রংপুরে দৈনিক দাবানল এর কম্পিউটার রুমে দুঃসাহসিক চুরি।

36243844_496242084126910_447999367106789376_n-Copy.jpg

সিয়াম প্রধান, সদর প্রতিনিধিঃ
উত্তরা লের প্রাচীনতম দৈনিক দাবানল গত ২০ দিনের ব্যবধানে দুটি দুঃসাহসিক চুরি সংঘটিত হয়েছে। এতে পত্রিকাটির প্রকাশনা কার্যক্রম মারাত্বকভাবে বিঘিœত হচ্ছে ।চোরকে হাতেনাতে ধরে পুলিশকে দেয়ার পরেও চুরি হওয়া কোন মালামাল উদ্ধার কিংবা বাকী চোরেরা গ্রেফতার হয় নি। । দৈনিক দাবানল এর ব্যবস্থা সম্পাদক খন্দকার মোস্তফা সরওয়ার অনু জানান, ২৫ জুন রাত দেড়টার দিকে কাজ শেষ করে দাবানল এর কম্পিউটার রুমসহ অন্যনান্য রুম তালাবন্ধ করে সাংবাদিক-কর্মচারীরা চলে যান। ২৬ জুন সকালে অফিসে এসে দেখা যায়, কম্পিউটার রুমের তালা ভেঙ্গে কম্পিউটারের ২টি পিসি, ২টি মনিটর, ২টি লেজার পৃন্টার, বেশ কিছু ট্রেসিং পেপার, ২ টি পেন ড্রাইভ চুরি করে নিয়ে যায়। একারনে ২৬ জুন আমরা পত্রিকা প্রকাশ করতে পারিনি। ব্যবস্থাপনা সম্পাদক খন্দকার মোস্তফা সরওয়ার অনু আরও জানান, ঈদের আগে সংঘবদ্ধ চোর চক্রটি প্লেট রুমের তালা ভেঙ্গে প্লেট মেশিনের কমপ্রেসার মোটর, শতাধিক প্ল্টে চুরি করে নিয়ে যায়। এ ঘটনার কয়েকদিন পরে আবারও চোরেরা চুরি করার জন্য আসলে টের পেয়ে অফিসের কর্মচারী মোস্তাফিজার রহমান বাবু নামের এক চোরকে হাতেনাতে ধরে ফেলে। পরে কোতয়ালী থানায় খবর দেয়া হলে এসআই সাইফুরের নেতৃত্বে একদল পুলিশ আসে। এসময় বাবু কৌশলে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও পুলিশ ধাওয়া দিয়ে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। এসময় বাবু পুলিশের কাছে ওই চুরির সাথে রংপুর সদর হাসপাতালের মেথর পট্রির মিলন রায়ের নেতৃত্বে কয়েকজন চুরি করেছে বলে স্বীকারোক্তিও দেয়। কিন্তু ঘটনার প্রায় ২ সপ্তাহ অতিবাহিত হওয়ার পরেও পুলিশ চোর সনাক্ত এবং চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধার করতে পারে নি। সেকারনেই ২৫ জুন আবারও চোরেরা কম্পিউটার রুমের তালা ভেঙ্গে চুরি করলো। তিনি আরও জানান, একটি পত্রিকা অফিসে এভাবে ভয়াভহ চুরি সংঘটিত হচ্ছে। অথচ পুলিশ কোন উদ্যোগ নিচ্ছে না। বিষয়টি দুঃখজনক। দৈনিক দাবানল এর সম্পাদক খন্দকার গোলাম মোস্তফা বাটুল জানান, আমরা অনেক কস্ট করে বিগত ৪৮ বছর ধরে পত্রিকাটির প্রকাশনা অব্যাহত রেখেছি। কিন্তু বারবার আমাদের অফিসে সংঘবদ্ধ চোরেরা চুরি করছে। পুলিশকে বলার পরেও এ ব্যপারে এ্যকশন না হওয়ার বিষয়টি খবুই হতাশাব্যঞ্জক। এ ব্যপারে কোতয়ালী থানার এসআই সাইফুর জানান, চুরি সন্দেহে আটক যুবককে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তার স্বীকারোক্তির আলোকে মিলন রায় নামের এক চোর সরদারকে ধরতে অভিযান অব্যাহত রাখা হয়েছে। কোতয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ বাবুল মিয়া জানান, চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার ও চোরদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

Top