দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া সত্ত্বেও ঝালকাঠিতে জমে উঠেছে ঈদ বাজার।

IMG_20180613_142808.jpg

জাহিদুল ইসলাম পলাশ,ঝালকাঠি প্রতিনিধি।
ঝালকাঠিতে শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে ঈদ বাজার। আবহাওয়া খারাপ থাকা সত্ত্বেও সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে কেনাকাটা। দোকানগুলোতে তিল ধারণের ঠাঁই নেই। পোশাকের মান ও ডিজাইনে সন্তুষ্ট ক্রেতারা। আর বিক্রি ভালো হওয়ায় খুশি বিক্রেতারাও।বাহারি পোশাকে সাজানো দোকানগুলো। নানা ডিজাইনের দেশি বিদেশি সব পোশাকই পাওয়া যাচ্ছে। তবে দাম নিয়ে ভিন্নমত রয়েছে ক্রেতাদের।
খান সুপার মার্কেটের শাহী বস্ত্রালয়ের বিক্রেতা শহিদুল হাসান জানান,দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া থাকলেও ক্রেতার সমাগম রয়েছে। ঈদ পোশাকের দাম বাড়ে নি এবং ক্রেতাদের ক্রয় আয়ত্তের মধ্যেই রয়েছে।
অন্যদিকে মারজান সুপার মার্কেটেও উপচে পরা ভীড়।সবুজ নামে এক ক্রেতার সাথে কথা বললে তিনি জানান,পোশাকের দাম গত বছরের চেয়ে কিছুটা বেশি মনে হচ্ছে।

এদিকে দেশীয় শাড়ি ও পোশাকের পাশাপাশি ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে ভারতের টিভি সিরিয়ালের বিভিন্ন চরিত্রের নামে তৈরি পোশাক সাজিয়েছে দোকানগুলো। সিরিয়ালের পোশাকাদির প্রতি মেয়েদের আগ্রহ বেশি, অন্যদিকে ছেলেদের পছন্দ পাঞ্জাবি।
এবার ভাল মানের শাড়ি ৮ হাজার টাকা থেকে ৩৯হাজার টাকা, থ্রি-পিস ২ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা, ল্যাহেঙ্গা ৮ হাজার থেকে ১৮ হাজার টাকা, পাঞ্জাবী ৬ শ’ থেকে সাড়ে ৫ হাজার টাকা, প্যান্ট ৮শ’ থেকে ৫ হাজার টাকা, ফতুয়া ৫ শ’ থেকে ১৮শ’ টাকা, বিভিন্ন ধরনের শার্ট ৮শ’ থেকে ৪ হাজার টাকা, জুতা ১৫শ’ থেকে ৭ হাজার টাকা ও বাচ্চাদের বিভিন্ন পোষাক ৭ শ’ থেকে ১৫ শ টাকা পর্যন্ত দরে বিক্রি হচ্ছে।পাশাপাশি নিম্ন ও নিম্ন মধ্যবিত্তদের ঈদের কেনাকাটাও জমে উঠছে ফুটপাতের দোকানগুলোতে।এ বছর বিক্রি ভাল বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

এদিকে, ঈদ বাজার নির্বিঘ্নে ও স্বাচ্ছন্দ্যে কেনাকাটা করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে ঝালকাঠি জেলা পুলিশ।ফয়সাল হাং নামে এক পুলিশ সদস্য জানান, ঈদে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার জন্য ২শ’র মতো অতিরিক্ত পুলিশ বিভিন্ন স্থানে টহল দিচ্ছে। এর মধ্যে সাদা পোশাকের পুলিশ রয়েছে আবার নিয়মিত পোশাকের পুলিশও রয়েছে। এছাড়া কিছু মহিলা পুলিশও দেয়া হয়েছে সাদা পোশাকে। তারা মহিলাদের নিরাপত্তার বিষয়টি দেখবে। এছাড়া ঈদের পরেও আরও ৭ দিন আমাদের একই নিরাপত্তা ব্যবস্থা বহাল থাকবে।’

Top