শুল্ক জটিলতার কারনে হিলি বন্দরে আটকা পড়েছে প্রায় ৯ হাজার মেট্রিক টন চাল

HILI.jpg

সোহেল রানা,হিলি,দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ
শুল্ক জটিলতার কারনে ১৭ দিন ধরে হিলি বন্দরে আটকা পড়েছে প্রায় ৯ হাজার মেট্রিক টন চাল। পুর্ব নির্ধরিত ২ শতাংশ শুল্কে চাল ছাড় নিতে এনবিআর এর কাছে আবেদন করেছে ব্যাবসায়িরা।

বাজেটে শুল্ক সংক্রান্ত জটিলতার কারনে চাল খালাস নিয়ে এনবিআর এর কাছে আবেদন করেছে হিলি বন্দরের ব্যাবসায়িরা। এদিকে ভারত থেকে আমদানি করা প্রায় ৯ হাজার মেট্রিকটন চাল খালাস করা নিয়ে বিপাকে পড়েছেন আমদানিকারকেরা। আর যে কারনে ১৬ দিন ধরে ( ৬ জুন থেকে ২১ জুন পর্যন্ত) হিলি স্থলবন্দরের পানামা পোর্টে আটকা পড়ে আছে। কাষ্টমস কতৃপক্ষ তথ্য গোপন রাখার জন্য নিন্দা জানিয়েছেন বন্দরের ব্যাবসায়িরা।

বাজেটে আরোপিত নতুন শুল্কে চাল খালাস করতে অনিহা বন্দরের ব্যাসায়িদের। ব্যাবসায়িরা বলছেন, চাল আমদানির উপর ২৮ শতাংশ শুল্ক আরোপ করায় বাড়তি শুল্ক চেপেছে আমদানিকারকদের উপরে। ফলে লোকসানে পড়বেন তারা। এ কারনে এ বন্দর দিয়ে তারা চাল আমদানি বন্ধ রখেছে।

হিলি স্থলবন্দর আমদানিকারক অবিনাশ জাজাদিয়া জানান, তাদের দাবী নতুন শুল্ক ঘোষনার আগে তারা চাল আমদানি করেছেন, সেই মোতাবেক শুল্ক পরিশোধ করেছেন, হিলি কাষ্টমস এর সার্ভার বন্ধ থাকার কারনে বিল অফ এন্ট্রি জমা নেয়নি হিলি কাষ্টমস। এ কারনেই আটকা পড়ে আছে আমদানিকৃত চালবাহী ট্রাকগুলো।

হিলি স্থলবন্দর আমদানি ও রপ্তানি কারক গ্রুপের সভাপতি হারুনুর রশিদ হারুন বলেন, পুর্বের নিধারিত নিয়ম মোতাবেক আটকে থাকা চাল গুলো ছাড় করনের জন্য কাষ্টমস উর্দ্ধতন কতৃপক্ষ ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বরাবরের আবেদনও করেছেন তারা। তবে সুফল বয়ে না এলে লোকসান গুনতে হবে ব্যাবসায়ীদের।

Top