রসিকের নাচনিয়ায় অপরিকল্পিত বালু উত্তোলনে শতাধিক পরিবার হুমকির মুখে

37928893_527451354339316_1253700502730833920_n.jpg

সিয়াম প্রধান, রংপুর;
জৈব সার উৎপাদন কেন্দ্রকে কেন্দ্র করে বালু উত্তোলন চলছে, এতে করে প্রায় ২৭০টি পরিবার ঝুকির মধ্যে অবস্থান করছে। সরে জমিনে গিয়ে দেখা গেছে ৩০ নং ওয়ার্ডের বীর ভদ্র নাচনিয়া গ্রামে জৈবসার উৎপাদন কেন্দ্রে চলছে মেরামতের কাজ উক্ত কাজের জন্য ব্যাপক হারে বালুর প্রয়োজন হওয়ায় তারা পাশের খাল থেকে বালু উত্তোলন করছে এতে করে আসে পাশে থাকা প্রায় ২৭০টি পরিবার একটি স্থাপিত রোটারি স্কুল ও একটি মসজিদ ঝুকির মধ্যে রয়েছে।দীর্ঘদিন থেকে বালু উত্তোলনের ফলে সেখানে প্রায়১২০ফিট এর বেশি গভীরতা হওয়ায় প্রতিদিনে আসে পাশের বসত বাড়িতে দেখা দিচ্ছে ভাঙ্গন, এ অবস্থায় যদি রানা প্লাজার মতো ঘটে তবে এর দায়িত্ব কে নেবে। বালু উত্তোলনের ফলে ক্ষতিগ্রস্থ বস্তিবাসির সঙ্গে কথা বলে জানা যায়,সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা ও অত্র ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আরজু তাদের নিযুক্ত ঠিকাদার কতৃক এখান থেকে বালু উত্তোলন করা নিদ্দেশ প্রদান করেন। এতে করে কোন সমস্য দেখা দিলে তাৎক্ষনিক ভাবে কাজ বন্ধ করে দেয়া হবে এবং প্রয়োজনী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে আশ^াস দেন। তাদের কথার ভিত্তিতে এখানে কাজ চলছে । তবে এই বালু উত্তোলনের কারনে বাড়ির আসে পাশের মাটি ধ্বসে যাচ্ছে এতে করে আসে পাশের সবাই ঝুকির মধ্যে পড়ে যাচ্ছে। সকলের একই চিন্তা এখন রাত্রে ঘুমাতে পারছে না কখন যে বাড়ি-ঘর সহ খালের পানিতে ধ্বসে পড়ে। এ ব্যপারে কাজের ম্যানেজার জব্বার বলেন আমাদের খাল হতে বালু উত্তোলনের জন্য বলা হয়েছে আমরা তুলছি এ কাজের ঠিকাদার জুম্মাপাড়ার ফল বাবু, বাড়ি-ঘরের ঝুকির কথা জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন হে বাড়ি-ঘর গুলো ঝুকির মধ্যে রয়েছে, কাজ বন্ধের কথা জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন এটা ঠিকাদার না বললে কেমন করে বন্ধ করি। লেবার জব্বার বলেন আমাদের কাজ করতে বলা হয়েছে আমরা করতেছি যদিও এতে সকলের ক্ষতি হচ্ছে। এলাকাবাসী সামসুন্নাহার বলেন আমরা গরিব তাই আমাদের দেখার কেউ নাই রাত্রে ঘুমাতে পারি না কখন যে ঘর ভেঙ্গে যায় সে ভয়ে আপনারা একটা কিছু করেন যাতে আমরা অনÍত্ব রাত্রে নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারি। আইয়ুব নামে একজন বলেন মেয়র সাহেবের কথায় কাজ হচ্ছে কিন্তু আমরা খুব বিপদে আছি যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে । এছাড়াও সকলের একই কথা আমরা সকলে ভয়ের মধ্যে আছি যে কোন সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে এ ব্যপারে সরকারের সহযোগীতা কামনা করছি। এ ব্যপারে ৩০নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আরজু জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন মেয়র সাহেব সহ আমি গিয়ে আশ^াস দেয়াতে কাজ হচ্ছে কোন সমস্যা হলে তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা নেয়ার আশ^াস দিয়েছি এবং আমি সব সময় দেখা শুনা করতেছি, সমস্যার ঝুকির কথা বলা হলে তিনি বলেন সমস্য তো কিছুটা হবেই দেখি মেয়র সাহেবকে বলে অন্য কোথাও হতে বালু আনা যায় নাকি। এ ব্যপারে মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন হে আমি ওখান থেকে বালু তুলতে বলেছি তাদের আশ^াস দিয়েছি যদি কোন সমস্যা দেখা দেয় কাজ তাৎক্ষনিক বন্ধ করে দিব এবং ক্ষতির পরিমান অনুযায়ী ক্ষতিপূরন দিব। এলাকাবাসীর দাবী অনুযায়ী বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে অনতি বিলম্বে বালু উত্তোলন বন্ধ করে গভির খালটি ভরাট করতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহন করবে সিটি মেয়র এই প্রত্যশা সবার।

Top