জগন্নাথপুরের অনঙ্গমোহন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে এলাকাবাসীর ভিন্নমত প্রকাশ

th-5.jpg

জুয়েল আহমদ,জগন্নাথপুর(সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি::
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরের পাইলগাঁও ইউনিয়নের অনঙ্গমোহন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কিছু সুবিধাভোগী লোক অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হারুনুর রশীদের বিরুদ্ধে সুকৌশলে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকা, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য,অভিভাবকবৃন্দ ও স্কুলের সাথে সম্পৃক্ত সকলে ক্ষোভ ও ভিন্নমত প্রকাশ করেছেন।
জানা যায়, বিগত ৩-২-২০১৮ তারিখে অনঙ্গমোহন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জরুরী সাধারণ সভা আহবান করা হয়।উক্ত সভায় নতুন ম্যানেজিং কমিটির দুইজন অভিভাবক (পুরুষ) ও দুই মহিলা অভিভাবক সদস্য ১২৩জন অভিভাবকের স্বাক্ষরে রেজুলেশনের মাধ্যমে সদস্য নির্বাচন করা হয়।উক্ত সভায় দাতা সদস্য হিসেবে ফ্যামেলী শপের মালিক জহুর উদ্দিনকে দাতা সদস্য হিসেবে নিবার্চন করা হয়,এই সঙ্গে দাতা সদস্যের কাছ থেকে নগদ বিশ হাজার টাকা বিদ্যালয়ের সংস্কারের জন্য চেকের মাধ্যমে গ্রহন করা হয়।এতে উপস্থিত কোন সদস্য দ্বিমত পোষন করেন নাই। মার্চ ২০১৮ ইংরেজী বিদ্যালয়ের সংস্কারের জন্য একলক্ষ টাকা বরাদ্ধ পাওয়া যায়,তখনই অভিযোগকারীরা নড়েচড়ে বসেন এবং ম্যানেজিং কমিটির সদস্য হওয়ার জন্য প্রধান শিক্ষককে মোবাইলফোনে শিক্ষকের সাক্ষাতে নতুন ম্যানেজিং কমিটি গঠন নিয়ে দ্বিমত পোষন করেন এবং উপজেলা শিক্ষা অফিসার বরাবরে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল করেন।অভিযোগে বলা হয় প্রধান শিক্ষক ব্যক্তিগতভাবে সভা আহবান না করে পকেট কমিটি গঠন করেছেন।অথচ উক্ত সভায় অভিযোগকারী যথাক্রমে ১.জমশেদ মিয়া,২.আব্দুল গফুর,৩.আছাব মিয়া,৪.মোয়াজ্জেম হোসেনের রেজুলেশন খাতায় সাক্ষর রয়েছে।হীনস্বার্থ চরিতার্থ করিবার জন্য নতুন ম্যানেজিং কমিটিতে সদস্য পদ লাভ করতে মরিয়া হয়ে উঠেন।বিগত ১৬/০৫/২০১৮ ইং অনঙ্গমোহন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অভিযোগেরর প্রেক্ষিতে তদন্তকার্য পরিচালনা করেন,কামাল উদ্দিন আহমদ সহকারি উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও রাপ্রু চাই মারমা সহকারি উপজেলা শিক্ষা অফিসার জগন্নাথপুর,সুনামগঞ্জ।
এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে প্রধান শিক্ষক হারুনুর রশীদ জানান,আমি প্রধান শিক্ষক হিসেবে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ও স্কুল যাতে সুন্দরভাবে চলে সে বিষয়ে মনোযোগের সাথে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি।তদন্তকার্য ও তার ফলাফল অভিযোগকারীদের পক্ষে না যাওয়ায় তদন্তকারী কর্মকর্তাবৃন্দের বিরুদ্ধে ও আমার বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিবৃতি দেয়া হচ্ছে।গায়ের জোরে আমাকে বিতাড়িত করার জন্য হুমকি দেওয়া অব্যাহত রেখেছেন। আর শিক্ষক হেনা বেগমের বিরুদ্ধে আমি যাব কেন? উনি তো নিজের বাড়ীর স্কুলের ইচ্ছা করে চলে গেছেন।এটা দিয়ে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করা হচ্ছে।
এ ব্যাপারে জানতে জগন্নাথপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসার জয়নাল আবেদীনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,অভিযোগের আলোকে বিভাগীয় তদন্ত হয়েছে।তদন্তের আলোকে আমরা এর ব্যবস্থায় গ্রহন করবো।##

Top