মনের ক্ষুধায় কবি যারা

received_1883304611765202.jpeg

তাওহিদুল ইসলাম:

কল্পনার কাব্যিকতা,আর বালুর চরে প্রসাদ গড়িয়া সমুদ্র বিলাস করা ভিন্ন কিছুই নহে!তাহা সত্ত্বেও কবিদের কল্পরাজ্যেই বিচরণ বেশি।কল্পরাজ্যের রাজ কাহিনী,অপ্সরী,কল্প-বিচারণী,স্বপ্নিল পৃথিবী,আনমনা আনকোরা স্বপ্নবাজ এসব তাহাদেরই মস্তিষ্ক গলিয়া নিঃসরিত হওয়া কয়েকটা ম্যাগনেট মাত্র!যাহার সদ্য বয়ঃসন্ধিতে পা রাখা বাছাদের আকৃষ্ট করিতেও বিন্দুমাত্র অসুবিধে হয় বলিয়া আমার মনে হয় না।

কবিরা প্রেম শুরু করিয়া থাকেন প্রকৃতি দিয়ে,আর তাহা পূর্ণতা পায় কোনো ললনার চলনকালে পশ্চাৎপদের তরঙ্গ বিশ্লেষণ করিয়া!অতঃপর এলোকেশীর গুণকীর্তন বাড়িতে থাকে,বাড়িতে থাকে।হয় বক্ষ না হয় ওষ্ঠ,না হয় লোচন তাহাকে আকৃষ্ট করিয়া বাতুলতা প্রদর্শনে বাধ্য করিয়াছে বলিয়া চালাইয়া দেওয়ার পক্ষে একেবারেই অষ্ট-লম্বা নহে বলিলেই চলে।তাই আমার মাঝে-মধ্যে মনে হয় কবিরা-ই প্রেম আনিয়াছে।ইহা তাহাদেরই সৃষ্টি!

ইহার একটা ভাল দিকও আছে।কবিরা স্বপ্ন দেখিয়া অন্য কাউকে স্বপ্ন দেখাইতেও পারেন।আর তাহারা স্বপ্ন দেখিয়াছিলেন বলেই আজ বিশ্বজয় করাও সহজ হইয়া গিয়াছে বটে!ভালবাসার অনুভূতি অনুভব করাইতে পারিয়াছিলেন বলেই আজ পৃথিবীতে অন্তত কিছু মানুষ থাকিয়া গিয়াছে।নচেৎ বসুধা সেই কবেই মানুষরূপী পশুর আবাস্থল হইয়া যাইত তার কোনো ইয়াত্তা থাকিত?

তাই কাহারো সম্বদ্ধে ভাল-মন্দ বিচার না করিয়া কিছু বলা মোটেই উচিত নহে!!!নিউটন তো বলিয়া গিয়াছেন-প্রত্যেক ক্রিয়ার-ই সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া রহিয়াছে।আমার ভাষায় যদি বুঝাইতে যায় তবে বলিব- যিনি যতটা খারাপ,ঠিক ততটা ভাল তাহার মধ্যে বিরাজ করিয়া থাকে।আপনাকে তাহা খুঁজিয়া লইতে হইবে।

Top