হলের খাবার মানসম্মত হওয়া চাই

36817634_1932360063723034_2885240170527850496_n.jpg

মাসুম সরকার অালভী
ইসলামী বিশ্ববিদ্যলয়,কুষ্টিয়া :

শিক্ষা হলো জাতির মেরুদন্ড।তাই বলা চলে ছাত্র হলো জাতির ভিত্তি। আর ভিত্তিকে মজবুত করতে হলে ঘরে বসে আদো সম্ভব বলে আমার মনে হয় না। তাই ছাত্রকে দেশ থেকে দেশান্তরে ছুটে বেড়াতে হয়। আর অবস্থান করতে হয় বিশ্বদ্যালয়ের হলে । তখনই একজন ছাত্র পরিপূর্ণতা পায়।যখন সে হলে অবস্থান করে।হল তো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ । কারণ বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে সকল শ্রেণি, ধর্ম,ও ভাষার ছাত্র থাকে। যার ফলশুতিতে একজন ছাত্র বিভিন্ন সংস্কৃতি, ভাষার সাথে পরিচিতি লাভ করে।নিজেকে বিকশিক করার হাজার অনুপ্রররেণা পায়।বড় ভাইদের কাছ থেকে অনেক অজানা কিছু জানা বুঝা যা অন্য কোথাও হয়ে ওঠেনা। সব সুবিধা আমরা হলে থেকে পাই,তবে হলের খাবার কতটা সাস্থ্য সম্মত সেটা দেখার বিষয়। জাতির মেরুদন্ড শক্তিশালী করতে তাদের বাসস্থান খাবার চিকিৎসা হওয়া চাই রুচিশীল। তবে আজকাল সম্পূর্ণ বিপরীত চলছে।প্রত্যুষে পড়াশোনা শেষ। ডাইনিংগে গিয়ে দেখি, চিরচেনা তেলবিহীন হলদে খিচুরি। আর এক ডিম বলে হাফ ডিম চালিয়ে দেয়া। সারাদিন ক্লাস করে ক্লান্তশান্ত শরীর। দ্বিপ্রহরে খিদে থাকলে ও খাবার তেমন ইচ্ছে হয় না। কারণ হলের লাইন দেখলে পেটের ভাত চাল হওয়ার উপক্রম। তরকারি হাতে আসার পর দেখি এক সমুদ্রজলে ডিম,মাছ,মুরগি। আর ভাতের কথাত বলা যাবে না। কিছু বলেই বলে বসে, দেখেন চালের দাম ৬০ টাকা । চোখ বন্ধ করে খেয়ে চলে আসা ছাড়া কোন উপায় নেই। বিকেলে টিউশনি আর কত শত কাজ। সন্ধ্যায় হলে এসে অানমনা। খানিকটা পড়াশোনা করে রাতের খাবার। রাতের সবজি, এটা যেন সিদ্ধ আলু,বেগুন,পুঁই শাক।এই যদি হয় হলের খাবারের অবস্থা। একজনের প্রতিদিন যে পরিমাণ পুষ্টকর খাবার গ্রহন করা প্রয়োজন। এই খাবারে সেই উপাদান আছে বলে আমার মনে হয় না। এবাবে চলতে থাকলে জাতির মেরুদন্ড বেকে বসবে। জাতি গড়ার কারিগড়রা নীরবে ধ্বংস হবে। আমরা এ বিষয়ে কি আদো বোধগম্য নই। হলের খাবার সাস্থ্যসম্মত ও রুচিশীল হওয়া চাই।কারণ সুস্থদেহ, সুস্থমন একটি সুন্দর জাতি উপহার দিতে পারে। এ জন্য কর্তৃপক্ষের সজাগ দৃষ্টি রাখা উচিত।

Top