প্রশ্ন ফাঁসকারী সেই ৫ ছাত্র বহিষ্কার, ধরা ছোয়ার বাইরে নাটের গুরুরা

received_439337763201428.jpeg

তানজীল শুভ,বরিশাল প্রতিনিধি:
গত মঙ্গলবার ৯৯৯ এর সংবাদের ভিত্তিতে প্রশ্ন ফাঁসকারী ৫ সদস্য কে আটক করেছিলো (বিএমপি) এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ। পরে তাদেরকে বিভিন্ন মেয়াদে কারদন্ড দেয় আদালত, তারই প্রেক্ষিতে ডিপ্লোমা সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সের ষষ্ঠ সেমিস্টারের অটোক্যাড-২ বিষয়ের প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় আটককৃত পাঁচ শিক্ষার্থীকে বহিস্কার করেছে ইনফ্রা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট কতৃপক্ষ।
অধ্যক্ষ এম. এ হালিম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ নির্দেশ পাঠানো হয়। বহিস্কৃতরা হলেন, জাহিদুল ইসলাম, আবু নাঈম, আমিনুল ইসলাম, সাব্বির হোসেন সোহেল ও তারেক রহমান। তারা সবাই বরিশালের কাশিপুরস্থ ইনফ্রা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ডিপ্লোমা সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সের ষষ্ঠ সেমিস্টারের পরীক্ষার্থী। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে মর্মে একটি অজ্ঞাত ফোনকল যায়।
এর সূত্র ধরেই পুলিশ তদন্তে নেমে ওই ৫জনকে গ্রেফতার করে। এসময় তাদের কাছ থেকে উদ্ধারকৃত হাতে লেখা প্রশ্নপত্র যাচাইয়ের জন্য করিগরি শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ডিপ্লোমা সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সের ষষ্ঠ সেমিস্টারের অটোক্যাড-২ বিষয়ের পরীক্ষার উদ্ধারকৃত প্রশ্নপত্রের সঙ্গে শিক্ষাবোর্ড প্রদত্ত প্রশ্নপত্রের হুবহু মিল পাওয়া গেলে বুধবারের নির্ধারিত অটোক্যাড-২ বিষয়ের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। গ্রেফতারকৃত শিক্ষার্থীরা জানায়, তারা এই প্রশ্নপত্র মোবাইল ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করে পটুয়াখালীর বাউফল থানার রামনগর গ্রামের ফারুক মীরের ছেলে জাহিদ ইসলামের (২০) কাছ থেকে সংগ্রহ করে।
এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন বলেন, আটককৃতদের ভাষ্যমতে প্রশ্নফাঁসের মূল নায়ক জাহিদ ইসলামকে এখনো গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।

Top