পায়ে হেটে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়ায় গোপালগঞ্জের মুন্না

received_1016246678557327.jpeg

মুঃ আবু নঈম,পঞ্চগড় প্রতিনিধি:
মানুষকে হাটতে উদ্বুদ্ধ করতে দেশের সর্বদক্ষিণের টেকনাফ থেকে পায়ে হেটে সর্বউত্তরের তেঁতুলিয়া আসলেন তাম্মাত বিল খয়ের (মুন্না)।
মুন্না গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া থানার কাকডাঙ্গা গ্রামের নিয়ামত আলী শিকদারের ছেলে। সে চট্টগ্রাম সিটি কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের গণিত বিভাগের ছাত্র।

গত ১৮ জুন সকাল পৌনে ১০টায় মুন্না টেকনাফের শাহ পরীর দ্বীপ থেকে পায়ে হেটে যাত্রা শুরু করে সর্বউত্তরের তেঁতুলিয়ার উদ্দেশ্যে। দীর্ঘ ২৩ দিন পর আজ ১০ জুলাই (মঙ্গলবার) তেঁতুলিয়ায় এসে পৌছে সে।
মুন্না জানায়, লেখা-পড়ার পাশাপাশি ম্যারাথন ও সাইকেল চালিয়ে ভ্রমন করেন মাঝে মধ্যেই। এর আগে ২০১৭ সালে মাত্র ২৫ দিনে সাইকেল চালিয়ে বাংলাদেশের ৬৪ জেলা ভ্রমন করেছে সে। এবছর বেড়িয়েছিলো টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত ১০০০ কিলোমিটার রাস্তা পায়ে হেটে ভ্রমন করার উদ্দেশ্যে। আজ দীর্ঘ ১০০০ কিলোমিটার রাস্তা পায়ে হেটে গন্তব্যে পৌছে তাম্মাত বিল খয়ের (মুন্না)।

স্কুল, কোচিংসহ যে কোন কাজে তারা বিভিন্ন যানবাহন ব্যবহার করে থাকে। শারিরিক সুস্থতার জন্য প্রতিটি মানুষের নিয়মিত হাটা প্রয়োজন। হাটাহাটিতে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতেই তার এই উদ্যোগ।

সে আরো জানায়, মা’র কাছে গল্প শুনেছেন তার নানা খলিলুর রহমান খান ১৯৭১ সালে স্বাধিনতা যুদ্ধের সময় ঢাকার সদর ঘাট থেকে পায়ে হেটে ৫দিনে গোপালগঞ্জে পৌঁছে ছিলেন। মা’র মুখে গল্প শুনেই তিনি পায়ে হেটে দীর্ঘ পথ পাড়ি দেয়ার চিন্তা ভাবনা করেন। আর এই চিন্তা চেতনা থেকেই গত ১৮ জুন সকাল পৌনে ১০টায় তিনি টেকনাফের শাহ পরীর দ্বীপ থেকে পায়ে হেটে যাত্রা শুরু করে আর ২৩ দিন শেষে আজ পৌঁছে তেঁতুলিয়ায়। তেঁতুলিয়া রাত্রিযাপন করে সকালে বাংলাবান্ধার উদ্দেশ্যে রওনা হবেন এবং সেখানেই তার হেটে পথ চলা সমাপ্ত করবেন।

Top