কক্সবাজারে ছাত্রলীগ নেতা ও স্কুল ছাত্রের ওপর সন্ত্রাসী হামলা। সদর হাসপাতালে ভর্তি।

Untitled-4.jpg

দিদারুল জিসান,কক্সবাজার:

কক্সবাজার সদর ঝিলংজা ইউনিয়নের খরুলিয়া বাজারে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও এক স্কুল ছাত্রের উপর সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে জাহাঙ্গীর বাহিনীর সদস্যরা। জানা গেছে, ঝিলংজা ইউনিয়নের পূর্ব মুক্তারকুল এলাকার মুফিজুর রহমান এর ছেলে ছাত্রলীগ নেতা রায়হান উদ্দিন (২২) একই এলাকার কক্সবাজার জেলা মটর চালক লীগের সভাপতি দিদারুল আলম দিদার এর ছেলে দেলোয়ার হাসনাত শিপন আহত বিকটিম রায়হানের বরাত দিয়ে জানা যায়, দুই জন অদ্য ১৩ জুলাই ২০১৮ ইং তারিখ সন্ধ্যা আনুমানিক ৭.০০ ঘটিকার সময় মোটর সাইকেল যোগে রামু থেকে কক্সবাজার যাওয়ার পথে খরুলিয়া বাজার আসলে হঠাৎ ১০-১২ জন ছেলে পাশের দোকান থেকে বের হয়ে প্রথমে তাদের মোটর সাইকেলটি লাঠিসোটা দিয়ে ভেঙ্গে দুমড়ে-মুচড়ে দেয়। পরে তাদের দুইজনকে উল্লেখিত ১০-১২ জন মিলে ব্যাপকভাবে মারধর করে। আহত শিপনের অবস্থা আশংকাজনক। তার মুখে, হাতে, পায়ে ব্যাপক ভাবে মারধর করা হয়েছে। রায়হনের অবস্থাও ভাল নয়। একইভাবে তাকেও শরীরের সমস্ত জায়গায় ব্যাপকভাবে আঘাত করা হয়েছে।
আহত বিকটিমরা আরও জানান, হামলাকারীর একজন হচ্ছে, খরুলিয়ার মৃত জুলফিকার মাষ্টারের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম অন্য একজন একই এলকার ভূট্টো। বাকী লোকেরা সবাই এলাকার। তাদেরকে চেহারা দেখলে শনাক্ত করা যাবে বলে বিকটিমরা জানান। আহত দুইজন বর্তমানে সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক খরুলিয়া এলাকার এক গাড়ী চালক জানান, শিপন ও রায়হান রামু থেকে খরুলিয়া যাওয়ার পথে হঠাৎ একটি টমটম তাদের সামনে চলে আসে। মোটর বাইকটি থামিয়ে দেয়। উভয় পক্ষের মধ্যে কারও গাড়ী এবং কোন হতাহত হয়নি। হঠাৎ জাহাঙ্গীর ও তার লোকেরা এসে ব্যাপকভাবে এলোপাতাড়ী লাঠি দিয়ে মারধার শুরু করে। ঘটনাস্থলে শিপন ও রায়হান আহত হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা তাদেরকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করার জন্য নিয়ে যায়। এদিকে জাহাঙ্গীর ও তার লোকেরা প্রকাশ্যে কেন এভাবে দুই মোটর বাইক আরোহীকে ব্যাপকভাবে মারধর করেছে সে বিষয়ে তার বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলে বার বার ফোন করার চেষ্টা করা হলেও ফোন রিসিভ না করার কারণে বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। ভিকটিমের পিতার বরাত দিয়ে জানা যায়, তাদের এক ছেলে দেলোয়ার হাসনাত শিপন কক্সবাজার মডেল কেজি স্কুলে পড়ালেখা অবস্থায় রয়েছে। আহত রায়হান খরুলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রলীগের সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছে এবং বর্তমানে সদর উপজেলায় ছাত্রলীগের দায়িত্বরত আছেন। অন্য একজনও পড়ালেখা অবস্থায় রয়েছে বলে জানান। তাদের দুই ছেলেদের সাথে জাহাঙ্গীর ও অন্যান্য লোকদের সহিত কোন ধরনের দেনা-পাওনা বা মৌখিক শত্রুতামী থাকতে পারেনা এবং নেই। উল্লেখিত সন্ত্রাসী বাহিনীরা কেন তাদের ছেলেদেরকে এইভাবে মেরে আঘাত করেছে। তারা তাদের ছেলেদের যারা এভাবে মেরে আঘাত করেছে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবী জানিয়েছেন।

Top