পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের হাতে নিষিদ্ধ ‘স্মার্ট ঘড়ি’

IMG_20180525_200058.jpg

মোঃ ছৈয়দুল বশর ফাহিম:
চলমান লর্ডস টেস্টে ‘স্মার্ট ঘড়ি’ পরে মাঠে নেমেছিলেন পাকিস্তানের দুই ক্রিকেটার আসাদ শফিক ও বাবর আযম। আর মাঠে নেমেই নতুন করে দুজনে জন্ম দিয়েছেন বিতর্কের।
ক্রিকেট মাঠে যোগাযোগমাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা যায় এমন কোনো যন্ত্র পরিহিত অবস্থায় থাকা নিয়ম বহির্ভূত। শফিক ও বাবর অ্যাপল কোম্পানির যে ‘স্মার্ট ঘড়ি’ পরেছিলেন, সেটি দিয়ে দূরবর্তী স্থানেও যোগাযোগ করা সম্ভব। এই ব্যাপারটি দৃষ্টি এড়ায়নি আইসিসির দুর্নীতি দমক বিভাগ আকসুর।
দিনের খেলা শেষে তাই আকসুর সামনে জবাবদিহি করতে হয় দুই ক্রিকেটারকে। এ সময় আকসুর কর্তারা সাফ জানিয়ে দেন, এখন থেকে আর কখনই ‘স্মার্ট ঘড়ি’ পরে মাঠে নামতে পারবেন না তারা। এই নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে সব ক্রিকেটারের জন্যই।
আইসিসির এক কর্মকর্তা এ প্রসঙ্গে জনপ্রিয় ক্রিকেট বিষয়ক জার্নাল ক্রিকইনফোকে বলেন, ‘এই ঘড়িগুলো ফোন কিংবা ওয়াইফাইয়ের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে বার্তা গ্রহণ করতে পারে, যেটা আইনের পরিপন্থি যোগাযোগমাধ্যমটি অকার্যকর না করলে এটাকে ফোন হিসেবেই ধরা হয়।’‘স্মার্ট ঘড়ি’ পরে মাঠে নামলে নিজেদের ফিটনেস সম্পর্কে ধারণা রাখতে পারেন ক্রিকেটাররা। দুই পাকিস্তানি ক্রিকেটার ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টেস্টের প্রথম দিনে এটি ব্যবহার করেছিলেন মূলত এজন্যই। তবে আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, কোনো ক্রিকেটারই মাঠের ভেতরে যোগাযোগ-সক্ষম কোনো যন্ত্র বা ডিভাইস বহন করতে পারবেন না। আর তাই শফিক এবং বাবরের ‘স্মার্টঘড়ি’ পরে খেলতে নামাটা নিয়মের পরিপন্থী।প্রথম দিনের খেলা শেষে সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানি ক্রিকেটার হাসান আলী জানান, দুই ক্রিকেটার যে ‘স্মার্ট ঘড়ি’ পরে খেলতে নেমেছেন এটি জানাই ছিল না তার! তিনি বলেন, ‘আমি জানতামই না যে আমাদের মধ্যে কেউ এটি পরেছে। তবে হ্যাঁ! আইসিসির দুর্নীতি দমন কর্মকর্তা আমাদের কাছে এসে বলে গেছে যে এমন ঘড়ি পরার নিয়ম নেই।তাই যাতে পরবর্তীতে আর কেউ এই ঘড়ি পরে মাঠে না নামে।

Top