ঈদগাঁওতে ২১ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মিত সুইচ গেইটটি এখন অভিশাপ, পাড় ভেঙ্গে প্রায় ১০ একর জমি চাষাবাদ অনিশ্চিত।

received_2125445551066208.jpeg

মোঃমিছবাহ উদ্দিন, ঈদগাঁও:

কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁও চাঁন্দেরঘোনা দিয়ে বয়ে যাওয়া খালের উপর পাউবোর ২১ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ২০০৪/৫ সালে নির্মিত সুইচ গেইটটি এখন অভিশাপ। স্থানীয়দের অভিযোগ অপরিকল্পিতভাবে সুইচ গেইট স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণ এর অভাবে খালের পাড় ভেঙ্গে জমির উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে পাণি। ফলে চাষাবাদের জমি নদীগর্ভে বিলিন হওয়ার পাশাপাশি প্রায় ১০ একর জমি চাষাবাদ করতে পারছে না কৃষকরা। তাছাড়াও খালের পাণি জমিদিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় খালের পাড় দিয়ে যাওয়া রাস্থাটি প্রায় বিলিন হওয়ার পথে পাশাপাশি অপর রাস্তাটি ভেঙ্গে কালবাট ব্রীজটি তলিয়ে গেছে। প্রায় ১০০ টি পরিবার নিয়ে গঠিত কোনাপাড়া এলাকার মানুষ যেন সীট মহলে বাসকরছে! যাতায়াত ব্যবস্তা না থাকায় যান ও জন চলাচলে চরম ভোগান্তিসহ সমস্ত নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এ এলাকার বাসিন্দারা। কয়েক বছর ধরে এ অবস্তায় পড়ে থাকার পরেও জনপ্রতিনিধি কিংবা সংশ্লিষ্টদের কোন উদ্যোগ না দেখায় চরম হতশায় ভোগছেন এলাবাসী। এমন করুণদশা থেকে মুক্তি পেতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের জন্যে জোর দাবী জানিয়েছেন সচেতন মহল।

স্থানীয় এক কলেজ পড়ুয়া ছাত্র মোঃ ইসমাইল হোসেন ক্ষুব্দ হয়ে বলেন বাংলাদেশ উন্নয়নের মহাসড়কে কথাটি মানতেও কষ্ট হচ্ছে! ১০০ বছর ধরে বসবাসকৃত এলাকার রাস্তাঘাটের এমন অবস্থা দেখে। এটাকি জনপ্রতিনিধিদের অযোগ্যতা নাকি সরকারের ব্যর্থতা প্রশ্নটা থেকে যাচ্ছে বার বার। না হয় কয়েক বছর ধরে রাস্তাগুলো এ অবস্তায় পড়ে থাকার পরেও সংস্কার হচ্ছে না কেন? বর্ষার মৌসুমে স্কুল-মাদ্রাসা, কলেজে যাওয়ার পরিবেশও থাকে না বন্যার কারণে।

স্থানীয় জমির মালিক শহিদুল হক বলেন তৎকালীন মেম্বারের ভুল সিদ্ধান্তই আজকের রাস্থাঘাট ও জমি চাষাবাদ করতে না পারার অন্যতম কারণ। সুইস গেইটটি যদি পূর্বে গোধা নির্মাণের জয়গাই স্থাপন করা হত তাহলে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হত না। এখন সুইস গেইটটি সরাতে হবে না হয় ভেঙ্গে ফেলতে হবে অন্যতায় সমস্যা সমাধান হবে না।

স্থানীয় ব্যবসায়ী জয়নাল আবদীন বলেন অনেক দিনের পুরাতন রাস্থাগুলো সংস্কারের অভাবে গাড়ি চলাচলের অযোগ্য হওয়ায় কেনাকাটা করে দোকানে নিয়ে আসা যাচ্ছে না আগের মত! ফলে ব্যবসাটাও তেমন হচ্ছে না।

এ ব্যাপারে ঈদগাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছৈয়দ আলমে মুঠোফোনে সংযোগ না পাওয়ায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

কক্সবাজার পাণি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সবিবুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন এ বিষয় আমরা অবগত ছিলাম না তবে অল্প সময়ের মধ্যে প্রতিনিধি দল পাঠানো হবে এবং তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Top