঙ্গীর ভাইয়ের শরীর ভালো আছে । তাই তার মন-মেজাজও ফুরফুরে । আজ উনাকে কথা বলতে দেখে আমরা ও ইনজি খুব খুশি । এর পূর্বে ইনজি সব সময় তার অসুস্থতার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে সহানুভূতি দেখিয়েছিল । দুপুর প্রায় ২-৩টা বাজে আমরা সবাই ক্ষুধার্ত । আমাদেরকে কাপাডোকিয়ার এভানোস এর লোকাল রেস্টুরেন্টে লাঞ্চ এর জন্য নিয়ে আসা হয় । রেস্টুরেন্টটি প্রকৃতপক্ষে একটি বাড়ি । নীচতলা রেস্টুরেন্ট এবং উপরের তলায় থাকবার ঘর । প্রাচীনত্যের ধারক এ-প্রতিষ্ঠানটি মূলত পরিবারের সদস্যরা সকলে এই রেস্টুরেন্ট ব্যবসার সাথে জড়িত এবং তা পরিচালনা করে । এটি দেখতে একটি গুদাম ঘরের মতো । কিন্তু ভিতরে তুরষ্কের ঐতিহ্যবাহী হাতের কাজের ফার্ণিচার, কার্পেট ও সিরামিকের জিনিস দিয়ে সাজানো । ঢুকতেই টুরিষ্টদের জন্য দোকান। তাদের ঐতিহ্যবাহী সামগ্রী দিয়ে সাজানো । এর মধ্যে হাতে বানানো ব্যাগ, র্স্কাফ, সিরামিক বা পোরাসালিনের তৈরী সামগ্রী, সুভিনিয়র প্রভৃতি আকর্ষণীয় দ্রব্যাদি উল্লেখযোগ্য । বিশাল ডাইনিং হল, পর্যাপ্ত বাথরুম আর বসার জায়গাও আছে । আবার পরিবার নিয়ে বসবার জন্য আলাদা রুমও রয়েছে। আমরা সে রকম একটি রুমে বসি। এখানেও মেইন ডিস এর অর্ডার নিয়ে প্রথমেই আমাদেরকে স্যুপ পরিবেশন করে। সাথে রোল জাতীয় খাবার । একটু সবুজাভ স্যুপটি দারুন সুস্বাদু ছিল। সম্ভবত বার্লির স্যুপ ছিল। আমরা সবাই এ কয়দিন চিকেন খেতে খেতে বিরক্ত হয়ে গেছি। তাই সবাই মিট অর্ডার দিই। এর পরই মেইন ডিশ সার্ভ করা হয় । ছোট ছোট টুকরো গরুর গোশতকে ঝোল দিয়ে রান্না করা হয়েছে। এর সাথে আমাদের বিন্নি ভাতের মতো আঠালো ভাত (Sticky Rice) আর তাদের ঐতিহ্যবাহী সালাদ, টমেটো চাটনি, Smashed potato ও সাথে বিশাল বিশাল নান তো আছেই । খাওয়ার পর বাখলাবা ডেজার্ট হিসেবে দেয়া হয় । তুর্কী রীতি অনুসারে ‘তুর্কী টি’ দিয়ে লাঞ্চের পরিসমাপ্তি হয় । আমরা তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলে তাদের চারপাশে ঘোরাঘুরি করে দেখি । পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রান্নাঘর । রান্না ঘরে যারা কাজ করছে সবার মাথা ও হাত ঢাকা এবং পরিস্কার পরিচ্ছন্ন পোশাক পরিহিত । খাবার শেষে সেখান থেকে আমরা ছুটে চললাম নেভশেহর শহরের দিকে। সেখানে আছে Devent Valley । এগুলোকে ইমাজিনেশন পর্বতও বলে। কারণ পর্বতগুলোর আকৃতি এমন যে, যে যার মনের কল্পনা মিশিয়ে এগুলোকে যে কোন আকৃতির মনে করতে পারে। গাড়ী