গরীব মেধাবী ছাত্রী লক্ষী রানী বাঁচতে চায়।।।

received_461438290949753.jpeg

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি :
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ২১ নং ঢোলার হাট ইউনিয়নের ঢোলারহাট এস সি উচ্চ বিদ্যালয়ের গরীব মেধাবী ছাত্রী লক্ষী রানী ২০১৪ সালে ৪.৭৫ সিজিপিএ নিয়ে এসএসসি পাশ করে। পরে টাকার অভাবে আর পড়তে পারেনি। তার পরিবারের ভিটে বাড়ি পর্যন্ত নেই , স্কুলের জমিতে বাস করে। তার মা কাজ করে চালের মিলে। কুলাঙ্গার পিতা নুরেশ চন্দ্র পলাতক। সেই ছোট্টবেলাতে বাবাকে হারানোর পর তাকে পাড়ি দিতে হয়েছে অনেক প্রতিকূলতা। কিন্তু নিজ প্রচেষ্টায় সকল বাধা ডিঙিয়ে এগুতে থাকা লক্ষীর যাত্রা হঠাৎ থমকে গেছে কঠিন এক দুরারোগ্য ব্যাধি ক্যান্সারে। সমস্ত শরীরে ঘাঁয়ের চিহ্ন। তার চিকিৎসার জন্য খরচ হবে প্রায় ২০ – ৩০ লক্ষ টাকা। তার হতদরিদ্র মায়ের পক্ষে সম্ভব নয় এই বিশাল অঙ্কের ব্যয়ভার বহন করা।
ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালের ডাক্তার বলেছে তার একমাত্র চিকিৎসা হবে ঢাকা মেডিকেলে অথবা বাইরে কোথাও। টাকার অভাবে বর্তমানে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে নিচতলায় বিনা চিকিৎসায় পরে আছে মা ও বোন সহ। গত ৬ মাস আগে আমরা সবাই মিলে সাহায্য করে চিকিৎসা করিয়েছিলাম কিন্তু ভালো হয়নি। তারপরও ঢোলারহাট এস সি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মার্চেলো দাদা সহ সবাই মিলে ১৫০০০ টাকা তার মায়ের হাতে তুলে দেয়া হয়। কিন্তু এই টাকায় কিছু হবে না। এদিকে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালের নার্সরা লক্ষী রানীর মায়ের হাতে ২০০০ টাকা দিয়েছে। লক্ষী রানী জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। আজ লক্ষ্মীর হাতে ভিক্ষার ঝুলি। তাহলে কি জীবন যুদ্ধে এভাবেই হেরে যাবে লক্ষী রানী? এভাবে স্বপ্নভঙ্গ হবে একটি মায়ের? আমরা কি পারি না সবার চেষ্টায় তার ওই অসহায় মুখে হাসি ফিরিয়ে দিতে? আসুন লক্ষী রানীর সাহায্যার্থে আমরা সবাই এগিয়ে আসি। আমাদের দশজনের ক্ষুদ্র প্রয়াসে হয়তো বিশাল হয়ে বাঁচিয়ে দেবে একটি তাজা প্রাণ। এভাবেই সমাজের সচেতন দানশীল ও বিত্তবানদের কাছে চিকিৎসার জন্য আর্থিক সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন তার মা। কোন সহৃদয়বান ব্যক্তি তার চিকিৎসায় সাহায্য দিতে চাইলে যোগাযোগ করুন :
বিকাশ:
০১৭১৬৮৯৮৪৯০ মার্চেলো দাস, সহকারী প্রধান শিক্ষক, ঢোলারহাট এস সি উচ্চ বিদ্যালয়।

মোঃ কাবুল, সঞ্চয়ী ব্যাংক, হিসাব নং: 6501202593694001 ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড, ঠাকুরগাঁও।

Top