নো-ম্যান্স ল্যান্ড থেকে রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে সম্মত মিয়ানমার

IMG_20180628_185048.jpg

শামীম ইকবাল চৌধুরী,নাইক্ষ্যংড়ী,(বান্দরবান)থেকে ::

নাইক্ষ্যংছড়ির তমব্রু সীমান্তে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের দ্রুত সময়ের মধ্যে ফিরিয়ে নিতে আশ^স্থ করেছে বিজিপি’র মংডু আঞ্চলিক কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাঈন টুও।
বৃহস্পতিবার বিকালে কক্সবাজারে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও মিয়ানমারের বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি) এর আঞ্চলিক কমান্ডার পর্যায়ে সৌজন্যমূলক পতাকা বৈঠক শেষ সাংবাদিকদের সাথে প্রেস ব্রিফিংএ মংড়– আঞ্চলিক কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাঈন টুও’র এ সম্মতির কথা জানান, বিজিবি কক্সবাজার আঞ্চলিক কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম রাকিবুল্লাহ।
এ সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি আরো জানান, মিয়ানমার সীমান্ত বাহিনী অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে সন্ত্রাসী বাহিনীর অবস্থান রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে বিজিবি’র সহযোগিতা প্রত্যাশা করছে। বিষয়টি বিজিবি খতিয়ে দেখবে এবং নিশ্চয়তা দিয়ে মিয়ানমার প্রতিনিধি দলকে বলেন, বাংলাদেশে কোন সন্ত্রাসীর বীজ বপন হতে দেওয়া হবেনা।
এছাড়া মিয়ানমার সীমান্তে থাকা ইয়াবা কারখানার বিষয়েও কথা হলে, মিয়ানমারের মাঈন টুও জানান, তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখবে এবং এর বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছেন।
পতাকা বৈঠকে যৌথ টহল জোরদার, উন্নত যোগাযোগ, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ে একে অপরের সহযোগিতা মনোভাব পোষন করেন।
বেলা সাড়ে ১২টার দিকে কক্সবাজারস্থ বিজিবির আঞ্চলিক সদর দপ্তরে শুরু হওয়া বৈঠক বিকাল ৪ টা পর্যন্ত চলে। বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে ৯ সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বিজিবি কক্সবাজার আঞ্চলিক কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম রাকিবুল্লাহ।
মিয়ানমারের পক্ষে ১২ সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বিজিপি’র মংডু আঞ্চলিক কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাঈন টুও।
এসব বিষয় ছাড়াও বৈঠকে উভয় বাহিনীর মধ্যে তথ্য বিনিময়, সীমান্তে নিয়মিত যৌথ টহল, ইয়াবা প্রতিরোধ, সীমান্ত পরিস্থিতি, রোহিঙ্গা ইস্যুসহ নানা বিষয়ে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা হয়। প্রসংগত ধুমধুম কোনার পাড়া নো ম্যান্স ল্যান্ডে প্রায় ৫ হাজারের মত রোহিঙ্গা অবস্থান করছে। এদিকে বিকাল ৪ টার দিকে নো ম্যান্স ল্যান্ডে ফুটবল খেলার সময় মিয়ানমারের উপার থেকে ছোড়াঁ গুলিতে আনসার উল্লাহ নামের এক রোহিঙ্গা শিশু গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। সে নো ম্যান্স ল্যান্ডে বসবাসরত রোহিঙ্গা জমি উল্লাহর ছেলে। নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া আফরিন কচি এই প্রতিবেদককে ঘটনার সত্যতার নিশ্চিত করেন।
——————–

Top