পর্বতগুলোর কাছে থামল। আশ্চার্যজনক হলেও সত্যি এসব ছোট ছোট পর্বতের কোনটা দেখতে মাশরুমের মতো, কোনটা বসে থাকা উটের মতো, কোনটা আবার গাছের মতো মনে হচ্ছিল। সেখানে দোকানগুলোতে তারা তাদের হস্তশিল্পের পসরা সাজিয়ে রেখেছে । আমরা কিছু কেনাকাটা করে, ঘোরাঘুরি করেও ছবি তুলে ছুটে চললাম ‘ফেইরি চিমনী’ দেখতে । এটি নিকটে অবস্থিত । লোকগাঁথা হিসেবে এই সব পর্বতে পূর্বে পরীদের বসবাস নিয়ে বিভিন্ন গল্প চালু আছে বিধায় এদেরকে ‘ফেইরি চিমনী’ বলা হয়। ফেইরী চিমনী এক স্বপ্নীল জগতের মতো। পাথরের উঁচু নীচু বিভিন্ন আকৃতির পাহাড়গুলো চমৎকার নৈসর্গিক দৃশ্যের সৃষ্টি করে। আবার সূর্যডোবার সাথে সাথে পাথুরে পাহাড়ের রং পরিবর্তনও এক চমৎকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অবতারনা করে। জানা যায় মিলিয়ন মিলিয়ন বছর পূর্বে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে পুরো কাপাডোকিয়া পুরু (মোটা) ছাইয়ের ভস্মে আবৃত হয়ে যায়। যা পরে শক্ত হয়ে জমাট বাঁধে এবং লাভার কঠিন অংশ নীচের দিকে জমে গিয়ে কঠিন পাথর এবং নরম অংশ উপরের দিকে জমা হয়ে নরম পাথর সৃষ্টি করে, যাকে ট্যাফ্‌ (Tuff) বলা হয়। বছরের পর বছর ঝড় বৃষ্টি বাতাসে এই নরম পাথরের উপরের অংশ ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে আজকের এই ‘ফেইরি চিমনী’-এর সৃষ্টি হয়। যাদের উচ্চতা প্রায় ১৩০ ফুটের মতো। মানুষের বুদ্ধিমত্তাও এই পর্বতগুলোকে যাদুকরী ছোঁয়া দেয়। রোমানদের সাম্রাজ্যকালে তৎকালীন খ্রীষ্টানরা পালিয়ে গিয়ে আত্মরক্ষার্থে এই সব পাথুরে পর্বতে আশ্রয় নেয় । তারা খুব দ্রুত আবিস্কার করল যে এই পাথুরে পাহাড়গুলোর ট্যাফ্‌ (Tuff) গুলো খুবই উপকারী । ফলে তারা এগুলোকে (পর্বত)বসবাসের উপযোগী করার জন্য পর্বতের নরম অংশে গুহা ও নিত্য ব্যবহার্য জিনিসপত্র, তাদের প্রার্থনা ঘর, পশু-পালনের ঘর, গুদাম ঘর ইত্যাদি তৈরী করে । আজকেও এই সব গুহাতে পূর্বে বসবাসকৃত মানুষের ছাপ পাওয়া যায় । এগুলোকে মৌমাছির চাকের ঘরগুলোর সাথে তুলনা করা যায় । গুহাগুলোর ভেতরে কোথাও কোথাও কালো কালির দেয়াল দেখে এটি যে রান্নার ঘর ছিল তার প্রমাণ মেলে। বুঝা যায় দেয়ালে বিভিন্ন ছিদ্রগুলো বাতাস চলাচলের জন্য করা হয়েছিল । পুরো কাপাডোকিয়া জুড়ে এই ধরণের প্রচুর পর্বত দেখতে পাওয়া যায় । যার গুহাগুলোকে বর্তমানে বুটিক, হোটেলে পরিণত করা হয়েছে। গুহাগুলোর ভেতরে গরমে ঠান্ডা এবং শীতে গরম রাখার ব্যবস্থা আাছে। শুধু