মির্জানগর অগ্নিকান্ডে ঘটনায় গভীর রাতে পরিদর্শনে ইউএনও:

received_329867980876703.jpeg

বিশেষ প্রতিবেদকঃ

পরশুরাম উপজেলার মির্জানগর ইউনিয়নের আশ্রাফপুর গ্রামের মজুমদার বাড়িতে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে।

পরশুরামের মির্জানগর ইউনিয়নের আশ্রাফপুর গ্রামের মজুমদার বাড়িতে ৩ টি বসত ঘর আগুনে পুড়ে ছাঁই হয়ে গেছে।গ্রামবাসী আগুন নেভানোর পর ঘটনাস্থলে আসে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১টায় সফিকুর রহমানের(ড্রাইভার)ঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়।এরপর একে একে পুড়তে থাকে মজিবুল হক সরকার ও জাকারিয়া মজুমদারের বসত ঘর।

৩টি ঘরের আসবাবপত্রসহ সবই পুড়েছে আগুনে।অগ্নিকান্ডে প্রায় ৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্থরা জানিয়েছেন।

এ সময় তিনি অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থদের কথা শোনে তাদের প্রত্যককে সান্তনা প্রদান ও সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।

অগ্নিকান্ডে প্রায় ৫ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন মির্জানগর ইউপি চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান ভুট্টু সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা।

অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ শফিকুর রহমান জানান,বিকাল ৪টায় রান্না ঘরের চুলার আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।আগুন কিভাবে লাগলো বুঝতে পারছিনা।

অগ্নিকান্ডে এক ঘন্টা পর ঘটনাস্থলে আসে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। কিন্তুু তার আগেই স্থানীয়দের প্রচেষ্টায় আগুন নিভানো হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ করেছেন,ফায়ার সার্ভিসের (০১৮৫-৪৪২২৪৭৩) শতবার ফোন দিলেও কল রিসিভ না করে কেটে দেওয়া হয়।

ইমার্জেন্সি কন্ট্রাক্ট ৯৯৯ এ ফোন দিয়ে ৫-৭ মিনিট লাইনে থাকার পরও পরশুরাম ফায়ার সার্ভিস অফিস কল রিসিভ করেনি।
তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

পরে পরশুরাম থানার ওসি আবুল কাশেম চৌধুরী কল করে বিষয়টি জানায়।

স্থানীয় যুবক মমিন খন্দকার গভীর রাতেও ইউএনও’ কে অসহায় মানুষের পাশে দেখে বলেন, রাষ্টের প্রত্যক জায়গায় যদি (ইউএনও মুরাদ) সাহেবের মতো মনমানসিতা সম্পুর্ণ লোক থাকতো তাহলে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ হতে সময় লাগতো না বলে উল্লেখ্য করেন তিনি।

আগুনের সূত্রপাত কিভাবে হয়েছে তা খতিয়ে দেখতে পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএমকে নির্দেশ প্রদান করেন তিনি।

Top