তাই নয় হোটেল কক্ষ থেকে কাপাডোকিয়ার মনোরম দৃশ্যও উপভোগ করা যায়। কাপাডোকিয়ার ঐতিহাসিক সিল্ক রোড বানিজ্যিক রুট হিসাবে ব্যবহৃত হতো। শতাব্দীর পর শতাব্দী এই জায়গা হিথিস জাতি, তারপর পার্সিয়ানরা, আলেকজান্ডার দ্যা গ্রেট, রোমানরা, এরপর বাইজেন্টাইনরা এবং অটোম্যানরা নিজেদের বলে দাবী করে । বর্তমানে কাপাডোকিয়ার এই অপূর্ব পাথুরে পর্বতের এলাকা এবং গরিমি ন্যাশনাল পার্ককে ইউনেস্কো পৃথিবীর সবচেয়ে অভিনব এবং বড় গুহার কমপ্লেক্স হিসেবে ঘোষনা দেয়। এই ‘ফেইরী চিমনী’গুলো এক সময় প্রকৃতির সৃষ্ট আশ্চর্যজনক মিরাকেল ছিল। কিন্ত সময়ের আর্বতে মানুষ এই মিরেকেল গুলোকে তাদের বসবাসের স্থান বানিয়ে নেয় এবং নিজেদের করে ফেলে। এভাবে এক সময়ের রিফুজিদের আশ্রয়স্থল আজকের পর্যটকদের জন্য হট এয়ার বেলুন (Hot Air Balloon)-এ চড়ে এর অপূর্ব দৃশ্য অবলোকন করার আকর্ষনীয় কেন্দ্র বিন্দুতে পরিণত হয়েছে। আামার স্বামী তুরস্কে আসার পূর্বে থেকেই এই বেলুনে চড়ার অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য তীব্র আকাঙ্ক্ষা পোষণ করেন এবং এখানে এসে এই স্থান সম্পর্কে জানতে পেরে সাথে সাথেই ইনজির মাধ্যমে পরের দিন বেলুনে চড়বার প্রোগ্রাম তৈরী করে ফেলেন। ইনজিও তার সাথীদের বাসনা পূরণ করার জন্য সদা তৎপর। সে বেলুন কোম্পানীর সাথে যোগাযোগ করে আমাদের সাথীদের আরো ৩জন সহ মোট ৪ জনের পরদিন ভোরে নতুন অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ দিয়ে (জনপ্রতি ২০০ ডলার) বুকিং দিয়ে ফেলে । অতঃপর আমরা পিজিয়ান ভ্যালী (PIGEON VALLEY) তে যাই । সেখানে প্রচুর কবুতর দেখেছি। কবুতরকে খাওয়াবার জন্য সেখানে তাদের খাদ্যসামগ্রীও কিনতে পাওয়া যায়। আবার নব দম্পতিকেও সেখানে ছবি তুলতে দেখেছি। কারণ – এ ছবি তোলা সেখানকার নবদম্পতিদের স্বপ্ন। এছাড়াও সেখানে তাদের হাতে বানানো বিভিন্ন সামগ্রী পাওয়া যায়। কিন্তু সেগুলোর দাম খুব বেশী। অতঃপর সেখান থেকে আমাদেরকে তাদের হাতে বানানো ঐতিহ্যবাহী কার্পেট ফ্যাক্টরীতে নিয়ে যাওয়া হয় । সেখানে আমাদেরকে অভ্যর্থনা জানানো হয়। তারা কিভাবে সুতো তৈরী করে, হাতে কার্পেট বানায় এবং হাতে বানানো কার্পেটগুলো কেন মেশিনে বানানো কার্পেট থেকে উন্নত তা বুঝিয়ে বলেন এবং আমাদেরকে বাস্তবে দেখান। দেখলাম প্রতিটি বুননের সময় তারা গিঁট দেয় যার ফলে এর বুননী খুব মজবুত হয়, কিন্তু মেশিনে বানানো কার্পেটেগুলোর একটি সুতার বাঁধন খুলে গেলে তা দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। যেহেতু হাতে বানানো কার্পেট গুলো মজবুত ও বাননো সময় সাপেক্ষ তাই এর দামও খুব চড়া। জ্যামিতিক ডিজাইনের কার্পেটগুলোর দাম তুলনামূলক ভাবে কম হয় কিন্তু অন্যান্য ডিজাইনগুলোর দাম চড়া। আমরা জায়নামজের সমান একটি কার্পেট কিনতে চাইলে তার মূল্য ১৫০ ডলার হাঁকায়। এটা ছিল সর্বনিম্ন মূল্যের । অতঃপর সেখান থেকে আমরা হোটেলর দিকে যাত্রা করি। তখন প্রায় বিকাল ৫টা। উল্লেখ্য কাপাডোকিয়ায় যেখানে গিয়েছি সেখানে আলুবোখরা গাছ দেখেছি। আর গাছ গুলো আলু বোখরায় ভর্তি। গাছের নিচেও টসটসে কমলা রং এর আলুবোখরা ঝরে পড়ে থাকবে দেখেছি। পাখিরা সেগুলো খাচ্ছিল। আমরাও মাটিতে পড়ে থাকা আলুবোখরা সংগ্রহ করে খাই। জীবনে এই প্রথম আলুবোখরা গাছ ও ফল দেখতে পেয়ে আমরা সবাই বিমোহিত হই । তুর্কীরা যেমন বিমোহিত হয় আমাদের আম আর লিচু দেখে । অতঃপর আমাদেরকে হোটেলে নামিয়ে দেয়া হয় এবং পরের দিন ভোরে হট এয়ার বেলুনে চড়বার জন্য ভোর ৪টা বাজে গাড়ী নিতে আসবার কথা গাইড জানায় । আর পরের দিনের সিডিউলও জানিয়ে দেয়। তা হলো দেড় ঘন্টা হাইকিং এবং Riverside Lunch, underground city visit, Jewellery ও তাদের pottery শিল্প কর্ম পরিদর্শন । পাহাড়ের গা ঘেষে চমৎকার চার তারকা হোটেল । হোটেলের রুমগুলো চমৎকার। এতক্ষনে ডিনারের সময় হয়ে গেছে। আমরা ফ্রেশ হয়ে দ্রুত নেমে পড়ি। কারণ রাত ১০টার মধ্যে ডিনার ক্লোজ করে দেওয়া হবে। নানা পদের খাবারের পসরা সাজানো। বিভিন্ন দেশের ট্যুরিস্টদের রুচি মাথায় রেখে তারা নানা রকম খাবারের ব্যবস্থা রেখেছে। ডিনারের পর নানরকম ফলফ্রুট এবং ডের্জাট এর ব্যবস্থাও আছে । আমার শিশু সন্তান রিয়াদ সুইমিং পুলে কিছুক্ষণ সাঁতরিয়ে আসলো । আমরা নানা রকম নতুন স্বাদের খাবার পরখ করে দেখতে লাগলাম এবং অবশেষে ডিনার শেষ করে প্রথম দিনের মতো কাপাডোকিয়া কাটালাম। ভোরে ফজরের নামাজ সেরেই পরের দিন বেলুন ট্যুরের জন্য আমাদের ৪ জন অপেক্ষা করতে থাকে। কিন্ত ঘন্টাখানেক পর খরব আসে আবহাওয়া খারাপ থাকায় বেলুন ট্যুর আজকের মত ক্যান্সেল করা হয়েছে। আবার পরদিন আবহাওয়া ভালো থাকলে বেলুন ট্যুর হবে। সবাই খুব মন খারাপ করে পরদিন বেলুন ট্যুর হবার আশায় বুক বেঁধে রুমে ফিরে আসে। উল্লেখ্য কাপডোকিয়ায় আসার পর থেকে আমরা মাঝে মধ্যে বৃষ্টির দেখা পেয়েছি।
লেখকঃ প্রিন্সিপ্যাল, চট্টগ্রাম ভিক্টোরী ন্যাশনাল স্কুল- সিভিএনএস এবং কলামিস্ট ও নারী উন্নয়নকর্মী।

Top